hadith book logo

আল্লাহর বাণী আল-কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান

লেখকঃ মোহাম্মদ ওসমান গনি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৪

দ্বিতীয় দলিল :

আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

وآية لهم الليل نسلخ منه النهار فإذا هم مظلمون والشمس تجري لمستقر لها ذلك تقدير العزيز العليم و القمر قدرناه منازل حتى عاد كالعرجون القديم لا الشمس ينبغي لها أن تدرك القمر ولا الليل سابق النهار وكل في ذلك يسبحون ( سورة يس .৩৭-৪০)

রাত্রি তাদের জন্য একটি নির্দেশন, আমি তা থেকে দিনকে অপসারিত করি, তখনই তারা অন্ধকারে থেকে যায়। সূর্য তার নির্দিষ্ট অবস্থানে চলতে থাকে। এটা পরাক্রম শালী, সর্বজ্ঞ আল্লাহর নিয়ন্ত্রণ। চন্দ্রের জন্য আমি বিভিন্ন মনজিল নির্ধারিত করেছি, অবশেষে সে পুরাতন খেজুর শাখার অনুরূপ হয়ে যায়। সূর্য চন্দ্রের নাগাল পেতে পারে না। এবং রাত্রি দিনের অগ্রে চলে না। প্রত্যেকটি তার কক্ষ পথে বিচরণ করছে। (সূরা ইয়াসীন ৩৭-৪০)

আলোচ্য আয়াত গুলোতে আল্লাহ তা’আলা স্বীয় কুদরত বর্ণনা শেষে বলছেন: ‘‘প্রত্যেকটি কক্ষ পথে বিচরণ করছে’’। এই প্রসঙ্গে সর্ব প্রথম পৃথিবীর কথা উলেখ করেছেন যা আলোচ্য আয়াত গুলোতে পূর্বে বর্ণিত হয়েছে। অতপর পানি বর্ষণ করে বৃক্ষ ও উদ্ভিদ উৎপন্ন করার কথা উলেখ করেছেন। এর পর দিবা ও রাত্রি দৈনন্দিন পরিবর্তনের উলেখ করেছেন। এরপর সর্ববৃহৎ গ্রহ সূর্য ও উপগ্রহ চন্দ্রের আলোচনার পরিশেষে আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ

এখানে শব্দটি পৃথিবী, সূর্য ও চন্দ্র সহ সব কিছুকে অন্তর্ভুক্ত করে তাই বহু বচন ব্যবহার হয়েছে। এই কথাটা যদি সূর্য ও চন্দ্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতো, তবে দ্বিবচন ব্যবহার হতো। অতএব বর্তমান আধুনিক যুগের আবিষ্কার ও বৈজ্ঞানিক তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি যে, পবিত্র কুরআন সর্বকালীন উপযোগী, সময় ও পরিবেশের প্রেক্ষিতে নব নব তথ্য হাজির করে বিশ্ববাসীর কাছে।