hadith book logo

মন দিয়ে নামায পড়ার উপায়

লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩৪

সূরা ফাতিহা পাঠ করা

সকল নামাযের প্রত্যেক রাক‘আতে সূরা ফাতিহা পাঠ করা আবশ্যক। কোন নামাযে সূরা ফাতিহা পাঠ করা না হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। যেসকল নামাযে উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত পড়তে হয় যেমন মাগরিব, এশা ও ফজর- সেসকল নামাযে ইমাম সূরা ফাতিহা উচ্চৈঃস্বরে পাঠ করবেন। আর মুক্তাদীগণ তা নীরবে পাঠ করবে। বাকি সকল অবস্থাতেই ইমাম ও মুক্তাদী উভয়ই নিচু স্বরে সূরা ফাতিহা পাঠ করবেন। হাদীসে বর্ণিত হয়েছে,

উবাদা ইবনে সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পড়ে না, তার কোন নামাযই হয় না। [সহীহ বুখারী, হা/৭৫৬; সহীহ মুসলিম, হা/৯০০; আবু দাউদ, হা/৮২২; তিরমিযী, হা/২৪৭; নাসাঈ, হা/৯১০; ইবনে মাজাহ, হা/৮৩৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/২২৭২৯; সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৭৮৬; দার কুতনী, হা/১২২৫; বায়হাকী, হা/২১৯৩; মিশকাত, হা/৮২২।]

عَنْ أَبِىْ سَعِيْدٍ قَالَ أُمِرْنَا أَنْ نَقْرَأَ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَمَا تَيَسَّرَ

আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আদিষ্ট হয়েছিলাম- যেন আমরা সূরা ফাতিহা পাঠ করি এবং (কুরআন থেকে) যা সহজ মনে হয় (তা পাঠ করি)। [আবু দাউদ, হা/৮১৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/১১০১১; সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৭৯০।]