১
মন দিয়ে নামায পড়ার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫
নামাযে মনোযোগ দেয়ার গুরুত্ব
নামাযে মনোযোগ দেয়া অর্থাৎ খুশু ও খুযূর সাথে নামায আদায় করা এত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, এটা না থাকলে নামাযটা প্রাণহীন দেহের মতো হয়ে যায়। নামায হলো বান্দা এবং আল্লাহর মধ্যে মুনাজাত বা গোপন কথোপকথন। নামাযে আমি আল্লাহর কাছে কী আবেদন করলাম আর আল্লাহ আমাকে কী বললেন তা বুঝে বুঝে নামায আদায় করাই হলো নামাযের প্রাণশক্তি। নামাযের বাহ্যিক কাঠামোর সাথে প্রাণের সংযোগ না থাকলে সেই নামায যথার্থ হয় না। আর নামাযের বাহ্যিক কাঠামোর সাথে প্রাণের সংযোগ দিতে হলে ‘হুজূরে ক্বল্ব’ তথা মনের উপস্থিতি একান্ত প্রয়োজন। মন উপস্থিত রেখে একাগ্রতার সাথে নামায আদায় করাই নামাযের মূল বিষয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿قَدْ اَفْلَحَ الْمُؤْمِنُوْنَ ‐ - اَلَّذِيْنَ هُمْ فِيْ صَلَاتِهِمْ خَاشِعُوْنَ﴾
মুমিনগণ অবশ্যই সফলকাম হয়েছে; যারা নিজেদের নামাযে বিনয়ী। (সূরা মু’মিনূন- ১, ২)
হাদীসে এসেছে- আম্মার ইবনে ইয়াসির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ হতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, নিশ্চয় কোন ব্যক্তি নামায সমাপ্ত করে, কিন্তু তার জন্য ১০ ভাগের ১ ভাগ, ৯ ভাগের ১ ভাগ, ৮ ভাগের ১ ভাগ, ৭ ভাগের ১ ভাগ, ৬ ভাগের ১ ভাগ, ৫ ভাগের ১ ভাগ, ৪ ভাগের ১ ভাগ, ৩ ভাগের ১ ভাগ অথবা ২ ভাগের ১ ভাগ মাত্র লিপিবদ্ধ হয়। [আবু দাঊদ, হা/৭৯৬; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৮৯১৪; সুনানুল কাবীর লিন নাসাঈ, হা/৬১৫; জামেউস সগীর, হা/২৫০৬; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/৫৩৭।]
সুতরাং যার নামায যত বেশি নবী ﷺ এর সুন্নাহ অনুযায়ী হবে তার নামায তত বেশি পূর্ণাঙ্গ ও বিশুদ্ধ হবে। অন্যথায় সেই কমতি অনুসারে সওয়াবও কম হতে থাকবে।
﴿قَدْ اَفْلَحَ الْمُؤْمِنُوْنَ ‐ - اَلَّذِيْنَ هُمْ فِيْ صَلَاتِهِمْ خَاشِعُوْنَ﴾
মুমিনগণ অবশ্যই সফলকাম হয়েছে; যারা নিজেদের নামাযে বিনয়ী। (সূরা মু’মিনূন- ১, ২)
হাদীসে এসেছে- আম্মার ইবনে ইয়াসির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ হতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, নিশ্চয় কোন ব্যক্তি নামায সমাপ্ত করে, কিন্তু তার জন্য ১০ ভাগের ১ ভাগ, ৯ ভাগের ১ ভাগ, ৮ ভাগের ১ ভাগ, ৭ ভাগের ১ ভাগ, ৬ ভাগের ১ ভাগ, ৫ ভাগের ১ ভাগ, ৪ ভাগের ১ ভাগ, ৩ ভাগের ১ ভাগ অথবা ২ ভাগের ১ ভাগ মাত্র লিপিবদ্ধ হয়। [আবু দাঊদ, হা/৭৯৬; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৮৯১৪; সুনানুল কাবীর লিন নাসাঈ, হা/৬১৫; জামেউস সগীর, হা/২৫০৬; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/৫৩৭।]
সুতরাং যার নামায যত বেশি নবী ﷺ এর সুন্নাহ অনুযায়ী হবে তার নামায তত বেশি পূর্ণাঙ্গ ও বিশুদ্ধ হবে। অন্যথায় সেই কমতি অনুসারে সওয়াবও কম হতে থাকবে।