১
মন দিয়ে নামায পড়ার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
গোসল কখন ফরয হয়
নিম্নোক্ত কারণে গোসল ফরয হয় :
১. বীর্যপাত হলে :
নারী-পুরুষ যেই হোক না কেন ঘুমের অবস্থায় হোক অথবা জাগ্রত অবস্থায় হোক যে কোন অবস্থায় বীর্যপাত হলে তাকে গোসল করতে হবে। হাদীসে এসেছে,
আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) নবী ﷺ হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নিশ্চয় পানির পরিবর্তে পানি। অর্থাৎ বীর্যপাত হলে গোসল করতে হয়। [সহীহ মুসলিম, হা/৮০২; আবু দাউদ, হা/২১৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/১১২৬১।]
উম্মে সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত। একদা উম্মে সুলাইম এসে রাসূলুল্লাহ ﷺ কে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয় আল্লাহ সত্য বলতে লজ্জাবোধ করেন না। (আমার প্রশ্ন হচ্ছে) মহিলাদের স্বপ্নদোষ হলেও কি তাদেরকে গোসল করতে হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ- যখন সে পানি দেখতে পাবে। [সহীহ বুখারী, হা/৬০৯১; সহীহ মুসলিম, হা/৭৩৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৬৬২১; মিশকাত, হা/৪৩৩।]
২. স্ত্রীর যৌনাঙ্গে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করলে :
স্ত্রীর যৌনাঙ্গে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করলেই গোসল ফরয হয়ে যাবে। চাই বীর্যপাত হোক অথবা না হোক। আবু হুরায়রা (রাঃ) নবী ﷺ হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, যখন কেউ তার স্ত্রীর উপর বসে অতঃপর দুই লজ্জাস্থান মিলিত হয় তখন গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়। [সহীহ মুসলিম, হা/৮১২; মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/১০২।]
৩. মেয়েদের হায়েয ও নিফাস শেষ হলে :
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَيَسْاَلُوْنَكَ عَنِ الْمَحِيْضِؕ قُلْ هُوَ اَذًى فَاعْتَزِلُوا النِّسَآءَ فِى الْمَحِيْضِ وَلَا تَقْرَبُوْهُنَّ حَتّٰى يَطْهُرْنَۚ فَاِذَا تَطَهَّرْنَ فَأْتُوْهُنَّ مِنْ حَيْثُ اَمَرَكُمُ اللهُؕ اِنَّ اللهَ يُحِبُّ التَّوَّابِيْنَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِيْنَ﴾
(হে নবী!) তারা তোমাকে হায়েয সম্পর্কে প্রশ্ন করে। বলো, তা খুবই কষ্টদায়ক। সুতরাং তোমরা হায়েযের সময় সহবাস করা থেকে দূরে থাকো। তারা পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তোমরা তাদের সাথে মেলামেশা করো না। আর যখন তারা পবিত্র হয়ে যায়, তখন তোমরা আল্লাহর নির্দেশিত পন্থায় তাদের সাথে মেলামেশা করো। নিশ্চয় আল্লাহ তওবাকারীদেরকে ভালোবাসেন এবং পবিত্রতা অবলম্বন কারীদেরকেও ভালোবাসেন। (সূরা বাকারা- ২২২)
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন এক মহিলা রাসূলুল্লাহ ﷺ কে হায়েয থেকে পবিত্রতার গোসল প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলে তিনি হায়েয থেকে কীভাবে পবিত্রতার গোসল করতে হবে সে সম্পর্কে বর্ণনা করেন। তিনি বললেন, প্রথমে সুগন্ধি (মিশক) মিশ্রিত তুলা অথবা পশমী কাপড়ের একটি টুকরা লও। তারপর তা দ্বারা পবিত্রতা লাভ করো। [সহীহ বুখারী, হা/৩১৪; নাসাঈ, হা/২৫১; মিশকাত, হা/৪৩৭।]
১. বীর্যপাত হলে :
নারী-পুরুষ যেই হোক না কেন ঘুমের অবস্থায় হোক অথবা জাগ্রত অবস্থায় হোক যে কোন অবস্থায় বীর্যপাত হলে তাকে গোসল করতে হবে। হাদীসে এসেছে,
আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) নবী ﷺ হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নিশ্চয় পানির পরিবর্তে পানি। অর্থাৎ বীর্যপাত হলে গোসল করতে হয়। [সহীহ মুসলিম, হা/৮০২; আবু দাউদ, হা/২১৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/১১২৬১।]
উম্মে সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত। একদা উম্মে সুলাইম এসে রাসূলুল্লাহ ﷺ কে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয় আল্লাহ সত্য বলতে লজ্জাবোধ করেন না। (আমার প্রশ্ন হচ্ছে) মহিলাদের স্বপ্নদোষ হলেও কি তাদেরকে গোসল করতে হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ- যখন সে পানি দেখতে পাবে। [সহীহ বুখারী, হা/৬০৯১; সহীহ মুসলিম, হা/৭৩৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৬৬২১; মিশকাত, হা/৪৩৩।]
২. স্ত্রীর যৌনাঙ্গে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করলে :
স্ত্রীর যৌনাঙ্গে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করলেই গোসল ফরয হয়ে যাবে। চাই বীর্যপাত হোক অথবা না হোক। আবু হুরায়রা (রাঃ) নবী ﷺ হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, যখন কেউ তার স্ত্রীর উপর বসে অতঃপর দুই লজ্জাস্থান মিলিত হয় তখন গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়। [সহীহ মুসলিম, হা/৮১২; মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/১০২।]
৩. মেয়েদের হায়েয ও নিফাস শেষ হলে :
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَيَسْاَلُوْنَكَ عَنِ الْمَحِيْضِؕ قُلْ هُوَ اَذًى فَاعْتَزِلُوا النِّسَآءَ فِى الْمَحِيْضِ وَلَا تَقْرَبُوْهُنَّ حَتّٰى يَطْهُرْنَۚ فَاِذَا تَطَهَّرْنَ فَأْتُوْهُنَّ مِنْ حَيْثُ اَمَرَكُمُ اللهُؕ اِنَّ اللهَ يُحِبُّ التَّوَّابِيْنَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِيْنَ﴾
(হে নবী!) তারা তোমাকে হায়েয সম্পর্কে প্রশ্ন করে। বলো, তা খুবই কষ্টদায়ক। সুতরাং তোমরা হায়েযের সময় সহবাস করা থেকে দূরে থাকো। তারা পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তোমরা তাদের সাথে মেলামেশা করো না। আর যখন তারা পবিত্র হয়ে যায়, তখন তোমরা আল্লাহর নির্দেশিত পন্থায় তাদের সাথে মেলামেশা করো। নিশ্চয় আল্লাহ তওবাকারীদেরকে ভালোবাসেন এবং পবিত্রতা অবলম্বন কারীদেরকেও ভালোবাসেন। (সূরা বাকারা- ২২২)
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন এক মহিলা রাসূলুল্লাহ ﷺ কে হায়েয থেকে পবিত্রতার গোসল প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলে তিনি হায়েয থেকে কীভাবে পবিত্রতার গোসল করতে হবে সে সম্পর্কে বর্ণনা করেন। তিনি বললেন, প্রথমে সুগন্ধি (মিশক) মিশ্রিত তুলা অথবা পশমী কাপড়ের একটি টুকরা লও। তারপর তা দ্বারা পবিত্রতা লাভ করো। [সহীহ বুখারী, হা/৩১৪; নাসাঈ, হা/২৫১; মিশকাত, হা/৪৩৭।]