১
হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নান্দনিক আচরণ
লেখকঃ ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
ভূমিকা
وَمَا آَتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا
‘‘রাসূলﷺ তোমাদেরকে যা কিছু দিয়েছেন তা ধরো, এবং যা কিছু থেকে বারণ করেছেন তা থেকে বিরত হও।’’ পবিত্র কোরআনের এ বাণীতে আল্লাহ পাক তাঁর রাসূলের আনুগত্য অবধারিত করে দিয়েছেন। রাসূলুল্লাহ ﷺ এর উত্তম আদর্শের অনুকরণের তাগিদ করে তিনি বলেছেন:
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لِمَنْ كَانَ يَرْجُو اللَّهَ وَالْيَوْمَ الْآَخِرَ وَذَكَرَ اللَّهَ كَثِيرًا
‘‘ রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জীবনীতে তোমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ, যারা আল্লাহ ও পরকালে আশান্বিত ও আল্লাহকে স্মরণ করে প্রচুর’’ শুধু তাই নয় বরং রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আনুগত্যকে তাঁর ভালোবাসা প্রাপ্তি ও পাপ মোচনের শর্তরূপে প্রতিষ্ঠা করেছেন:
قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ
‘‘ বলো, আল্লাহকে যদি তোমরা ভালোবেসে থাকো তাহলে আমার আনুগত্য করো; আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন, ও তোমাদের পাপ মোচন করে দেবেন ।’’ রাসূলের আনুগত্য প্রকৃত অর্থে আল্লাহরই আনুগত্য, এ-বিষয়টি পবিত্র কোরআনে অত্যন্ত উজ্জ্বলভাবে ব্যক্ত হয়েছে:
مَنْ يُطِعِ الرَّسُولَ فَقَدْ أَطَاعَ اللَّهَ وَمَنْ تَوَلَّى فَمَا أَرْسَلْنَاكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًا
‘‘যে ব্যক্তি রাসূলের আনুগত্য করল সে অবশ্যই আল্লাহর আনুগত্য করল, আর যে অবাধ্য হলো আমি তোমাকে তার ওপর রক্ষী হিসেবে প্রেরণ করিনি’’ রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আনুগত্যকারীকে প্রচুর ছোয়াবে ভূষিত করবেন বলেও আল্লাহ ঘোষণা দিয়েছেন।
وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَالرَّسُولَ فَأُولَئِكَ مَعَ الَّذِينَ أَنْعَمَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ مِنَ النَّبِيِّينَ وَالصِّدِّيقِينَ وَالشُّهَدَاءِ وَالصَّالِحِينَ وَحَسُنَ أُولَئِكَ رَفِيقًا
‘‘যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করবে- নবী, সত্যনিষ্ঠ, শহীদ ও সৎকর্মপরায়ণ; যাদের প্রতি আল্লাহ অনুকম্পা করেছেন-তারা তাদের সঙ্গী হবে, আর সঙ্গী হিসেবে তারা কতই না উত্তম’’
হজ ইসলামের একটি অন্যতম ইবাদত যেখানে রাসূলুল্লাহর আনুগত্য বিমূর্ত আকারে দৃষ্টিগ্রাহ্য হয়। আলেমে দ্বীন ও জ্ঞান অন্বেষীদের অনেকেই হজ পালনে হাজিদের ভুলত্রুটির বিষয়টি আলোচনায় এনেছেন, কীভাবে হজ বিশুদ্ধ হয় অথবা বাতিল হয়ে যায় সেগুলোও গুরুত্ব পেয়েছে। ফলে এক্ষেত্রে ত্রুটি এড়াতে অনেকটা সফলতা এসেছে। বিকশিত হয়েছে এই মহান পুণ্য কৃত্য বিষয়ে জ্ঞান প্রচারের কার্যক্রমও। তবে, হজ পালনকালে রাসূলুল্লাহর নান্দনিক আচরণ-অবস্থা -- যার অনবদ্য প্রকাশ ঘটেছে আল্লাহর সাথে নিগূঢ় সম্পর্ক চর্চায়, উম্মত ও স্বজনদের সাথে ওঠা-বসায়- এখনও ততটা যত্ন পায়নি। নিম্নবর্ণিত কয়েকটি কারণে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের দাবি রাখে বলে আমি মনে করি।
-এ বিষয়টির অধ্যয়ন, অনুধাবন ও বাস্তবায়ন হজের তাৎপর্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে চেতনা সৃষ্টি করে, দাসত্ব চর্চায় উৎকর্ষের স্পর্শ পাইয়ে দেয়।
- হজে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আচার-অবস্থা প্রচুর সংখ্যক মুসলমানের কাছেই অজানা। তাদের গুরুত্বের বিষয় কেবল হজে পালনীয় অনুষ্ঠানাদির হুকুম- আহকাম মসলা-মাসায়েল সম্পর্কে ধারণা অর্জন।
- হজে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আচার-অবস্থা এমন কিছু অর্থ-বোধ-উদ্দেশকে ধারণ করে আছে যা , এমনকী, সুন্নত বিষয়ে গবেষণা ও আমলকারীদের কাছেও অজ্ঞাত ও প্রয়োগ থেকে বিলুপ্ত।
- হজের বিশেষ একটি মেজাজ ও ধরন রয়েছে যেখানে রাসূলুল্লাহ ﷺ নানা পর্যায়ের মানুষের সংস্পর্শে এসেছেন, তিনি এমন অনেকেরই দেখা পেয়েছেন, এত নিবিড়ভাবে তাঁর সঙ্গ দেয়ার সুযোগ ইতিপূর্বে যাদের ভাগ্যে জোটেনি অথবা আদৌ তাঁর সংস্পর্শে আসার সুযোগ যাদের হয়নি। হজে, তাই, রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আচার-অবস্থার এমন কিছু দিক শামিল রয়েছে যেগুলোর সাক্ষাৎ অন্য কোথাও মিলে না।
- রাসূলুল্লাহ ﷺ এর স্ত্রী-গণ সকলেই এবং স্বজনদের দুর্বল লোকেরা হজে রাসূলুল্লাহর সঙ্গী ছিলেন; যার ফলে তাদের সাথে আচার-আচরণের এমন কিছু দিক উজ্জ্বলতা পেয়েছে যা ইতিপূর্বে আর কোথাও পায় নি।
এটাই ছিল আমার মূল প্রেরণা। এখানে আমি চেষ্টা করেছি হজ পালনাবস্থায় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আচার-অবস্থা সম্পর্কে একটা পরিপূর্ণ চিত্র আঁকার। যাতে রাসূলুল্লাহর পদাঙ্ক অনুকরণে আগ্রহী ও তাঁর আদর্শ অনুসরণে প্রাণিত ব্যক্তি সহজেই পথের সন্ধান পেয়ে যায়। রাসূলুল্লাহর ﷺ এর হজের বর্ণনা-সংবলিত পুস্তক যেহেতু প্রচুর তাই সে দিকে না গিয়ে কিছু নমুনা ও অন্যান্য দিক সংক্রান্ত কিছু ইঙ্গিত উল্লেখ করেই বিষয়টির উপসংহারে আসার প্রয়াস পেয়েছি। অন্যথায় এত ছোট পরিসরে এ-সুবিস্তৃত বিষয়টিকে সংকুচিত করে উল্লেখ করা সম্ভব নয়।
বিভিন্ন দিক একসাথে করে, সাবলীল ও সহজবোধ্য ধারাবাহিকতায় পেশ করার উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে তিনটি অনুচ্ছেদে বিষয়টি বিভক্ত করে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
প্রথম অনুচ্ছেদ : হজে প্রতিপালকের সান্নিধ্যে রাসূলুল্লাহর ﷺ
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: উম্মতের সাথে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আচার-অবস্থা।
তৃতীয় অনুচ্ছেদ : হজে পরিবার পরিজনদের মাঝে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর
এ-পুস্তকটি যেন হজ ও ওমরাকারীদের উপকারে আসে সে জন্য আল্লাহর কাছে রইল আমার প্রার্থনা। রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আনুগত্য ও অনুসরণে আগ্রহী ব্যক্তিরাও যেন এ বইটি থেকে উপকৃত হতে পারেন সে জন্যও কামনা করছি আল্লাহর সাহায্য। মিনতি করছি আল্লাহ যেন এ ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা কবুল করেন। নিশ্চয় তিনি অধিক শ্রবণকারী ও প্রার্থনা কবুলকারী ।
পরিশেষে হৃদয়ের গভীর থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি তাঁদের যাদের সহযোগিতা না হলে বইটি বর্তমান আকৃতি পেতো না। তাদের সবার জন্য আমার পক্ষ থেকে রইল ঐকান্তিক জিকির">দোয়া।
‘‘রাসূলﷺ তোমাদেরকে যা কিছু দিয়েছেন তা ধরো, এবং যা কিছু থেকে বারণ করেছেন তা থেকে বিরত হও।’’ পবিত্র কোরআনের এ বাণীতে আল্লাহ পাক তাঁর রাসূলের আনুগত্য অবধারিত করে দিয়েছেন। রাসূলুল্লাহ ﷺ এর উত্তম আদর্শের অনুকরণের তাগিদ করে তিনি বলেছেন:
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لِمَنْ كَانَ يَرْجُو اللَّهَ وَالْيَوْمَ الْآَخِرَ وَذَكَرَ اللَّهَ كَثِيرًا
‘‘ রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জীবনীতে তোমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ, যারা আল্লাহ ও পরকালে আশান্বিত ও আল্লাহকে স্মরণ করে প্রচুর’’ শুধু তাই নয় বরং রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আনুগত্যকে তাঁর ভালোবাসা প্রাপ্তি ও পাপ মোচনের শর্তরূপে প্রতিষ্ঠা করেছেন:
قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ
‘‘ বলো, আল্লাহকে যদি তোমরা ভালোবেসে থাকো তাহলে আমার আনুগত্য করো; আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন, ও তোমাদের পাপ মোচন করে দেবেন ।’’ রাসূলের আনুগত্য প্রকৃত অর্থে আল্লাহরই আনুগত্য, এ-বিষয়টি পবিত্র কোরআনে অত্যন্ত উজ্জ্বলভাবে ব্যক্ত হয়েছে:
مَنْ يُطِعِ الرَّسُولَ فَقَدْ أَطَاعَ اللَّهَ وَمَنْ تَوَلَّى فَمَا أَرْسَلْنَاكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًا
‘‘যে ব্যক্তি রাসূলের আনুগত্য করল সে অবশ্যই আল্লাহর আনুগত্য করল, আর যে অবাধ্য হলো আমি তোমাকে তার ওপর রক্ষী হিসেবে প্রেরণ করিনি’’ রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আনুগত্যকারীকে প্রচুর ছোয়াবে ভূষিত করবেন বলেও আল্লাহ ঘোষণা দিয়েছেন।
وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَالرَّسُولَ فَأُولَئِكَ مَعَ الَّذِينَ أَنْعَمَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ مِنَ النَّبِيِّينَ وَالصِّدِّيقِينَ وَالشُّهَدَاءِ وَالصَّالِحِينَ وَحَسُنَ أُولَئِكَ رَفِيقًا
‘‘যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করবে- নবী, সত্যনিষ্ঠ, শহীদ ও সৎকর্মপরায়ণ; যাদের প্রতি আল্লাহ অনুকম্পা করেছেন-তারা তাদের সঙ্গী হবে, আর সঙ্গী হিসেবে তারা কতই না উত্তম’’
হজ ইসলামের একটি অন্যতম ইবাদত যেখানে রাসূলুল্লাহর আনুগত্য বিমূর্ত আকারে দৃষ্টিগ্রাহ্য হয়। আলেমে দ্বীন ও জ্ঞান অন্বেষীদের অনেকেই হজ পালনে হাজিদের ভুলত্রুটির বিষয়টি আলোচনায় এনেছেন, কীভাবে হজ বিশুদ্ধ হয় অথবা বাতিল হয়ে যায় সেগুলোও গুরুত্ব পেয়েছে। ফলে এক্ষেত্রে ত্রুটি এড়াতে অনেকটা সফলতা এসেছে। বিকশিত হয়েছে এই মহান পুণ্য কৃত্য বিষয়ে জ্ঞান প্রচারের কার্যক্রমও। তবে, হজ পালনকালে রাসূলুল্লাহর নান্দনিক আচরণ-অবস্থা -- যার অনবদ্য প্রকাশ ঘটেছে আল্লাহর সাথে নিগূঢ় সম্পর্ক চর্চায়, উম্মত ও স্বজনদের সাথে ওঠা-বসায়- এখনও ততটা যত্ন পায়নি। নিম্নবর্ণিত কয়েকটি কারণে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের দাবি রাখে বলে আমি মনে করি।
-এ বিষয়টির অধ্যয়ন, অনুধাবন ও বাস্তবায়ন হজের তাৎপর্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে চেতনা সৃষ্টি করে, দাসত্ব চর্চায় উৎকর্ষের স্পর্শ পাইয়ে দেয়।
- হজে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আচার-অবস্থা প্রচুর সংখ্যক মুসলমানের কাছেই অজানা। তাদের গুরুত্বের বিষয় কেবল হজে পালনীয় অনুষ্ঠানাদির হুকুম- আহকাম মসলা-মাসায়েল সম্পর্কে ধারণা অর্জন।
- হজে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আচার-অবস্থা এমন কিছু অর্থ-বোধ-উদ্দেশকে ধারণ করে আছে যা , এমনকী, সুন্নত বিষয়ে গবেষণা ও আমলকারীদের কাছেও অজ্ঞাত ও প্রয়োগ থেকে বিলুপ্ত।
- হজের বিশেষ একটি মেজাজ ও ধরন রয়েছে যেখানে রাসূলুল্লাহ ﷺ নানা পর্যায়ের মানুষের সংস্পর্শে এসেছেন, তিনি এমন অনেকেরই দেখা পেয়েছেন, এত নিবিড়ভাবে তাঁর সঙ্গ দেয়ার সুযোগ ইতিপূর্বে যাদের ভাগ্যে জোটেনি অথবা আদৌ তাঁর সংস্পর্শে আসার সুযোগ যাদের হয়নি। হজে, তাই, রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আচার-অবস্থার এমন কিছু দিক শামিল রয়েছে যেগুলোর সাক্ষাৎ অন্য কোথাও মিলে না।
- রাসূলুল্লাহ ﷺ এর স্ত্রী-গণ সকলেই এবং স্বজনদের দুর্বল লোকেরা হজে রাসূলুল্লাহর সঙ্গী ছিলেন; যার ফলে তাদের সাথে আচার-আচরণের এমন কিছু দিক উজ্জ্বলতা পেয়েছে যা ইতিপূর্বে আর কোথাও পায় নি।
এটাই ছিল আমার মূল প্রেরণা। এখানে আমি চেষ্টা করেছি হজ পালনাবস্থায় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আচার-অবস্থা সম্পর্কে একটা পরিপূর্ণ চিত্র আঁকার। যাতে রাসূলুল্লাহর পদাঙ্ক অনুকরণে আগ্রহী ও তাঁর আদর্শ অনুসরণে প্রাণিত ব্যক্তি সহজেই পথের সন্ধান পেয়ে যায়। রাসূলুল্লাহর ﷺ এর হজের বর্ণনা-সংবলিত পুস্তক যেহেতু প্রচুর তাই সে দিকে না গিয়ে কিছু নমুনা ও অন্যান্য দিক সংক্রান্ত কিছু ইঙ্গিত উল্লেখ করেই বিষয়টির উপসংহারে আসার প্রয়াস পেয়েছি। অন্যথায় এত ছোট পরিসরে এ-সুবিস্তৃত বিষয়টিকে সংকুচিত করে উল্লেখ করা সম্ভব নয়।
বিভিন্ন দিক একসাথে করে, সাবলীল ও সহজবোধ্য ধারাবাহিকতায় পেশ করার উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে তিনটি অনুচ্ছেদে বিষয়টি বিভক্ত করে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
প্রথম অনুচ্ছেদ : হজে প্রতিপালকের সান্নিধ্যে রাসূলুল্লাহর ﷺ
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: উম্মতের সাথে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আচার-অবস্থা।
তৃতীয় অনুচ্ছেদ : হজে পরিবার পরিজনদের মাঝে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর
এ-পুস্তকটি যেন হজ ও ওমরাকারীদের উপকারে আসে সে জন্য আল্লাহর কাছে রইল আমার প্রার্থনা। রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আনুগত্য ও অনুসরণে আগ্রহী ব্যক্তিরাও যেন এ বইটি থেকে উপকৃত হতে পারেন সে জন্যও কামনা করছি আল্লাহর সাহায্য। মিনতি করছি আল্লাহ যেন এ ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা কবুল করেন। নিশ্চয় তিনি অধিক শ্রবণকারী ও প্রার্থনা কবুলকারী ।
পরিশেষে হৃদয়ের গভীর থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি তাঁদের যাদের সহযোগিতা না হলে বইটি বর্তমান আকৃতি পেতো না। তাদের সবার জন্য আমার পক্ষ থেকে রইল ঐকান্তিক জিকির">দোয়া।