১
মন দিয়ে নামায পড়ার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২২
অযুর গুরুত্ব ও ফযীলত
১. অযুর মাধ্যমে বান্দার গোনাহ মাফ হয়:
আবদুল্লাহ ইবনে সুনাবিহী (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যখন কোন মুমিন বান্দা অযু করে, অতঃপর যখন সে কুলি করে তখন কুলি করার সাথে সাথে তার মুখের গোনাহসমূহ বের হয়ে যায়। যখন সে নাক পরিষ্কার করে তখন তার নাক থেকে সকল গোনাহ বের হয়ে যায়। যখন সে তার চেহারা ধৌত করে তখন চেহারা থেকে সকল গোনাহ বের হয়ে যায়; এমনকি তার চোখের ভেতরের গোনাহসমূহও বের হয়ে যায়। অতঃপর যখন সে তার হাত ধৌত করে তখন তার হাত হতেও সকল গোনাহ বের হয়ে যায়; এমনকি তার নখের নিচে লুকিয়ে থাকা গোনাহসমূহও বের হয়ে যায়। অতঃপর সে যখন মাথা মাসাহ করে তখন তার মাথা হতে সকল গোনাহ বের হয়ে যায়; এমনকি তার কান হতেও গোনাহসমূহ বের হয়ে যায়। অতঃপর যখন সে তার পা ধৌত করে তখন তার দু’পা হতে সকল গোনাহ বের হয়ে যায়; এমনকি তার পায়ের নখের নিচে থাকা গোনাহসমূহও বের হয়ে যায়। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, তারপর সে যখন পায়ে হেটে মসজিদে যায় এবং নামায আদায় করে তখন সে গোনাহ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে নামায আদায় করে। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/৬১; নাসাঈ, হা/১০৩; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/৪৫৪; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/১৭৩৫; মিশকাত, হা/২৯৭।]
২. অযুর মাধ্যমে বান্দার মর্যাদা বৃদ্ধি পায় :
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আমি কি তোমাদেরকে এমন কোন কাজ সম্পর্কে জানাব না, যা করলে আল্লাহ তা‘আলা (বান্দার) পাপরাশি দূর করে দেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করেন? লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি বলুন। তিনি বললেন, (১) অসুবিধা ও কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণরূপে অযু করা, (২) মসজিদে আসার জন্য বেশি পদচারণা করা এবং (৩) এক নামাযের পর অন্য নামাযের জন্য অপেক্ষা করা; আর এ কাজগুলোই হলো সীমান্ত প্রহরা। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/৩৮৪; সহীহ মুসলিম, হা/৬১০; তিরমিযী, হা/৫১; নাসাঈ, হা/১৪৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮০০৮।]
‘সীমান্ত প্রহরা’ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, কোন ব্যক্তি ইসলামের উপর অটল থাকা এবং ইসলামের দুশমনদের বিরুদ্ধে সর্বদা প্রসত্মুত থাকা এবং ইসলামী রাষ্ট্রের সীমানা পাহারা দেয়া।
৩. এর দ্বারা হাশরের ময়দানে উম্মতকে পৃথক করা হবে :
নু‘আইম আল মুজমির (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আবু হুরায়রা (রাঃ) এর সাথে মসজিদের ছাদে উঠি। তখন আবু হুরায়রা (রাঃ) অযু করলেন এবং বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, কিয়ামতের দিন আমার উম্মতদেরকে এমন অবস্থায় ডাকা হবে যে, অযুর প্রভাবে তাদের অযুর অঙ্গসমূহ উজ্জ্বল থাকবে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে তাদের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে সক্ষম সে যেন তা বাড়িয়ে নেয়। [সহীহ বুখারী, হা/১৩৬; সহীহ মুসলিম, হা/৬০৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/৯০৮৪; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৭৬; মিশকাত, হা/২৯০।]
আবদুল্লাহ ইবনে সুনাবিহী (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যখন কোন মুমিন বান্দা অযু করে, অতঃপর যখন সে কুলি করে তখন কুলি করার সাথে সাথে তার মুখের গোনাহসমূহ বের হয়ে যায়। যখন সে নাক পরিষ্কার করে তখন তার নাক থেকে সকল গোনাহ বের হয়ে যায়। যখন সে তার চেহারা ধৌত করে তখন চেহারা থেকে সকল গোনাহ বের হয়ে যায়; এমনকি তার চোখের ভেতরের গোনাহসমূহও বের হয়ে যায়। অতঃপর যখন সে তার হাত ধৌত করে তখন তার হাত হতেও সকল গোনাহ বের হয়ে যায়; এমনকি তার নখের নিচে লুকিয়ে থাকা গোনাহসমূহও বের হয়ে যায়। অতঃপর সে যখন মাথা মাসাহ করে তখন তার মাথা হতে সকল গোনাহ বের হয়ে যায়; এমনকি তার কান হতেও গোনাহসমূহ বের হয়ে যায়। অতঃপর যখন সে তার পা ধৌত করে তখন তার দু’পা হতে সকল গোনাহ বের হয়ে যায়; এমনকি তার পায়ের নখের নিচে থাকা গোনাহসমূহও বের হয়ে যায়। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, তারপর সে যখন পায়ে হেটে মসজিদে যায় এবং নামায আদায় করে তখন সে গোনাহ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে নামায আদায় করে। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/৬১; নাসাঈ, হা/১০৩; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/৪৫৪; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/১৭৩৫; মিশকাত, হা/২৯৭।]
২. অযুর মাধ্যমে বান্দার মর্যাদা বৃদ্ধি পায় :
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আমি কি তোমাদেরকে এমন কোন কাজ সম্পর্কে জানাব না, যা করলে আল্লাহ তা‘আলা (বান্দার) পাপরাশি দূর করে দেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করেন? লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি বলুন। তিনি বললেন, (১) অসুবিধা ও কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণরূপে অযু করা, (২) মসজিদে আসার জন্য বেশি পদচারণা করা এবং (৩) এক নামাযের পর অন্য নামাযের জন্য অপেক্ষা করা; আর এ কাজগুলোই হলো সীমান্ত প্রহরা। [মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/৩৮৪; সহীহ মুসলিম, হা/৬১০; তিরমিযী, হা/৫১; নাসাঈ, হা/১৪৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮০০৮।]
‘সীমান্ত প্রহরা’ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, কোন ব্যক্তি ইসলামের উপর অটল থাকা এবং ইসলামের দুশমনদের বিরুদ্ধে সর্বদা প্রসত্মুত থাকা এবং ইসলামী রাষ্ট্রের সীমানা পাহারা দেয়া।
৩. এর দ্বারা হাশরের ময়দানে উম্মতকে পৃথক করা হবে :
নু‘আইম আল মুজমির (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আবু হুরায়রা (রাঃ) এর সাথে মসজিদের ছাদে উঠি। তখন আবু হুরায়রা (রাঃ) অযু করলেন এবং বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, কিয়ামতের দিন আমার উম্মতদেরকে এমন অবস্থায় ডাকা হবে যে, অযুর প্রভাবে তাদের অযুর অঙ্গসমূহ উজ্জ্বল থাকবে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে তাদের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে সক্ষম সে যেন তা বাড়িয়ে নেয়। [সহীহ বুখারী, হা/১৩৬; সহীহ মুসলিম, হা/৬০৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/৯০৮৪; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৭৬; মিশকাত, হা/২৯০।]