১
আল্লাহর বাণী আল-কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ মোহাম্মদ ওসমান গনি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪১
মায়ের দুধ ও আল-কুরআন :
মহা গ্রন্থ আল কুরআন বিজ্ঞানকে সকল ভাবে পথ নির্দেশনা দিয়ে আসছে। কুরআনে বিজ্ঞানের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন বিষয়ের আলোচনা উপস্থাপিত হয়েছে। তন্মধ্যে মায়ের দুধও একটি। এ সম্পর্কে আল কুরআনে বর্ণিত হচ্ছেঃ
والوالدت يرضعن أولادهن حولين كاملين . ( سورة البقرة ২৩৩)
‘‘মায়েরা তাদের সন্তানদেরকে পূর্ণ দু’বছর বুকের দুধ পান করাবে।’’ (সূরা বাকারা ২৩৩)
আল্লাহ রাববুল আলামীন উক্ত আয়াতে ‘মা’দেরকে স্বীয় সন্তানকে বুকের দুধ পান করানোর আদেশ করেছেন। এই আদেশের যেমন রয়েছে সন্তানের উপকার তেমনি রয়েছে মায়েদের বহুবিধ কল্যাণ।
আর যারা এই আদেশ অমান্য করেছে তারা অবশ্যই অসংখ্য ক্ষতিগ্রস্ততার মধ্যে রয়েছে। স্বাস্যহ বিজ্ঞান বর্ণনা করছে যে, মায়ের দুধের বিকল্প নেই। এই দুধের মধ্যে সন্তানের প্রয়োজনীয় সবকিছুই রয়েছে এবং যথাপোযুক্ত সন্তান প্রসবের পর গাঢ় এবং হলুদ রঙ্গের যে দুধ মায়ের স্তন থেকে বের হয়ে আসে তাতে বেশী ভাগই থাকে আমিষ। আর এ আমিষের শতকরা ৯৭ ভাগ ইম্যনে গ্রোরিউলি-এ ওটা হচ্ছে সুনিদিষ্ট রোগ প্রতিরোধক দ্রব্য, কিন্তু আমাদের দেশে অজ্ঞতার কারণে অনেক ‘মা’ই সে দুধ শিশুর জন্য ক্ষতিকর মনে করে গেলে ফেলে দেন যা অনুচিত। মায়ের দুধ যে শুধু স্বাস্থ্য পুষ্ঠি ও শিশুর নিরাপত্তা বিধানেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে তা নয়। উপরক্ত মায়ের দুধ শিশুদের বুদ্ধিমত্তা ও শিক্ষা গ্রহণ ক্ষমতাও বাড়ায়।
অপর দিকে যে মায়েরা সন্তানদের বুকের দুধ পান করান তাদের জরায়ু খুব তাড়াতাড়ি গর্বধারনের পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে, স্তন ক্যান্সারের সম্ভবনা হ্রাস পায়।
মনোবিজ্ঞানীগণের মতে, যখন মা তার শিশুকে দুধ পান করান তখন দুধের সাথে অনুভূতিহীন তরঙ্গ ও স্পন্দন সৃষ্টি হয়, এ তরঙ্গই শিশু ও মায়ের মধ্যে ভালোবাসা, স্নেহ-মমতা, আন্তরিকতা ও শ্রদ্ধা বোধের কারণ হয়।
মায়ের দুধের তাপমাত্রা থাকে শরীরের জন্য যথোপযুক্ত। সহজেই হজম হয়, কাজে লাগে ও জীবাণু মুক্ত থাকে। আর গরুর দুধ বা কৌটার দুধ সহজেই হজম হয় না, জীবাণু যুক্ত থাকে ও ক্ষতি করে, বিশেষ করে কৌটার দুধ মারাত্মক ক্ষতি করে।
মায়ের দুধ সন্তানকে রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে ও রোগ প্রতিহত করতে ক্ষমতা বাড়ায়। তাই বলা হয়েছে যে দুধ পান করলে মায়ের বুকের দুধ ব্যতীত শিশুর জন্য আর কোন উৎকৃষ্ট উপযোগী ও বিশুদ্ধ খাদ্য নেই।
والوالدت يرضعن أولادهن حولين كاملين . ( سورة البقرة ২৩৩)
‘‘মায়েরা তাদের সন্তানদেরকে পূর্ণ দু’বছর বুকের দুধ পান করাবে।’’ (সূরা বাকারা ২৩৩)
আল্লাহ রাববুল আলামীন উক্ত আয়াতে ‘মা’দেরকে স্বীয় সন্তানকে বুকের দুধ পান করানোর আদেশ করেছেন। এই আদেশের যেমন রয়েছে সন্তানের উপকার তেমনি রয়েছে মায়েদের বহুবিধ কল্যাণ।
আর যারা এই আদেশ অমান্য করেছে তারা অবশ্যই অসংখ্য ক্ষতিগ্রস্ততার মধ্যে রয়েছে। স্বাস্যহ বিজ্ঞান বর্ণনা করছে যে, মায়ের দুধের বিকল্প নেই। এই দুধের মধ্যে সন্তানের প্রয়োজনীয় সবকিছুই রয়েছে এবং যথাপোযুক্ত সন্তান প্রসবের পর গাঢ় এবং হলুদ রঙ্গের যে দুধ মায়ের স্তন থেকে বের হয়ে আসে তাতে বেশী ভাগই থাকে আমিষ। আর এ আমিষের শতকরা ৯৭ ভাগ ইম্যনে গ্রোরিউলি-এ ওটা হচ্ছে সুনিদিষ্ট রোগ প্রতিরোধক দ্রব্য, কিন্তু আমাদের দেশে অজ্ঞতার কারণে অনেক ‘মা’ই সে দুধ শিশুর জন্য ক্ষতিকর মনে করে গেলে ফেলে দেন যা অনুচিত। মায়ের দুধ যে শুধু স্বাস্থ্য পুষ্ঠি ও শিশুর নিরাপত্তা বিধানেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে তা নয়। উপরক্ত মায়ের দুধ শিশুদের বুদ্ধিমত্তা ও শিক্ষা গ্রহণ ক্ষমতাও বাড়ায়।
অপর দিকে যে মায়েরা সন্তানদের বুকের দুধ পান করান তাদের জরায়ু খুব তাড়াতাড়ি গর্বধারনের পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে, স্তন ক্যান্সারের সম্ভবনা হ্রাস পায়।
মনোবিজ্ঞানীগণের মতে, যখন মা তার শিশুকে দুধ পান করান তখন দুধের সাথে অনুভূতিহীন তরঙ্গ ও স্পন্দন সৃষ্টি হয়, এ তরঙ্গই শিশু ও মায়ের মধ্যে ভালোবাসা, স্নেহ-মমতা, আন্তরিকতা ও শ্রদ্ধা বোধের কারণ হয়।
মায়ের দুধের তাপমাত্রা থাকে শরীরের জন্য যথোপযুক্ত। সহজেই হজম হয়, কাজে লাগে ও জীবাণু মুক্ত থাকে। আর গরুর দুধ বা কৌটার দুধ সহজেই হজম হয় না, জীবাণু যুক্ত থাকে ও ক্ষতি করে, বিশেষ করে কৌটার দুধ মারাত্মক ক্ষতি করে।
মায়ের দুধ সন্তানকে রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে ও রোগ প্রতিহত করতে ক্ষমতা বাড়ায়। তাই বলা হয়েছে যে দুধ পান করলে মায়ের বুকের দুধ ব্যতীত শিশুর জন্য আর কোন উৎকৃষ্ট উপযোগী ও বিশুদ্ধ খাদ্য নেই।