১
আল্লাহর বাণী আল-কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ মোহাম্মদ ওসমান গনি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৪
মহাকাশ জয় ও আল কুরআন :
মানুষ আজ সাধনা গবেষণা ও জ্ঞান বিজ্ঞানের অগ্রগতির মাধ্যমে মহাকাশ জয় করেছে, প্রযুক্তির চরম উন্নতি সাধন করেছে। নভচারীগণ চাঁদে পৌছেছেন, মানুষ যা কল্পনা করেছিল তা বাস্তবায়ন করছে, যেগুলো স্বপ্ন মনে করে ছিল সেগুলো বর্তমানে স্বচক্ষে অবলোকন করছে। আবার কৃত্রিম উপগ্রহ স্থাপনের মাধ্যমে পৃথিবীর নতুন নতুন তথ্য মানুষের নিকট ধরা পড়ছে। অজানা অচেনা অনেক রহস্য উদঘাটন করছে। তবু মানুষ বসে নেই। আরও জানার অদম্য আগ্রহ নিয়ে মানুষ এগিয়ে যাচ্ছে।
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْإِنْسِ إِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَنْ تَنْفُذُوا مِنْ أَقْطَارِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ فَانْفُذُوا لَا تَنْفُذُونَ إِلَّا بِسُلْطَانٍ ( سورة الرحمن ৩৩)
হে জ্বিন ও মানবকুল নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের প্রান্তত অতিক্রম করার তোমরা যদি শক্তি রাখ তবে অতিক্রম কর, কিন্তু প্রচন্ড শক্তি ব্যতীত তোমরা তা অতিক্রম করতে পারবে না। (সূরা রাহমান ৩৩)
এ আয়াতে স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে যে, আকাশ ও পৃথিবীর প্রান্ত অতিক্রম করতে হলে বিরাট শক্তি ও সামর্থ দরকার। সাথে সাথে এ কথাও বুঝান হয়েছে যে, জ্বিন ও মানব জাতি উভয়ই শক্তি অর্জনের মাধ্যমে মহাকাশ জয়ে সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হবে। সেহেতু বাক্যটি শর্তযুক্ত নয় বরং খবর দেয়া হয়েছে। আর জ্বিন ও মানব কে সমপর্যায়ে রেখে বর্ণনা করেছে। এমন এক সময় আসবে যা সেই সময় মানব জাতির কল্পনায়ও আসেনি যে মানব জ্বিন জাতির ন্যায় পৃথিবী থেকে সৌরজগতে পদার্পণ করবে। কেননা কুরআন সেই মহান আল্লাহর নিকট থেকে অবতীর্ণ। যিনি সার্বিকভাবে সব কিছুই অবগত আছেন যে, মানুষ জাতিও একদিন এমন কাজ করতে সক্ষম হবে। যেমন জ্বিন জাতিরা করতে সক্ষম হয়েছে।
আর জ্বিন জাতি সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা বর্ণনা করেন:
وَأَنَّا لَمَسْنَا السَّمَاءَ فَوَجَدْنَاهَا مُلِئَتْ حَرَسًا شَدِيدًا وَشُهُبًا ﴿8﴾ وَأَنَّا كُنَّا نَقْعُدُ مِنْهَا مَقَاعِدَ لِلسَّمْعِ
জ্বিন জাতিরা বলে আমরা আকাশ পর্যবেক্ষণ করেছি অতঃপর দেখতে পেয়েছি যে, কঠোর প্রহরী ও উল্কাপিন্ড দ্বারা আকাশ পরিপূর্ণ। আমরা আকাশের বিভিন্ন ঘাটিতে সংবাদ শ্রবণার্থে বসতাম। (সূরা জিন ৮-৯)
জ্বিন জাতি অতীতে আকাশ পরিভ্রমন ও পর্যবেক্ষণ করেছে। আর মানুষও তাদের চেষ্টার পরিপেক্ষিতে বর্তমানে আকাশ পরিভ্রমন ও পর্যবেক্ষণ করছে। যেহেতু জ্বিন ও মানব উভয়ের জন্যই মহান সৃষ্টিকর্তা সকল দ্বার উন্মুক্ত রেখেছেন এবং তা সহজ করে দিয়েছেন।
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْإِنْسِ إِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَنْ تَنْفُذُوا مِنْ أَقْطَارِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ فَانْفُذُوا لَا تَنْفُذُونَ إِلَّا بِسُلْطَانٍ ( سورة الرحمن ৩৩)
হে জ্বিন ও মানবকুল নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের প্রান্তত অতিক্রম করার তোমরা যদি শক্তি রাখ তবে অতিক্রম কর, কিন্তু প্রচন্ড শক্তি ব্যতীত তোমরা তা অতিক্রম করতে পারবে না। (সূরা রাহমান ৩৩)
এ আয়াতে স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে যে, আকাশ ও পৃথিবীর প্রান্ত অতিক্রম করতে হলে বিরাট শক্তি ও সামর্থ দরকার। সাথে সাথে এ কথাও বুঝান হয়েছে যে, জ্বিন ও মানব জাতি উভয়ই শক্তি অর্জনের মাধ্যমে মহাকাশ জয়ে সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হবে। সেহেতু বাক্যটি শর্তযুক্ত নয় বরং খবর দেয়া হয়েছে। আর জ্বিন ও মানব কে সমপর্যায়ে রেখে বর্ণনা করেছে। এমন এক সময় আসবে যা সেই সময় মানব জাতির কল্পনায়ও আসেনি যে মানব জ্বিন জাতির ন্যায় পৃথিবী থেকে সৌরজগতে পদার্পণ করবে। কেননা কুরআন সেই মহান আল্লাহর নিকট থেকে অবতীর্ণ। যিনি সার্বিকভাবে সব কিছুই অবগত আছেন যে, মানুষ জাতিও একদিন এমন কাজ করতে সক্ষম হবে। যেমন জ্বিন জাতিরা করতে সক্ষম হয়েছে।
আর জ্বিন জাতি সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা বর্ণনা করেন:
وَأَنَّا لَمَسْنَا السَّمَاءَ فَوَجَدْنَاهَا مُلِئَتْ حَرَسًا شَدِيدًا وَشُهُبًا ﴿8﴾ وَأَنَّا كُنَّا نَقْعُدُ مِنْهَا مَقَاعِدَ لِلسَّمْعِ
জ্বিন জাতিরা বলে আমরা আকাশ পর্যবেক্ষণ করেছি অতঃপর দেখতে পেয়েছি যে, কঠোর প্রহরী ও উল্কাপিন্ড দ্বারা আকাশ পরিপূর্ণ। আমরা আকাশের বিভিন্ন ঘাটিতে সংবাদ শ্রবণার্থে বসতাম। (সূরা জিন ৮-৯)
জ্বিন জাতি অতীতে আকাশ পরিভ্রমন ও পর্যবেক্ষণ করেছে। আর মানুষও তাদের চেষ্টার পরিপেক্ষিতে বর্তমানে আকাশ পরিভ্রমন ও পর্যবেক্ষণ করছে। যেহেতু জ্বিন ও মানব উভয়ের জন্যই মহান সৃষ্টিকর্তা সকল দ্বার উন্মুক্ত রেখেছেন এবং তা সহজ করে দিয়েছেন।