১
আল্লাহর বাণী আল-কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ মোহাম্মদ ওসমান গনি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৭
চন্দ্রের আলো ও আল-কুরআন :
আধুনিক বিজ্ঞানের যুগে আবিস্কৃত অত্যাধুনিক যন্ত্র পাতির মাধ্যমে যে দিকেই তাকাইনা কেন সর্বত্র সঠিক নিয়ম শৃংখলা আমাদেরকে মুগ্ধ করে। পৃথিবীতে বসে রাতের বেলা যদি আমরা চন্দ্রের দিকে নজর দেই তখন দেখতে পাই যে চন্দ্রের মৃদু আলোয় আলোকিত হচ্ছে এই পৃথিবী। বিজ্ঞান আমাদেরকে জানিয়ে দিচ্ছে যে চাঁদ এক সময় জ্বলতেছিল। তারপর চন্দ্রের নিজের কোন আলো নেই, অন্যের আলোতে আলোকিত।
আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
تَبَارَكَ الَّذِي جَعَلَ فِي السَّمَاءِ بُرُوجًا وَجَعَلَ فِيهَا سِرَاجًا وَقَمَرًا مُنِيرًا ( سورة الفرقان . ৬১)
‘‘মহান সেই আল্লাহ যিনি মহা শূন্যে সৌরজগতসমূহ সৃষ্টি করেছেন এবং সেখানে একটি আলোক এবং একটি আলোক প্রাপ্ত চাঁদকে সৃষ্টি করেছেন।’’ (সূরা ফুরকান ৬১)
অন্যত্র বলেছেনঃ
فَمَحَوْنَا آَيَةَ اللَّيْلِ وَجَعَلْنَا آَيَةَ النَّهَارِ مُبْصِرَةً
‘‘অতঃপর নিস্প্রভ করে দিয়েছি রাতের নিদর্শনকে এবং দিনের নিদর্শনকে দেখার উপযোগী করেছি।’’ (সূরা ইসরা ১২)
পৃথিবীর ইতিহাসে বিস্ময়করভাবে আবিস্কৃত সেই গ্রন্থটি আজ ১৪০০ বছর পরেও প্রাপ্ত বৈজ্ঞানিক আবিস্কার ও তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আশ্চর্যজনক নির্ভুলতা ও সঠিকত্বে অতুলনীয়।
আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
تَبَارَكَ الَّذِي جَعَلَ فِي السَّمَاءِ بُرُوجًا وَجَعَلَ فِيهَا سِرَاجًا وَقَمَرًا مُنِيرًا ( سورة الفرقان . ৬১)
‘‘মহান সেই আল্লাহ যিনি মহা শূন্যে সৌরজগতসমূহ সৃষ্টি করেছেন এবং সেখানে একটি আলোক এবং একটি আলোক প্রাপ্ত চাঁদকে সৃষ্টি করেছেন।’’ (সূরা ফুরকান ৬১)
অন্যত্র বলেছেনঃ
فَمَحَوْنَا آَيَةَ اللَّيْلِ وَجَعَلْنَا آَيَةَ النَّهَارِ مُبْصِرَةً
‘‘অতঃপর নিস্প্রভ করে দিয়েছি রাতের নিদর্শনকে এবং দিনের নিদর্শনকে দেখার উপযোগী করেছি।’’ (সূরা ইসরা ১২)
পৃথিবীর ইতিহাসে বিস্ময়করভাবে আবিস্কৃত সেই গ্রন্থটি আজ ১৪০০ বছর পরেও প্রাপ্ত বৈজ্ঞানিক আবিস্কার ও তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আশ্চর্যজনক নির্ভুলতা ও সঠিকত্বে অতুলনীয়।