১
তাওহীদ পুনরুদ্ধার
লেখকঃ আবদুল্লাহ্ আল কাফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৭
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের ভাল-মন্দের মালিক ননঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর প্রিয় পাত্র হওয়ার সূত্রে মানুষ যেন তাঁর কাছে এমন কিছু কামনা না করে যাতে আল্লাহ্ ছাড়া কারো ক্ষমতা নেই, তিনি নিজের কোন উপকার বা বা অপকার করার ক্ষমতা রাখেন না, একথা স্পষ্ট ভাষায় আল্লাহ্ বলে দিয়েছেনঃ
قُلْ لا أَمْلِكُ لِنَفْسِي نَفْعًا وَلا ضَرًّا إِلا مَا شَاءَ اللَّهُ وَلَوْ كُنْتُ أَعْلَمُ الْغَيْبَ لاسْتَكْثَرْتُ مِنَ الْخَيْرِ وَمَا مَسَّنِيَ السُّوءُ إِنْ أَنَا إِلا نَذِيرٌ وَبَشِيرٌ لِقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ “
(হে রাসূল!) আপনি বলে দিন, আল্লাহ্ যা ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত আমি আমার নিজের আত্মার ভাল-মন্দ, লাভ-ক্ষতি ইত্যাদি বিষয়ে আমার কোন অধিকার নেই। আমি যদি গায়েবী বিষয়ের খবর জানতাম তবে আমি অনেক কল্যাণ লাভ করতে পারতাম, আর কোন অকল্যাণই আমাকে স্পর্শ করতে পারত না। (অতএব আমি গায়েবের কোন খবরই রাখি না) আমি শুধু মুমিন সমপ্রদায়ের জন্যে একজন সতর্ককারী ও সুসংবাদবাহী। (সূরা আরাফঃ ১৮৮) [. রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) যে নিজের আত্মার কোন ধরণের কল্যাণ-অকল্যাণের মালিক নন একথা সূরা ইউনুসেও আছে। দেখুন ৪৯নং আয়াত।]
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি নিজ কল্যাণের মালিক হতেন বা নিজেকে অকল্যাণ বা বিপদ থেকে রক্ষা করার ক্ষমতা রাখতেন, তবে আল্লাহ্ তাকে সেই মালিকানা দিয়ে দিতেন এবং ফলে তিনি ইসলামী দাওয়াত-তাবলীগের ভয়ানক কন্টকাকীর্ণ পথে কোন ধরণের সমস্যার সম্মুখিন হতেন না। কিন্তু আমরা সবাই জানি যে, তিনি তায়েফে ইসলাম প্রচার করতে গিয়ে কাফেরদের প্রস্তরাঘাতে ক্ষত-বিক্ষত হয়েছেন। তাঁর পবিত্র শরীর রক্তে রঞ্জিত হয়েছে। উহুদের প্রান্তরে তাঁর দন্দন মোবারক শহীদ হয়েছে। ইহুদী মহিলা দাওয়াত করে তাঁকে বিষ মিশ্রিত গোস্ত খাইয়ে দিয়েছে। আল্লাহ্ তাঁকে অলৌকিক কোন ক্ষমতা দিয়ে থাকলে, তার বলে তিনি কাফেরদের পাথরকে ফিরিয়ে দিতে পারতেন। অথবা উহুদের প্রান্তরে কাফেরদের বর্শার আঘাত থেকে নিজের শরীরকে, মুখমন্ডল ও দন্দনকে রক্ষা করতে পারতেন। অথবা তিনি গায়েবের খবর জানলে ইহুদী মহিলার বিষ মিশ্রিত গোস্ত খেতেন না। রক্ষা করার এই বিষয়গুলো পুরাটাই একমাত্র আল্লাহর হাতে কারো হাতে নেই।
قُلْ لا أَمْلِكُ لِنَفْسِي نَفْعًا وَلا ضَرًّا إِلا مَا شَاءَ اللَّهُ وَلَوْ كُنْتُ أَعْلَمُ الْغَيْبَ لاسْتَكْثَرْتُ مِنَ الْخَيْرِ وَمَا مَسَّنِيَ السُّوءُ إِنْ أَنَا إِلا نَذِيرٌ وَبَشِيرٌ لِقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ “
(হে রাসূল!) আপনি বলে দিন, আল্লাহ্ যা ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত আমি আমার নিজের আত্মার ভাল-মন্দ, লাভ-ক্ষতি ইত্যাদি বিষয়ে আমার কোন অধিকার নেই। আমি যদি গায়েবী বিষয়ের খবর জানতাম তবে আমি অনেক কল্যাণ লাভ করতে পারতাম, আর কোন অকল্যাণই আমাকে স্পর্শ করতে পারত না। (অতএব আমি গায়েবের কোন খবরই রাখি না) আমি শুধু মুমিন সমপ্রদায়ের জন্যে একজন সতর্ককারী ও সুসংবাদবাহী। (সূরা আরাফঃ ১৮৮) [. রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) যে নিজের আত্মার কোন ধরণের কল্যাণ-অকল্যাণের মালিক নন একথা সূরা ইউনুসেও আছে। দেখুন ৪৯নং আয়াত।]
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি নিজ কল্যাণের মালিক হতেন বা নিজেকে অকল্যাণ বা বিপদ থেকে রক্ষা করার ক্ষমতা রাখতেন, তবে আল্লাহ্ তাকে সেই মালিকানা দিয়ে দিতেন এবং ফলে তিনি ইসলামী দাওয়াত-তাবলীগের ভয়ানক কন্টকাকীর্ণ পথে কোন ধরণের সমস্যার সম্মুখিন হতেন না। কিন্তু আমরা সবাই জানি যে, তিনি তায়েফে ইসলাম প্রচার করতে গিয়ে কাফেরদের প্রস্তরাঘাতে ক্ষত-বিক্ষত হয়েছেন। তাঁর পবিত্র শরীর রক্তে রঞ্জিত হয়েছে। উহুদের প্রান্তরে তাঁর দন্দন মোবারক শহীদ হয়েছে। ইহুদী মহিলা দাওয়াত করে তাঁকে বিষ মিশ্রিত গোস্ত খাইয়ে দিয়েছে। আল্লাহ্ তাঁকে অলৌকিক কোন ক্ষমতা দিয়ে থাকলে, তার বলে তিনি কাফেরদের পাথরকে ফিরিয়ে দিতে পারতেন। অথবা উহুদের প্রান্তরে কাফেরদের বর্শার আঘাত থেকে নিজের শরীরকে, মুখমন্ডল ও দন্দনকে রক্ষা করতে পারতেন। অথবা তিনি গায়েবের খবর জানলে ইহুদী মহিলার বিষ মিশ্রিত গোস্ত খেতেন না। রক্ষা করার এই বিষয়গুলো পুরাটাই একমাত্র আল্লাহর হাতে কারো হাতে নেই।