১
আল্লাহর বাণী আল-কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ মোহাম্মদ ওসমান গনি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৫
ঈমান বাড়ে কমে :
আমাদের মধ্যে অনেকের ধারণা, ঈমান একই অবস্থায় থাকে। কিন্তু এ ধারণা সঠিক নয়। বরং ঈমান বাড়ে কমে। নেক আমল দ্বারা ঈমান শক্তিশালী হয় এবং বাড়ে। এবং আল্লাহর নাফরমানির দ্বারা ঈমান দুর্বল হয় ও কমতে থাকে।
আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
وإذا تليت عليهم آياته زادتهم إيمانا .( سورة الأنفال ২ )
যখন তাদের সামনে তাঁর আয়াত সমূহ পাঠ করা হয়, তখন তাদের ঈমান আরও বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়। (সূরা আন্ফাল ২)
রাসূলুল্লাহ্ (আঃ) বলেনঃ
ওও لا يزني الزاني حين يزني وهو مؤمن ،،
জেনাকারী যখন সে জেনা করে তখন সে মোমিন অবস্থায় জেনা করে না।
অতএব আমরা যদি আমাদের ঈমানের মাধ্যমে সফলতা অর্জন করতে চাই তবে আমাদের অবশ্য কর্তব্য হবে,
জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে আমাদের হৃদয়ের বিশ্বাসকে দৃঢ় করা। বেশী বেশী হৃদয়ের আমল করা যেমন আল্লাহর সৃষ্টি জগতের নিদর্শন সমূহ নিয়ে চিন্তা ভাবনা ও গবেষণা করা। বেশী বেশী জিহবার মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ করা, হক কথা বলা, মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকা, সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করা, ইলম শিক্ষা করা এবং অপরকে শিক্ষা দেয়া ইত্যাদি। অঙ্গপ্রত্যঙ্গের আমল গুলো যথাযথ ভাবে আদায় করা।
আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
واصبر نفسك مع الذين يدعون ربهم بالغداة والعشي يريدون وجهه ولا تعد عيناك عنهم تريد زينة الحيوة الدنيا ولا تطع من أغفلنا قلبه عن ذكرنا واتبع هواه و كان أمره فرطا وقل الحق من ربكم فمن شاء فليؤمن ومن شاء فليكفر . ( سورة الكهف ২৮-২৯ )
নিজেকে তুমি রাখবে তাদেরই সংসর্গে যারা সকাল ও সন্ধ্যায় তাদের রবকে তার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে আহবান করে এবং তুমি পার্থিব জীবনের শোভা কামনা করে তাদের দিক হতে তোমার দৃষ্টি ফিরিয়ে নিও না। যার চিত্তকে আমি আমার স্মরণে অমনোযোগী করে দিয়েছি সে তার খেয়াল খুশির অনুসরণ করে এবং যার কার্যকলাপ সীমা অতিক্রম করে তুমি তার আনুগত্য করো না। বল, সত্য তোমাদের রবের নিকট হতে প্রেরিত সুতরাং যার ইচ্ছা বিশ্বাস করুক এবং যার ইচ্ছা প্রত্যাখ্যান করুক। (সূরা কাহাফ ২৮, ২৯)
আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
وإذا تليت عليهم آياته زادتهم إيمانا .( سورة الأنفال ২ )
যখন তাদের সামনে তাঁর আয়াত সমূহ পাঠ করা হয়, তখন তাদের ঈমান আরও বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়। (সূরা আন্ফাল ২)
রাসূলুল্লাহ্ (আঃ) বলেনঃ
ওও لا يزني الزاني حين يزني وهو مؤمن ،،
জেনাকারী যখন সে জেনা করে তখন সে মোমিন অবস্থায় জেনা করে না।
অতএব আমরা যদি আমাদের ঈমানের মাধ্যমে সফলতা অর্জন করতে চাই তবে আমাদের অবশ্য কর্তব্য হবে,
জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে আমাদের হৃদয়ের বিশ্বাসকে দৃঢ় করা। বেশী বেশী হৃদয়ের আমল করা যেমন আল্লাহর সৃষ্টি জগতের নিদর্শন সমূহ নিয়ে চিন্তা ভাবনা ও গবেষণা করা। বেশী বেশী জিহবার মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ করা, হক কথা বলা, মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকা, সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করা, ইলম শিক্ষা করা এবং অপরকে শিক্ষা দেয়া ইত্যাদি। অঙ্গপ্রত্যঙ্গের আমল গুলো যথাযথ ভাবে আদায় করা।
আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
واصبر نفسك مع الذين يدعون ربهم بالغداة والعشي يريدون وجهه ولا تعد عيناك عنهم تريد زينة الحيوة الدنيا ولا تطع من أغفلنا قلبه عن ذكرنا واتبع هواه و كان أمره فرطا وقل الحق من ربكم فمن شاء فليؤمن ومن شاء فليكفر . ( سورة الكهف ২৮-২৯ )
নিজেকে তুমি রাখবে তাদেরই সংসর্গে যারা সকাল ও সন্ধ্যায় তাদের রবকে তার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে আহবান করে এবং তুমি পার্থিব জীবনের শোভা কামনা করে তাদের দিক হতে তোমার দৃষ্টি ফিরিয়ে নিও না। যার চিত্তকে আমি আমার স্মরণে অমনোযোগী করে দিয়েছি সে তার খেয়াল খুশির অনুসরণ করে এবং যার কার্যকলাপ সীমা অতিক্রম করে তুমি তার আনুগত্য করো না। বল, সত্য তোমাদের রবের নিকট হতে প্রেরিত সুতরাং যার ইচ্ছা বিশ্বাস করুক এবং যার ইচ্ছা প্রত্যাখ্যান করুক। (সূরা কাহাফ ২৮, ২৯)