১
আল্লাহর বাণী আল-কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ মোহাম্মদ ওসমান গনি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৫
ইয়াক্তীন বৃক্ষ ও আল-কুরআন :
আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
فَنَبَذْنَاهُ بِالْعَرَاءِ وَهُوَ سَقِيمٌ ﴿145﴾ وَأَنْبَتْنَا عَلَيْهِ شَجَرَةً مِنْ يَقْطِينٍ ﴿146﴾( سورة الصافات ১৪৫-১৪৬)
‘‘অতপর আমি তাঁকে (ইউনুস আঃ) এক বিস্তীর্ণ বীজন প্রান্তরে নিক্ষেপ করলাম তখন তিনি ছিলেন রুগ্ন। আমি তাঁর উপর ইয়াক্তীন (লতাবিশিষ্ট) বৃক্ষ উদগত করলাম।’’ (সূরা সাফফাত ১৪৫-১৪৬)
তাফসীরে বর্ণিত হয়েছে যে, ইউনুস (আঃ) মাছের পেট থেকে সাগরের তীরে বের হয়ে আসলেন। মাছের পেটে থাকার কারণে ইউনুস (আঃ) তখন খুবই দুর্বল ছিলেন। তার শরীরে কোন লোমও অবশিষ্ট ছিল না । আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা তার জন্য ইয়াক্তীন নামক বৃক্ষ উদগত করে দিলেন। এখন প্রশ্ন হলো অন্য কোন বৃক্ষকে পছন্দ না করে কেন ইয়াকতীন বৃক্ষকে নির্বাচন করলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছে ইয়াকতীন এমন কান্ডবিহীন বৃক্ষ যার পাতাগুলো বড় ও প্রশস্ত এবং তার ছায়া হয় ঘন যা সূর্যের উত্তাপ থেকে ইউনুস (আঃ) কে হেফাজত করে তাকে ছায়া প্রদান করেছেন। এই গাছের পানি তৃষ্ণাকে হালকা করে। এই গাছে এমন পদার্থ রয়েছে যা শরীরকে শক্তিশালী করে। শরীরের চামড়াকে দ্রুত ঠিক করে দেয়। আসলে সেই মূর্তে ইউনুস (আঃ) এই জিনিসগুলোর অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল। আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল, কোন মাছি এই গাছের নিকটবর্তী হয় না। এ ছাড়াও অন্য কোন রহস্য থাকতে পারে যা একমাত্র আল্লাহই ভাল জানেন।
فَنَبَذْنَاهُ بِالْعَرَاءِ وَهُوَ سَقِيمٌ ﴿145﴾ وَأَنْبَتْنَا عَلَيْهِ شَجَرَةً مِنْ يَقْطِينٍ ﴿146﴾( سورة الصافات ১৪৫-১৪৬)
‘‘অতপর আমি তাঁকে (ইউনুস আঃ) এক বিস্তীর্ণ বীজন প্রান্তরে নিক্ষেপ করলাম তখন তিনি ছিলেন রুগ্ন। আমি তাঁর উপর ইয়াক্তীন (লতাবিশিষ্ট) বৃক্ষ উদগত করলাম।’’ (সূরা সাফফাত ১৪৫-১৪৬)
তাফসীরে বর্ণিত হয়েছে যে, ইউনুস (আঃ) মাছের পেট থেকে সাগরের তীরে বের হয়ে আসলেন। মাছের পেটে থাকার কারণে ইউনুস (আঃ) তখন খুবই দুর্বল ছিলেন। তার শরীরে কোন লোমও অবশিষ্ট ছিল না । আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা তার জন্য ইয়াক্তীন নামক বৃক্ষ উদগত করে দিলেন। এখন প্রশ্ন হলো অন্য কোন বৃক্ষকে পছন্দ না করে কেন ইয়াকতীন বৃক্ষকে নির্বাচন করলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছে ইয়াকতীন এমন কান্ডবিহীন বৃক্ষ যার পাতাগুলো বড় ও প্রশস্ত এবং তার ছায়া হয় ঘন যা সূর্যের উত্তাপ থেকে ইউনুস (আঃ) কে হেফাজত করে তাকে ছায়া প্রদান করেছেন। এই গাছের পানি তৃষ্ণাকে হালকা করে। এই গাছে এমন পদার্থ রয়েছে যা শরীরকে শক্তিশালী করে। শরীরের চামড়াকে দ্রুত ঠিক করে দেয়। আসলে সেই মূর্তে ইউনুস (আঃ) এই জিনিসগুলোর অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল। আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল, কোন মাছি এই গাছের নিকটবর্তী হয় না। এ ছাড়াও অন্য কোন রহস্য থাকতে পারে যা একমাত্র আল্লাহই ভাল জানেন।