১
আল্লাহর বাণী আল-কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ মোহাম্মদ ওসমান গনি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
কুরআন কি?
কুরআন আল্লাহর বাণী, জিবরাইল আলাইহি সাল্লামের মাধ্যমে ওহি আকারে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর অবতীর্ণ গ্রন্থ। এ কুরআন আল্লাহর কালাম, মানব জাতির কথার সাথে এর কোন সাদৃশ্য নেই। যে ব্যক্তি এই কুরআন গভীর ভাবে শ্রবণ করবে এবং চিন্তা ভাবনা করবে, সে জানতে পারবে যে, কোন মানুষ কখনই এই কুরআনের অনুরূপ রচনা করে নিয়ে আসতে পারবে না।
আরবরা হচ্ছে সঠিক শব্দ নিরূপণ ও বর্ণনা নৈপুণ্যের অধিকারী, আর তাই আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে এই কুরআনের মত অনুরূপ অথবা দশটি সূরা অথবা এর মত একটি সূরা নিয়ে আসার ব্যাপারে চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করেন। আর এই চ্যালেঞ্জ এ জন্যই করা হয়েছে যে, আল্লাহর কালামের মত কখনই মখলুক রচনা করে নিয়ে আসতে পারবে না। সুস্পষ্ট আরবী ভাষায় অবতীর্ণ হয়েছে এ কুরআন। এ কুরআনের রয়েছে প্রচুর প্রভাব, যা মানুষের অন্তরে প্রতিফলিত হয়। এমনকি যারা আরবী ভাষা জানে না, কিন্তু যখন কুরআন শ্রবণ করে তখন তাদের অন্তর ভয় ও বিনয়ে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। কিছু অনারব ও অমুসলিমদেরকে কুরআন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তারা বলে, আমরা যখন কুরআন শ্রবণ করি তখন আমাদের অন্তর ভীত হয়। কেউ কেউ বর্ণনা করে, যখন আমি কুরআন শ্রবণ করি তখন ভয়ে আমার শরীরের পশম শিউরে উঠে।
কুরআন মু‘জেযা হওয়ার আরও প্রমাণ এই যে, আল্লাহ তা‘আলা এটি সংরক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছেন। এই সেই কুরআন যা বর্তমানে মুসলিমদের নিকট রয়েছে। এই কুরআন মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর অবতীর্ণ হয়েছে। এর একটি অক্ষরের মধ্যেও পরিবর্তন সাধিত হয়নি। অতএব কুরআন এখানে যেমন, পূর্ব পশ্চিম দিগন্তেও তেমন এবং সব খানে একভাবেই পাঠ করা হয়। চৌদ্দ শত বছর পূর্ব থেকে এখন পর্যন্ত, এমন কি কিয়ামত পর্যন্ত হুবহু ও বিশুদ্ধভাবে সংরক্ষিত থাকবে। তার কোন পরিবর্তন পরিবর্ধন ও রদবদল হয়নি। আর অতীতের কিতাবসমূহে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও রদবদল হয়েছে। এমনকি বর্ণনার বিভিন্ন বিকৃত রূপ ধারণ করেছে। অথচ যদি কেউ এই কুরআন পাঠ করতে ভুল করে তাহলে সাথে সাথে অন্য মুসলিমগণ তা শুধরিয়ে দেয় এবং তার পাঠ সংশোধন করে দেয়। এমন কি যদি তা নামাজরত অবস্থায়ও হয়ে থাকে।
আরবরা হচ্ছে সঠিক শব্দ নিরূপণ ও বর্ণনা নৈপুণ্যের অধিকারী, আর তাই আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে এই কুরআনের মত অনুরূপ অথবা দশটি সূরা অথবা এর মত একটি সূরা নিয়ে আসার ব্যাপারে চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করেন। আর এই চ্যালেঞ্জ এ জন্যই করা হয়েছে যে, আল্লাহর কালামের মত কখনই মখলুক রচনা করে নিয়ে আসতে পারবে না। সুস্পষ্ট আরবী ভাষায় অবতীর্ণ হয়েছে এ কুরআন। এ কুরআনের রয়েছে প্রচুর প্রভাব, যা মানুষের অন্তরে প্রতিফলিত হয়। এমনকি যারা আরবী ভাষা জানে না, কিন্তু যখন কুরআন শ্রবণ করে তখন তাদের অন্তর ভয় ও বিনয়ে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। কিছু অনারব ও অমুসলিমদেরকে কুরআন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তারা বলে, আমরা যখন কুরআন শ্রবণ করি তখন আমাদের অন্তর ভীত হয়। কেউ কেউ বর্ণনা করে, যখন আমি কুরআন শ্রবণ করি তখন ভয়ে আমার শরীরের পশম শিউরে উঠে।
কুরআন মু‘জেযা হওয়ার আরও প্রমাণ এই যে, আল্লাহ তা‘আলা এটি সংরক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছেন। এই সেই কুরআন যা বর্তমানে মুসলিমদের নিকট রয়েছে। এই কুরআন মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর অবতীর্ণ হয়েছে। এর একটি অক্ষরের মধ্যেও পরিবর্তন সাধিত হয়নি। অতএব কুরআন এখানে যেমন, পূর্ব পশ্চিম দিগন্তেও তেমন এবং সব খানে একভাবেই পাঠ করা হয়। চৌদ্দ শত বছর পূর্ব থেকে এখন পর্যন্ত, এমন কি কিয়ামত পর্যন্ত হুবহু ও বিশুদ্ধভাবে সংরক্ষিত থাকবে। তার কোন পরিবর্তন পরিবর্ধন ও রদবদল হয়নি। আর অতীতের কিতাবসমূহে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও রদবদল হয়েছে। এমনকি বর্ণনার বিভিন্ন বিকৃত রূপ ধারণ করেছে। অথচ যদি কেউ এই কুরআন পাঠ করতে ভুল করে তাহলে সাথে সাথে অন্য মুসলিমগণ তা শুধরিয়ে দেয় এবং তার পাঠ সংশোধন করে দেয়। এমন কি যদি তা নামাজরত অবস্থায়ও হয়ে থাকে।