১
হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নান্দনিক আচরণ
লেখকঃ ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৯
গম্ভীর ভাব ও বেশবিন্যাস
তিনি হজ্বে - যেমন হজ্বের বাইরে- দেহ-সৌষ্ঠব, ও বেশভূষার প্রতি যত্নবান ছিলেন ; এমনকী তার চেয়ে সুন্দর আর কাউকে দেখা যায় নি। তিনি তাঁর পবিত্র কেশের যত্ন নিয়েছেন। চুল যাতে উড়ন্ত অবস্থায় না থাকে তার ব্যবস্থা করেছেন। ইহরাম বাঁধা ও হালাল হওয়ার জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করেছেন। ইহরামের পূর্বে গোসল করেছেন । মক্কায় প্রবেশের পূর্বেও গোসল করেছেন।
তিনি গুরুগম্ভীর ও ভারিক্কি ছিলেন। চালচলনে যা অনুচিত তা তিনি কখনো করেন নি। তাইতো তিনি ছিলেন সবার ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার পাত্র । হারেস ইবনে আমর আস্সুহামী (রা) এর কথায় এর প্রমাণ মিলে, তিনি বলেন :‘‘ মিনা অথবা আরাফায় আমি রাসূলুল্লাহর r কাছে এলাম, মানুষ তাকে ঘিরে আছে : ‘বেদুইনরা আসে’ -- তিনি বলেন-- এবং তাঁর চেহারার প্রতি দৃষ্টি পড়তেই বলে ওঠে : ‘এটি বরকতময় চেহারা।’
অতঃপর আপনি আপনার বহিরদৃশ্য ও কান্তির ব্যাপারে যত্নবান হোক। লজ্জার আবরণে নিজেকে মুড়িয়ে নিন। গুরুগম্ভীর ভাব বাজায় রাখুন। বেশি হাসি-ঠাট্টা থেকে বিরত থাকুন। এরূপ করাতে মানুষের কাছে আপনার গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে আপনার কথা ও বক্তব্যে মনোযোগ দেয়ার মাত্রাও তাদের বেড়ে যাবে।
হজ্বে মানুষের সাথে আচরণে রাসূলুল্লাহ rএর আদর্শগত পরিপূর্ণতার কিছু উদাহরণ ওপরে উল্লেখিত হলো যা মানুষকে তার কাছে টেনে এনেছে। তাদের হৃদয়রাজ্যে শ্রদ্ধার আসন পাততে সহায়তা করেছে। তাদের শ্রদ্ধা-ভক্তি কুড়িয়ে এনেছে। অতঃপর আপনার উচিত তাঁর আনুগত্যে ঐকান্তিক হওয়া। তাঁর নির্দেশ বাস্তবায়নে সদা প্রস্ত্তত থাকা।
যারা ধর্মীয় ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে চান তাদের এই চরিত্র-মাধুরীতে সুসজ্জিত হওয়া ব্যতীত অন্য কোনো গত্যন্তর নেই। নবীদের চরিত্রে নিজেদেরকে চরিত্রবান না করলে প্রতিষ্ঠা, গ্রহণযোগ্যতা কোনটাই পাওয়া সম্ভব নয়।
তিনি গুরুগম্ভীর ও ভারিক্কি ছিলেন। চালচলনে যা অনুচিত তা তিনি কখনো করেন নি। তাইতো তিনি ছিলেন সবার ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার পাত্র । হারেস ইবনে আমর আস্সুহামী (রা) এর কথায় এর প্রমাণ মিলে, তিনি বলেন :‘‘ মিনা অথবা আরাফায় আমি রাসূলুল্লাহর r কাছে এলাম, মানুষ তাকে ঘিরে আছে : ‘বেদুইনরা আসে’ -- তিনি বলেন-- এবং তাঁর চেহারার প্রতি দৃষ্টি পড়তেই বলে ওঠে : ‘এটি বরকতময় চেহারা।’
অতঃপর আপনি আপনার বহিরদৃশ্য ও কান্তির ব্যাপারে যত্নবান হোক। লজ্জার আবরণে নিজেকে মুড়িয়ে নিন। গুরুগম্ভীর ভাব বাজায় রাখুন। বেশি হাসি-ঠাট্টা থেকে বিরত থাকুন। এরূপ করাতে মানুষের কাছে আপনার গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে আপনার কথা ও বক্তব্যে মনোযোগ দেয়ার মাত্রাও তাদের বেড়ে যাবে।
হজ্বে মানুষের সাথে আচরণে রাসূলুল্লাহ rএর আদর্শগত পরিপূর্ণতার কিছু উদাহরণ ওপরে উল্লেখিত হলো যা মানুষকে তার কাছে টেনে এনেছে। তাদের হৃদয়রাজ্যে শ্রদ্ধার আসন পাততে সহায়তা করেছে। তাদের শ্রদ্ধা-ভক্তি কুড়িয়ে এনেছে। অতঃপর আপনার উচিত তাঁর আনুগত্যে ঐকান্তিক হওয়া। তাঁর নির্দেশ বাস্তবায়নে সদা প্রস্ত্তত থাকা।
যারা ধর্মীয় ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে চান তাদের এই চরিত্র-মাধুরীতে সুসজ্জিত হওয়া ব্যতীত অন্য কোনো গত্যন্তর নেই। নবীদের চরিত্রে নিজেদেরকে চরিত্রবান না করলে প্রতিষ্ঠা, গ্রহণযোগ্যতা কোনটাই পাওয়া সম্ভব নয়।