১
তাওহীদ পুনরুদ্ধার
লেখকঃ আবদুল্লাহ্ আল কাফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
চরমোনাই পীর থেকে তাওহীদ পুনরুদ্ধারঃ
বাংলাদেশে যে সমস্ত পীর সাহেব আছেন তাদের মধ্যে চরমোনাই পীর একজন অন্যতম নামকরা। তার লক্ষ লক্ষ ভক্ত ও মুরীদান বাংলাদেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। দেশের বাইরেও তার মুরীদ থাকবেন তাতে আশ্চর্যের কিছু নেই। তার মুরীদদের মধ্যে আছেন অসংখ্য আলেম-ওলামা, মাদ্রাসার শিক্ষক। তিনি মানুষকে আধ্যাত্মিকতার শিক্ষা প্রদান করেন। তার কাছে বাইআত করিয়ে কলব পরিস্কার করার মাধ্যমে নৈতিক চরিত্র সংশোধন করার দাওয়াত দেন। নামাযের পাবন্দ হওয়া, পর্দা রক্ষা করা, সুদ-ঘুষ থেকে বেঁচে থাকা প্রভৃতি বিষয়গুলোকে গুরুত্বের সাথে প্রাধান্য দেয়া হয়। আর এ জন্যে নির্ধারণ করা আছে দৈনন্দিন ওজীফা। যা সিলেবাস আকারে মুরীদদেরকে জপ করতে হয়। সেই সাথে কসরত করতে হয় নির্দিষ্ট কিছু মুরাকাবার। তাহলেই মুরীদ মারেফতের সিঁড়ি বেয়ে উচ্চস্তরে যেতে পারবেন এবং আল্লাহ্ ওয়ালা হতে পারবেন।
চরমোনাই দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন মাওলানা সৈয়দ মোহাম্মাদ ইছহাক সাহেব। তিনি মৃত্যু বরণ করলে তার ছেলে সৈয়দ মোঃ ফজলুল করীম খেলাফত লাভ করেন। তিনি পিতার তরীকা অনুসারে মানুষকে মুরীদ করেন। তার মৃত্যুর পর এছহাক সাহেবের আরেক ছেলে সৈয়দ রেজাউল করীম এখন খেলাফতের দায়িত্ব পালন করছেন। সৈয়দ এছহাক সাহেব মানুষকে সহজে ইসলাম শিক্ষা দেয়ার জন্যে ছোট-বড় ২৭খানা কেতাব রচনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ ২৭ খানা কেতাব বাংলা ভাষায় লিখিয়া দিলাম। ইহা পাঠ করিয়া আমল করুন, আপন বাড়ী বেহেশতে চলুন। (ভেদে মারেফতঃ ৯৪ পৃষ্ঠা)
ঐ সমস্ত গ্রন্থ সবগুলোই আমার সংগ্রহ করা ও পাঠ করা সম্ভব হয়নি। ৩/৪টি বই আমার হাতে পড়েছে। তা পাঠ করে আমার কাছে মনে হয়েছে, পীরদের হাতে যারা বায়আত করেনি বিশ্বের এরকম কোটি কোটি মুসলমান জাহান্নামের পথে এগুচ্ছেন। আর তারা এবং তাদের মত অন্য হক্কানী (?) পীর ও তাদের খাঁটি মুরীদরা নিজেদের তৈরী জান্নাতের পথে এগুচ্ছেন।
প্রকৃতপক্ষে ঐ বই সমূহ পাঠ করে, তার মধ্যে যা আছে তার প্রতি বিশ্বাস রেখে, সে অনুযায়ী আমল করে একজন মুসলমান কোন পথে এগুবেন তার জন্যে চিন্তাশীল, সুস্থ বিবেক সম্পন্ন এবং কুরআন ও ছহীহ্ হাদীছের সামান্য জ্ঞানের অধিকারী পাঠকের সামনে কিছু কথা উল্লেখ করা জরুরী মনে করছি। অতঃপর কুরআন ও ছহীহ্ সুন্নাহর আলোকে তার বিশ্লেষণ করে সত্যাসত্যের বিচার পাঠকের উপর ছেড়ে দিচ্ছি।
নিম্নে মুহতারাম পীর সাহেবের মাত্র দুটি বই (১) ওভেদে মারেফত বা ইয়াদে খোদা [. প্রকাশকঃ মুহাম্মদ তারিক আজাদ চৌধুরী, আল এছহাক প্রকাশনী, ৩৭, নর্থব্রুক হল রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা- ১১০০ ফোনঃ ৭১২৩৫২৬। সংশোধিত সংস্করণঃ নভেম্বর, ২০০৫ ইং।] এবং (২) ওআশেক মাশুক বা এস্কে এলাহী [. প্রকাশক ও প্রকাশের সনঃ ঐ] থেকে সারসংক্ষেপ কিছু উক্তি উল্লেখ করব। তারপর তার বিশ্লেষণ করব। ইনশাআল্লাহ্।
চরমোনাই দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন মাওলানা সৈয়দ মোহাম্মাদ ইছহাক সাহেব। তিনি মৃত্যু বরণ করলে তার ছেলে সৈয়দ মোঃ ফজলুল করীম খেলাফত লাভ করেন। তিনি পিতার তরীকা অনুসারে মানুষকে মুরীদ করেন। তার মৃত্যুর পর এছহাক সাহেবের আরেক ছেলে সৈয়দ রেজাউল করীম এখন খেলাফতের দায়িত্ব পালন করছেন। সৈয়দ এছহাক সাহেব মানুষকে সহজে ইসলাম শিক্ষা দেয়ার জন্যে ছোট-বড় ২৭খানা কেতাব রচনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ ২৭ খানা কেতাব বাংলা ভাষায় লিখিয়া দিলাম। ইহা পাঠ করিয়া আমল করুন, আপন বাড়ী বেহেশতে চলুন। (ভেদে মারেফতঃ ৯৪ পৃষ্ঠা)
ঐ সমস্ত গ্রন্থ সবগুলোই আমার সংগ্রহ করা ও পাঠ করা সম্ভব হয়নি। ৩/৪টি বই আমার হাতে পড়েছে। তা পাঠ করে আমার কাছে মনে হয়েছে, পীরদের হাতে যারা বায়আত করেনি বিশ্বের এরকম কোটি কোটি মুসলমান জাহান্নামের পথে এগুচ্ছেন। আর তারা এবং তাদের মত অন্য হক্কানী (?) পীর ও তাদের খাঁটি মুরীদরা নিজেদের তৈরী জান্নাতের পথে এগুচ্ছেন।
প্রকৃতপক্ষে ঐ বই সমূহ পাঠ করে, তার মধ্যে যা আছে তার প্রতি বিশ্বাস রেখে, সে অনুযায়ী আমল করে একজন মুসলমান কোন পথে এগুবেন তার জন্যে চিন্তাশীল, সুস্থ বিবেক সম্পন্ন এবং কুরআন ও ছহীহ্ হাদীছের সামান্য জ্ঞানের অধিকারী পাঠকের সামনে কিছু কথা উল্লেখ করা জরুরী মনে করছি। অতঃপর কুরআন ও ছহীহ্ সুন্নাহর আলোকে তার বিশ্লেষণ করে সত্যাসত্যের বিচার পাঠকের উপর ছেড়ে দিচ্ছি।
নিম্নে মুহতারাম পীর সাহেবের মাত্র দুটি বই (১) ওভেদে মারেফত বা ইয়াদে খোদা [. প্রকাশকঃ মুহাম্মদ তারিক আজাদ চৌধুরী, আল এছহাক প্রকাশনী, ৩৭, নর্থব্রুক হল রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা- ১১০০ ফোনঃ ৭১২৩৫২৬। সংশোধিত সংস্করণঃ নভেম্বর, ২০০৫ ইং।] এবং (২) ওআশেক মাশুক বা এস্কে এলাহী [. প্রকাশক ও প্রকাশের সনঃ ঐ] থেকে সারসংক্ষেপ কিছু উক্তি উল্লেখ করব। তারপর তার বিশ্লেষণ করব। ইনশাআল্লাহ্।