১
মন দিয়ে নামায পড়ার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৭
সূরা মিলানো
সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর রাসূলুল্লাহ ﷺ অন্য একটি সূরা বা কুরআনের কিছু আয়াত পাঠ করতেন। যোহর, আসর, মাগরিব ও এশার প্রথম দু’রাক‘আতে সূরা ফাতিহার সাথে অন্য সূরা পাঠ করতেন। আর শেষ রাক‘আতসমূহে সূরা ফাতিহার সাথে কখনো অন্য সূরা মিলাতেন আবার কখনো মিলাতেন না। [সহীহ মুসলিম; হা/১০৪২; আবু দাউদ, হা/৮০৩; নাসাঈ, হা/৪৭৫; সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৮৫৮।]
যেহরী নামাযের প্রথম দু’রাক‘আতে ইমাম সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর যে কোন সূরা পাঠ করবেন। মুক্তাদীরা সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর আর কিছুই না পড়ে ইমামের কিরাআত মনোযোগ দিয়ে শ্রবণ করবে।
আবু কাতাদা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ ﷺ হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ যোহরের প্রথম দু’রাক‘আতে সূরা ফাতিহা ও অন্য দুটি সূরা পড়তেন এবং শেষের দু’রাক‘আতে কেবল সূরা ফাতিহা পাঠ করতেন। অনুরূপভাবে আসরেও করতেন। [সহীহ বুখারী, হা/৭৭৬; মিশকাত হা/৮২৮।]
প্রত্যেক সূরা পাঠ করার পূর্বে ‘‘বিসমিল্লা-হির রাহমা-নির রাহীম’’ বলা সুন্নাত। কেননা এটা এক সূরাকে অপর সূরা থেকে পৃথক করে। [আবু দাউদ, হা/৭৮৮; বায়হাকী, হা/২২০৮; মিশকাত, হা/২২১৮।]
যেহরী নামাযের প্রথম দু’রাক‘আতে ইমাম সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর যে কোন সূরা পাঠ করবেন। মুক্তাদীরা সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর আর কিছুই না পড়ে ইমামের কিরাআত মনোযোগ দিয়ে শ্রবণ করবে।
আবু কাতাদা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ ﷺ হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ যোহরের প্রথম দু’রাক‘আতে সূরা ফাতিহা ও অন্য দুটি সূরা পড়তেন এবং শেষের দু’রাক‘আতে কেবল সূরা ফাতিহা পাঠ করতেন। অনুরূপভাবে আসরেও করতেন। [সহীহ বুখারী, হা/৭৭৬; মিশকাত হা/৮২৮।]
প্রত্যেক সূরা পাঠ করার পূর্বে ‘‘বিসমিল্লা-হির রাহমা-নির রাহীম’’ বলা সুন্নাত। কেননা এটা এক সূরাকে অপর সূরা থেকে পৃথক করে। [আবু দাউদ, হা/৭৮৮; বায়হাকী, হা/২২০৮; মিশকাত, হা/২২১৮।]