১
মন দিয়ে নামায পড়ার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৮
সালাতুয যোহা
সালাতুয যোহাকে ইশরাক বা চাশতের নামাযও বলা হয়। اِشْرَاقٌ (ইশরাক) অর্থ চমকিত হওয়া। আর ضُحٰى (যোহা) অর্থ সূর্য গরম হওয়া। এ নামায সূর্যোদয়ের পরপরই প্রথম প্রহরের শুরুতে পড়লে তাকে ইশরাকের নামায বলা হয় এবং কিছু পরে দ্বিপ্রহরের পূর্বে পড়লে তাকে চাশতের নামায বলা হয়।
সালাতুয যোহার গুরুত্ব ও ফযীলত :
এ নামাযের অনেক ফযীলত রয়েছে। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, যে ব্যক্তি জামাআতের সাথে ফজরের নামায আদায় করার পর সূর্যোদয় হওয়া পর্যন্ত যিকিরে লিপ্ত থাকবে এবং সূর্য আলোকিত হলে দু’রাক‘আত নামায আদায় করবে, আল্লাহ তাকে একটি পরিপূর্ণ হজ্জ ও উমরার সওয়াব দান করবেন। [তিরমিযী, হা/৫৮৬; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/৪৬৪; জামেউস সগীর, হা/১১২৯২; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৩৪০৩।]
আবু যর (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, তোমাদের প্রত্যেকের শরীরের প্রতিটি জোড়ার উপর সাদাকা ওয়াজিব। আর প্রত্যেকবার ‘সুবহা-নাল্লা-হ’ বলা একটি সাদাকা, প্রত্যেকবার ‘আল-হামদুলিল্লা-হ’ বলা একটি সাদাকা, প্রত্যেকবার ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ বলা একটি সাদাকা, প্রত্যেকবার ‘আল্লা-হু আকবার’ বলা একটি সাদাকা, উত্তম কাজের নির্দেশ দেয়া একটি সাদাকা এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করাও একটি সাদাকা। আর এই সবকিছুর জন্য চাশতের দু’রাক‘আত নামাযই যথেষ্ঠ হবে। [সহীহ মুসলিম, হা/১৭০৪; আবু দাউদ, হা/১২৮৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/২১৫১৩।]
সালাতুয যোহা কত রাক‘আত :
সালাতুয যোহা ২ থেকে ১২ রাক‘আত পর্যন্ত পড়া যায়। মক্কা বিজয়ের দিন দুপুরের পূর্বে রাসূলুল্লাহ ﷺ আলী (রাঃ) এর বোন উম্মে হানীর গৃহে খুবই সংক্ষিপ্তভাবে ৮ রাক‘আত নামায পড়েছিলেন। [সহীহ বুখারী, হা/১১৭৬; আবু দাউদ, হা/১২৯৩; সহীহ মুসলিম, হা/১৭০৩; মিশকাত, হা/১৩০৯।] এ নামাযে প্রতি দু’রাক‘আত পর পর সালাম ফিরানো উত্তম, তবে কেউ ইচ্ছা করলে প্রতি চার রাক‘আত পরও সালাম ফিরাতে পারে।
সালাতুয যোহার গুরুত্ব ও ফযীলত :
এ নামাযের অনেক ফযীলত রয়েছে। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, যে ব্যক্তি জামাআতের সাথে ফজরের নামায আদায় করার পর সূর্যোদয় হওয়া পর্যন্ত যিকিরে লিপ্ত থাকবে এবং সূর্য আলোকিত হলে দু’রাক‘আত নামায আদায় করবে, আল্লাহ তাকে একটি পরিপূর্ণ হজ্জ ও উমরার সওয়াব দান করবেন। [তিরমিযী, হা/৫৮৬; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/৪৬৪; জামেউস সগীর, হা/১১২৯২; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৩৪০৩।]
আবু যর (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, তোমাদের প্রত্যেকের শরীরের প্রতিটি জোড়ার উপর সাদাকা ওয়াজিব। আর প্রত্যেকবার ‘সুবহা-নাল্লা-হ’ বলা একটি সাদাকা, প্রত্যেকবার ‘আল-হামদুলিল্লা-হ’ বলা একটি সাদাকা, প্রত্যেকবার ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ বলা একটি সাদাকা, প্রত্যেকবার ‘আল্লা-হু আকবার’ বলা একটি সাদাকা, উত্তম কাজের নির্দেশ দেয়া একটি সাদাকা এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করাও একটি সাদাকা। আর এই সবকিছুর জন্য চাশতের দু’রাক‘আত নামাযই যথেষ্ঠ হবে। [সহীহ মুসলিম, হা/১৭০৪; আবু দাউদ, হা/১২৮৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/২১৫১৩।]
সালাতুয যোহা কত রাক‘আত :
সালাতুয যোহা ২ থেকে ১২ রাক‘আত পর্যন্ত পড়া যায়। মক্কা বিজয়ের দিন দুপুরের পূর্বে রাসূলুল্লাহ ﷺ আলী (রাঃ) এর বোন উম্মে হানীর গৃহে খুবই সংক্ষিপ্তভাবে ৮ রাক‘আত নামায পড়েছিলেন। [সহীহ বুখারী, হা/১১৭৬; আবু দাউদ, হা/১২৯৩; সহীহ মুসলিম, হা/১৭০৩; মিশকাত, হা/১৩০৯।] এ নামাযে প্রতি দু’রাক‘আত পর পর সালাম ফিরানো উত্তম, তবে কেউ ইচ্ছা করলে প্রতি চার রাক‘আত পরও সালাম ফিরাতে পারে।