১
আল্লাহর বাণী আল-কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ মোহাম্মদ ওসমান গনি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
বর্তমান আবিষ্কার ও সালফেসালেহীন :
প্রশ্ন হতে পারে যে, বর্তমান মুসলিম আলেমগণ বলছেন, আমরা কুরআন ও হাদীসের সাথে সংশিষ্ট ও বিজ্ঞানের সাথে সম্পৃক্ততা নিত্য নুতনভাবে আবিষ্কার করেছি। অভিনব তথ্য আবিষ্কার করেছি, নতুন জ্ঞান অর্জন করেছি, নতুন জিনিস জানতে পেরেছি, যা আমাদের পূর্বপুরুষ জানত না, এই কথাগুলো কি সালফে সালেহীনগণের পরোক্ষ অপবাদ নয়?
না! তাদের প্রতি এগুলো মোটেই অপবাদ নয় কারণ ইলম বা জ্ঞান মানুষ অর্জন করে দুই পদ্ধতিতে (এক) শ্রবণের মাধ্যমে (দুই) প্রত্যক্ষ দর্শনের মাধ্যমে। যেমন ঢাকা শহরের বর্ণনা যদি কেই অন্য কোন দেশে অথবা কোন গ্রামে বসে শ্রবণ করে যে, ঢাকা শহরে বহু তলা বিল্ডিং রয়েছে, রাস্তার দুই পাশ দিয়ে সুন্দর সুন্দর গাছ রয়েছে রাস্তা গুলো প্রশস্ত। এ পাশ দিয়ে গাড়ি, বাস, ট্রাক এক দিকেই যায় আর অন্য পাশ দিয়ে আশে। সেখানে আরও রয়েছে চিড়িয়াখানা, বিমানবন্দর, সেগুলো এমন এমন ইত্যাদি। কিন্তু যদি সে ঢাকা শহরের আগমন করে তবে প্রকৃত পক্ষে বাস্তবে দর্শনে এমন অভিজ্ঞতা অর্জন করবে যা সে শ্রবণের মাধ্যমে কল্পনা করতে পারেনি। প্রত্যেক দর্শনের মাধ্যমে যা অর্জিত হয়েছে, সেই হচ্ছে অতিরিক্ত অভিজ্ঞতা যা বর্তমান বিজ্ঞানীগণ বর্ণনা করেছেন। তাই আমরা দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি যে বর্তমান আবিষ্কৃত জ্ঞান বিজ্ঞান ১৪০০ বছর পূর্বে মহান স্রষ্টার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ মহা সত্য এই বাণীর ব্যাখ্যা মাত্র।
আল্লাহ তাআলা বলেন,
بل كذبوا بما لم يحيطوا بعلمه ولما يأتهم تأويله ( سورة يونس ৩৯)
বরং যা তারা বুঝতে অক্ষম তা তারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে আরম্ভ করেছে অথচ এখনও তাদের কাছে এর বিশেষণ আসেনি। (সূরা ইউনুস ১০ঃ৩৯)
সৃষ্টি জগতের বাস্তব দর্শনের অভিজ্ঞতা তাঁদের ঠিক ছিল না। কিন্তু শ্রবণের মাধ্যমে তাদের বিশ্বাস ছিল প্রগাঢ়। যার বাস্তব প্রমাণ হিসেবে আমরা এখানে মিরাজের ঘটনা উলেখ করতে পারি। যখন রাসূল সা. মিরাজের ঘটনা সকাল বেলা বর্ণনা করলেন, তৎক্ষণাৎ মুশরিকরা সুযোগ পেয়ে আবু বকর রা. এর কাছে এসে বলল, শুনেছ তোমার মোহাম্মদ কি বলছে? তুমি তো চোখ বুঝে মোহাম্মদেরই কথাবার্তা মেনে নাও, সত্য মিথ্যা যাচাই কর না। আবুবকর রা. বললেন, তিনি কি বলেছেন? তারা বলল, আজ সে বলে যে, গতরাতে সে না কি এক মাসের পথ ভ্রমণ করে ফিরে এসেছে। আবু বকর রা. বললেন, ‘যদি তিনি একথা বলে থাকেন, তবে তিনি সত্য বলেছেন।’ এমনি সুদৃঢ় ছিল তাঁদের ঈমান ও বিশ্বাস।
না! তাদের প্রতি এগুলো মোটেই অপবাদ নয় কারণ ইলম বা জ্ঞান মানুষ অর্জন করে দুই পদ্ধতিতে (এক) শ্রবণের মাধ্যমে (দুই) প্রত্যক্ষ দর্শনের মাধ্যমে। যেমন ঢাকা শহরের বর্ণনা যদি কেই অন্য কোন দেশে অথবা কোন গ্রামে বসে শ্রবণ করে যে, ঢাকা শহরে বহু তলা বিল্ডিং রয়েছে, রাস্তার দুই পাশ দিয়ে সুন্দর সুন্দর গাছ রয়েছে রাস্তা গুলো প্রশস্ত। এ পাশ দিয়ে গাড়ি, বাস, ট্রাক এক দিকেই যায় আর অন্য পাশ দিয়ে আশে। সেখানে আরও রয়েছে চিড়িয়াখানা, বিমানবন্দর, সেগুলো এমন এমন ইত্যাদি। কিন্তু যদি সে ঢাকা শহরের আগমন করে তবে প্রকৃত পক্ষে বাস্তবে দর্শনে এমন অভিজ্ঞতা অর্জন করবে যা সে শ্রবণের মাধ্যমে কল্পনা করতে পারেনি। প্রত্যেক দর্শনের মাধ্যমে যা অর্জিত হয়েছে, সেই হচ্ছে অতিরিক্ত অভিজ্ঞতা যা বর্তমান বিজ্ঞানীগণ বর্ণনা করেছেন। তাই আমরা দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি যে বর্তমান আবিষ্কৃত জ্ঞান বিজ্ঞান ১৪০০ বছর পূর্বে মহান স্রষ্টার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ মহা সত্য এই বাণীর ব্যাখ্যা মাত্র।
আল্লাহ তাআলা বলেন,
بل كذبوا بما لم يحيطوا بعلمه ولما يأتهم تأويله ( سورة يونس ৩৯)
বরং যা তারা বুঝতে অক্ষম তা তারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে আরম্ভ করেছে অথচ এখনও তাদের কাছে এর বিশেষণ আসেনি। (সূরা ইউনুস ১০ঃ৩৯)
সৃষ্টি জগতের বাস্তব দর্শনের অভিজ্ঞতা তাঁদের ঠিক ছিল না। কিন্তু শ্রবণের মাধ্যমে তাদের বিশ্বাস ছিল প্রগাঢ়। যার বাস্তব প্রমাণ হিসেবে আমরা এখানে মিরাজের ঘটনা উলেখ করতে পারি। যখন রাসূল সা. মিরাজের ঘটনা সকাল বেলা বর্ণনা করলেন, তৎক্ষণাৎ মুশরিকরা সুযোগ পেয়ে আবু বকর রা. এর কাছে এসে বলল, শুনেছ তোমার মোহাম্মদ কি বলছে? তুমি তো চোখ বুঝে মোহাম্মদেরই কথাবার্তা মেনে নাও, সত্য মিথ্যা যাচাই কর না। আবুবকর রা. বললেন, তিনি কি বলেছেন? তারা বলল, আজ সে বলে যে, গতরাতে সে না কি এক মাসের পথ ভ্রমণ করে ফিরে এসেছে। আবু বকর রা. বললেন, ‘যদি তিনি একথা বলে থাকেন, তবে তিনি সত্য বলেছেন।’ এমনি সুদৃঢ় ছিল তাঁদের ঈমান ও বিশ্বাস।