১
মন দিয়ে নামায পড়ার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে নামাযের উপকারিতা
বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে স্বাস্থ্যগত দিক দিয়েও নামাযের অফুরন্ত কল্যাণ ও উপকারিতা রয়েছে যা পবিত্রতা, দাঁড়ানো, রুকূ, সিজদা ও বৈঠক থেকে আমরা পেয়ে থাকি। ডাঃ মুহাম্মাদ তারেক মাহমুদ (মাসিক কাবার পথে, জুন ১৯৯৮) উল্লেখ করেন : নামায হলো এক উত্তম শরীর চর্চা। অলসতা ও বিষণ্ণতায় শুধুমাত্র নামাযই এমন এক ব্যায়াম, যদি একে সার্বিক পদ্ধতিতে আদায় করা হয়, তাহলে এর দ্বারা ইহকালীন সকল ব্যথার উপশম সম্ভব। নামাযের ব্যায়াম যেমনিভাবে বাহ্যিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে তেমনি আভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ; যেমন- হৃৎপিন্ড, যকৃত, মূত্রাশয়, ফুসফুস, মস্তিষ্ক, নাড়ীভুঁড়ি, পাকস্থলী, মেরুদন্ড, গর্দান, সীনা ও সর্বপ্রকার Glands (দেহের রসগ্রন্থি) আবর্তিত করে শরীরকে সুঠাম ও সৌন্দর্যমন্ডিত করে।
জনৈক ব্যক্তি (এ.আর.কমর) তার ইউরোপের ভ্রমণ কাহিনীতে লিখেছেন : একদিন আমি নামায আদায় করছিলাম। আমার নামায শেষ হলে এক অমুসলিম বিশেষজ্ঞ আমাকে বলতে লাগল ‘‘ব্যায়ামের এ পদ্ধতি আমার বইয়ে লিখেছি এবং উল্লেখ করেছি যে, যে ব্যক্তি এ পদ্ধতিতে ব্যায়াম করবে, সে কখনো দীর্ঘ মেয়াদী মারাত্মক ও জটিল ব্যাধিতে আক্রান্ত হবে না।’’ তার মন্তব্য শুনে আমি বললাম ‘‘আরে! আমি আপনার পুস্তক এখনো পড়িনি; আমি একজন মুসলিম, আমার ইসলাম এরূপ করার নির্দেশ দিয়েছে। আমি দৈনিক পাঁচবার এরকম করে থাকি।’’ একথা নতেই ইংরেজ ব্যক্তি আমার কাছ থেকে ইসলামী জ্ঞান সম্বন্ধে ধারণা নিতে লাগল।
পাকিস্তানের একজন হৃদপিন্ডের রোগী স্বীয় রোগের চিকিৎসার জন্য অবশেষে যখন অস্ট্রেলিয়া গিয়ে পৌঁছলেন, তখন সেখানকার একজন হৃদপিন্ড বিশেষজ্ঞ তাকে পূর্ণ পরিদর্শনের পর তার জন্য কিছু ঔষধ ও একটি ব্যায়াম নির্ধারণ করে দিয়ে বললেন, আপনি আমার ফিজিও ওয়ার্ডে আটদিন পর্যন্ত উক্ত ব্যায়াম করবেন। তাকে ব্যায়াম করানোর পর দেখা গেল, তা ছিল এক পূর্ণাঙ্গ নামায। রোগী ব্যায়ামটাকে সঠিক পদ্ধতিতে আদায় করতে লাগল। ডাক্তার বললেন, আপনি আমার প্রথম রোগী, যিনি এত দ্রুত আমার এ ব্যায়ামটা শিখে উত্তমভাবে আদায় করতে পেরেছেন। এ কথা শুনে রোগী বলল, ‘‘আমি হচ্ছি একজন মুসলিম, আর এ পদ্ধতি হলো আমাদের পূর্ণাঙ্গ নামায।
[সূত্র : ইসলামী জীবন-বিধান ও আধুনিক বিজ্ঞান]
জনৈক ব্যক্তি (এ.আর.কমর) তার ইউরোপের ভ্রমণ কাহিনীতে লিখেছেন : একদিন আমি নামায আদায় করছিলাম। আমার নামায শেষ হলে এক অমুসলিম বিশেষজ্ঞ আমাকে বলতে লাগল ‘‘ব্যায়ামের এ পদ্ধতি আমার বইয়ে লিখেছি এবং উল্লেখ করেছি যে, যে ব্যক্তি এ পদ্ধতিতে ব্যায়াম করবে, সে কখনো দীর্ঘ মেয়াদী মারাত্মক ও জটিল ব্যাধিতে আক্রান্ত হবে না।’’ তার মন্তব্য শুনে আমি বললাম ‘‘আরে! আমি আপনার পুস্তক এখনো পড়িনি; আমি একজন মুসলিম, আমার ইসলাম এরূপ করার নির্দেশ দিয়েছে। আমি দৈনিক পাঁচবার এরকম করে থাকি।’’ একথা নতেই ইংরেজ ব্যক্তি আমার কাছ থেকে ইসলামী জ্ঞান সম্বন্ধে ধারণা নিতে লাগল।
পাকিস্তানের একজন হৃদপিন্ডের রোগী স্বীয় রোগের চিকিৎসার জন্য অবশেষে যখন অস্ট্রেলিয়া গিয়ে পৌঁছলেন, তখন সেখানকার একজন হৃদপিন্ড বিশেষজ্ঞ তাকে পূর্ণ পরিদর্শনের পর তার জন্য কিছু ঔষধ ও একটি ব্যায়াম নির্ধারণ করে দিয়ে বললেন, আপনি আমার ফিজিও ওয়ার্ডে আটদিন পর্যন্ত উক্ত ব্যায়াম করবেন। তাকে ব্যায়াম করানোর পর দেখা গেল, তা ছিল এক পূর্ণাঙ্গ নামায। রোগী ব্যায়ামটাকে সঠিক পদ্ধতিতে আদায় করতে লাগল। ডাক্তার বললেন, আপনি আমার প্রথম রোগী, যিনি এত দ্রুত আমার এ ব্যায়ামটা শিখে উত্তমভাবে আদায় করতে পেরেছেন। এ কথা শুনে রোগী বলল, ‘‘আমি হচ্ছি একজন মুসলিম, আর এ পদ্ধতি হলো আমাদের পূর্ণাঙ্গ নামায।
[সূত্র : ইসলামী জীবন-বিধান ও আধুনিক বিজ্ঞান]