১
হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নান্দনিক আচরণ
লেখকঃ ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
হজে প্রতিপালকের সান্নিধ্যে রাসূলুল্লাহ ﷺ
আল্লাহর সাথে সম্পর্কের বিশালতা, আত্মীয়তার গভীরতা তাকওয়াধারীদের অমূল্য সম্পদ, ইবাদতকারীদের কাঙ্ক্ষিত মূলধন। আর হজ, এ তাকওয়া পরিচর্চার এক রূপময় কর্মশালা, দাসত্ব শেখার এক সমৃদ্ধ পাঠশালা- যেখানে দৃঢ়তা পায় আল্লাহর সাথে বান্দার সংশ্লিষ্টতা; উবুদিয়াতের নানা স্তরে বিচরণের অভিজ্ঞতায় যেখানে সিক্ত হয় মানুষের মন; আল্লাহর সামনে হীনতা দীনতা প্রকাশের নানা স্টেশনে ঘুরে ঘুরে উজ্জ্বলতা পায় হৃদয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ - যিনি তার প্রতিপালকের দাসত্ব চর্চায় ছিলেন সর্বোচ্চ শিখরে ,সম্পর্কের গভীরতায় , ও দৃঢ়তায় সর্বাগ্রে- বিচিত্র ভূমিকায় নিজেকে উন্মীলিত করলেন পবিত্র হজে। তিনি হাজিদেরকে শিখালেন, নেতৃত্ব দিলেন, স্ত্রীদের যত্ন নিলেন, তাঁদের অভাব-অভিযোগের খেয়াল রাখলেন, পরিবার ভুক্তদের এহসান করলেন, ধৈর্য ধরলেন। তবে এ সবকিছুই করলেন স্রষ্টার সাথে তাঁর সম্পর্কের সর্বোচ্চ দাবি যথার্থভাবে পূরণ করেই এবং তার উষ্ণতা ও সার্বক্ষণিক বর্তমানতায় সামান্যতম বিঘ্ন না ঘটিয়েই।
যদি প্রতিপালকের সামনে রাসূলুল্লাহর হীনতা দীনতা প্রকাশের বৈচিত্র্যময় প্রকাশের সবকটি ধারার বর্ণনা এখানে দিতে যাই, তাহলে লেখাটি দখল করবে বিস্তৃত পরিসর। তাই সমধিক গুরুত্বপূর্ণগুলোর উল্লেখই উত্তম বলে মনে করে সেদিকেই নজর দিলাম।
যদি প্রতিপালকের সামনে রাসূলুল্লাহর হীনতা দীনতা প্রকাশের বৈচিত্র্যময় প্রকাশের সবকটি ধারার বর্ণনা এখানে দিতে যাই, তাহলে লেখাটি দখল করবে বিস্তৃত পরিসর। তাই সমধিক গুরুত্বপূর্ণগুলোর উল্লেখই উত্তম বলে মনে করে সেদিকেই নজর দিলাম।