১
আল্লাহর বাণী আল-কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ মোহাম্মদ ওসমান গনি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩০
উর্ধ্বগমন ও আল কুরআন :
বর্তমানে আমরা অত্যাধুনিক বিজ্ঞানের যুগে বসবাস করছি, যে যুগে বিস্ময়কর ও অত্যাশ্চার্য বস্ত্তর আবিস্কার হচ্ছে যা যুগ যুগ ধরে মানুষ স্বপ্ন বলে কল্পনা করতো। অসম্ভব বলে ধারণা করতো। এমন কি যদি একশত বছর পূর্বে এমন কথা কেউ বলতো তবে তাকে পাগল বলা হতো অথচ বর্তমানে সেগুলো বাস্তবে পরিণত হচ্ছে, স্বচক্ষে অবলোকন করছে। মানুষ আজ উপগ্রহ স্থাপন করছে, আকাশে উড়ছে, চাঁদে পৌছেছে, পৃথিবীর চতুর্পার্শ্বে ঘুরছে। আধুনিক বিজ্ঞান বর্ণনা করছে যে অক্সিজেন পূর্ণ বাতাস এই পৃথিবীকে বেষ্টন করে রেখেছে। আর জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সবসময় মানুষের এই অক্সিজেনের প্রয়োজন। বিজ্ঞান আরও বর্ণনা করছে, পৃথিবী থেকে উপরের দিকে অক্সিজেনের পরিমাণ কম। এমন কি পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে ৬৭ মাইল উপরে আর কোন অক্সিজেন থাকে না। তাই মানুষ যত উপরে উঠতে থাকে অক্সিজেন অভাবে তার শ্বাস প্রশ্বাসের কষ্ট হতে থাকে। অথচ বিজ্ঞানের আবিষ্কারের বহু পূর্বে আলকুরআন এসব বর্ণনা করেছে:
فَمَنْ يُرِدِ اللَّهُ أَنْ يَهدِيَهُ يَشْرَحْ صَدْرَهُ لِلْإِسْلَامِ وَمَنْ يُرِدْ أَنْ يُضِلَّهُ يَجْعَلْ صَدْرَهُ ضَيِّقًا حَرَجًا كَأَنَّمَا يَصَّعَّدُ فِي السَّمَاءِ ( سورة الأنعام .১২৫)
‘‘আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করতে চান তার বক্ষকে ইসলামের জন্য উন্মুক্ত করে দেন এবং যাকে বিপদগামী করতে চান তার বক্ষকে সংকীর্ণ করে দেন যেন সে আকাশে আরোহণ করেছে।’’ (সূরা আনআম ৬ঃ ১২৫)
সেই যুগের মানুষ আকাশে আরোহণের উপমাকে কাল্পনিক ধারণা করেছিল। কাল্পনিক ধারণা করাই স্বাভাবিক কারণ সেই যুগে রকেট, বিমান, হেলিকপ্টার কিছুই আবিস্কার হয়নি অথচ আয়াতটি এই ইঙ্গিত বহন করে যে, মানুষ তাদের জীবনে আকাশে আরোহণ করতে সক্ষম হবে। আর এই উপমা কাল্পনিক নয় বরং বাস্তবিক বর্তমানে মানুষ উর্ধে গমনের মাধ্যমে জানতে সক্ষম হচ্ছেই যে, যত উপরে উঠা যায় তাতে অক্সিজেন ততই কমতে থাকে। বাতাসে অক্সিজেন কম থাকলে শ্বাস প্রশ্বাসে কষ্ট হয়, হৃদয় সংকীর্ণ হতে থাকে। মানুষের আকাশে উড়ার ১৩০০ শত বছর পূর্বে কুরআনের এমন তথ্য এটাই প্রমাণ করে যে, এই কুরআন কোন মানুষের রচনা নয় বরং সেই মহান সৃষ্টিকর্তার প্রেরিত গ্রন্থ।
فَمَنْ يُرِدِ اللَّهُ أَنْ يَهدِيَهُ يَشْرَحْ صَدْرَهُ لِلْإِسْلَامِ وَمَنْ يُرِدْ أَنْ يُضِلَّهُ يَجْعَلْ صَدْرَهُ ضَيِّقًا حَرَجًا كَأَنَّمَا يَصَّعَّدُ فِي السَّمَاءِ ( سورة الأنعام .১২৫)
‘‘আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করতে চান তার বক্ষকে ইসলামের জন্য উন্মুক্ত করে দেন এবং যাকে বিপদগামী করতে চান তার বক্ষকে সংকীর্ণ করে দেন যেন সে আকাশে আরোহণ করেছে।’’ (সূরা আনআম ৬ঃ ১২৫)
সেই যুগের মানুষ আকাশে আরোহণের উপমাকে কাল্পনিক ধারণা করেছিল। কাল্পনিক ধারণা করাই স্বাভাবিক কারণ সেই যুগে রকেট, বিমান, হেলিকপ্টার কিছুই আবিস্কার হয়নি অথচ আয়াতটি এই ইঙ্গিত বহন করে যে, মানুষ তাদের জীবনে আকাশে আরোহণ করতে সক্ষম হবে। আর এই উপমা কাল্পনিক নয় বরং বাস্তবিক বর্তমানে মানুষ উর্ধে গমনের মাধ্যমে জানতে সক্ষম হচ্ছেই যে, যত উপরে উঠা যায় তাতে অক্সিজেন ততই কমতে থাকে। বাতাসে অক্সিজেন কম থাকলে শ্বাস প্রশ্বাসে কষ্ট হয়, হৃদয় সংকীর্ণ হতে থাকে। মানুষের আকাশে উড়ার ১৩০০ শত বছর পূর্বে কুরআনের এমন তথ্য এটাই প্রমাণ করে যে, এই কুরআন কোন মানুষের রচনা নয় বরং সেই মহান সৃষ্টিকর্তার প্রেরিত গ্রন্থ।