১
মন দিয়ে নামায পড়ার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৩
রুকূ হতে দাঁড়িয়ে যা বলতে হয়
رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ
উচ্চারণ : রাববানা লাকাল হামদ।
শাব্দিক অর্থ : رَبَّنَا হে আমাদের রব! لَكَ আপনার জন্যই الْحَمْدُ সকল প্রশংসা।
অর্থ : হে আমাদের রব! আপনার জন্যই সকল প্রশংসা।
উল্লেখ্য যে, অন্য বর্ণনায় رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ এর স্থলে رَبَّنَا وَ لَكَ الْحَمْدُ বাক্যটি উল্লেখ করা হয়েছে। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/১৬৩; সহীহ বুখারী, হা/৬৮৯; সহীহ মুসলিম, হা/৯৪৮।]
رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ حَمْدًا كَثِيْرًا طَيِّبًا مُّبَارَكًا فِيْهِ
উচ্চারণ : রাববানা ওয়ালাকাল হামদু হামদান কাছীরান ত্বায়্যিবান মুবা-রাকান ফীহ্।
শাব্দিক অর্থ : رَبَّنَا হে আমাদের প্রভু, وَلَكَ الْحَمْدُ তোমার জন্য সকল প্রশংসা, حَمْدًا এমন প্রশংসা যা, كَثِيْرًا অনেক, طَيِّبًا পবিত্র, مُبَارَكًا فِيْهِ যাতে রয়েছে বরকত।
অর্থ : হে আমাদের রব! তোমার জন্যই সমস্ত প্রশংসা। আর তা এত অধিক প্রশংসা, যা পবিত্র ও বরকতপূর্ণ।
রিফা‘আ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একবার নবী ﷺ এর পেছনে নামায আদায় করছিলাম। তিনি যখন রুকূ থেকে দাঁড়ালেন, তখন পেছন থেকে এক ব্যক্তি উপরের দু‘আটি পাঠ করল। অতঃপর নামায শেষ হলে নবী ﷺ বললেন, একটু আগে এ কথাগুলো কে বলেছে? তখন ঐ লোকটি বলল, আমি বলেছি। এবার নবী ﷺ বললেন, আমি ৩০ জনেরও অধিক ফেরেশতাকে দেখেছি তারা এ ব্যাপারে তাড়াহুড়া করছেন যে, কে কার আগে এর সওয়াব লিখবেন এবং আল্লাহর কাছে নিয়ে পৌঁছাবেন। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/৪৯৩; সহীহ বুখারী, হা/৭৯৯; আবু দাউদ, হা/৭৭০।]
উচ্চারণ : রাববানা লাকাল হামদ।
শাব্দিক অর্থ : رَبَّنَا হে আমাদের রব! لَكَ আপনার জন্যই الْحَمْدُ সকল প্রশংসা।
অর্থ : হে আমাদের রব! আপনার জন্যই সকল প্রশংসা।
উল্লেখ্য যে, অন্য বর্ণনায় رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ এর স্থলে رَبَّنَا وَ لَكَ الْحَمْدُ বাক্যটি উল্লেখ করা হয়েছে। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/১৬৩; সহীহ বুখারী, হা/৬৮৯; সহীহ মুসলিম, হা/৯৪৮।]
رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ حَمْدًا كَثِيْرًا طَيِّبًا مُّبَارَكًا فِيْهِ
উচ্চারণ : রাববানা ওয়ালাকাল হামদু হামদান কাছীরান ত্বায়্যিবান মুবা-রাকান ফীহ্।
শাব্দিক অর্থ : رَبَّنَا হে আমাদের প্রভু, وَلَكَ الْحَمْدُ তোমার জন্য সকল প্রশংসা, حَمْدًا এমন প্রশংসা যা, كَثِيْرًا অনেক, طَيِّبًا পবিত্র, مُبَارَكًا فِيْهِ যাতে রয়েছে বরকত।
অর্থ : হে আমাদের রব! তোমার জন্যই সমস্ত প্রশংসা। আর তা এত অধিক প্রশংসা, যা পবিত্র ও বরকতপূর্ণ।
রিফা‘আ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একবার নবী ﷺ এর পেছনে নামায আদায় করছিলাম। তিনি যখন রুকূ থেকে দাঁড়ালেন, তখন পেছন থেকে এক ব্যক্তি উপরের দু‘আটি পাঠ করল। অতঃপর নামায শেষ হলে নবী ﷺ বললেন, একটু আগে এ কথাগুলো কে বলেছে? তখন ঐ লোকটি বলল, আমি বলেছি। এবার নবী ﷺ বললেন, আমি ৩০ জনেরও অধিক ফেরেশতাকে দেখেছি তারা এ ব্যাপারে তাড়াহুড়া করছেন যে, কে কার আগে এর সওয়াব লিখবেন এবং আল্লাহর কাছে নিয়ে পৌঁছাবেন। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/৪৯৩; সহীহ বুখারী, হা/৭৯৯; আবু দাউদ, হা/৭৭০।]