১
হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নান্দনিক আচরণ
লেখকঃ ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫২
১২- স্বজনদের প্রতি এহসান
পরিবারের সদস্যদের প্রতি রাসূলুল্লাহ r এর এহসান বিচিত্র ধারায় প্রকাশ পেয়েছে। ভেবে দেখলে মনে হবে তাদের সাথে রাসূলুল্লাহর সকল আচরণ ছিল ইহসান ও মহানুভবতাশ্রিত। স্বজনদের মাঝে রাসূলুল্লা r কে যেদিক থেকেই দেখা যাবে সেদিকেই উজ্জ্বল হয়ে ধরা পড়বে তাঁর দান, অনুগ্রহ , উদারতা। এর প্রমাণ বহু, তন্মধ্যে কয়েকটি হলো নিম্নরূপ:
পরিবারের সকল সদস্যই তাঁর r সাথে হজ্ব করুক এ-আগ্রহও এ পর্যায়েরই একটি প্রমাণ। এমনকী তাদের মধ্যে কেউ যেতে মনস্থির না করলেও রাসূলুল্লাহ r বুঝিয়ে প্রস্ত্তত করেছেন। যাবাআর (রা) কাহিনি এরই দলিল বহন করছে, রাসূলূল্লাহ r তার ওখানে গেলেন এবং বললেন: ‘‘হজ্ব করতে কি ইচ্ছা করেছ ? তিনি বললেন : আমিতো নিজেকে ব্যথাগ্রস্ত পাচ্ছি। রাসূলুল্লাহ r তাকে বললেন : হজ্ব করো এবং শর্ত করে বলো :‘‘ হে আল্লাহ ! যেখানে তুমি আমাকে ঠেকিয়ে দিবে সেখানেই হবে আমার হালাল হওয়ার জায়গা’’।
হজে রাসূলুল্লাহ r তাঁর সকল স্ত্রীদের (রা) সঙ্গে নিয়ে আসেন। এ-বিষয়টি স্ব-পরিবারের প্রতি এহসানের অতি উজ্জ্বল উদাহরণ। কেননা তাঁদের কাউকে না নিয়ে আসলেও পারতেন অথবা লটারি দিয়ে যার নাম ওঠে কেবল তাকেই নিয়ে আসতে পারতেন, কিন্তু এরূপ না করে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই তিনি বের হলেন।
চাচাতো ভাই ফযল ইবনে আববাসকে (রা) সহ-আরোহী করে নিয়ে মুযদালিফা থেকে মিনায় যাওয়া একই পর্যায়ে পড়ে।
বলার আগেই স্ত্রী গণের পক্ষ থেকে কোরবানি করা, একই ধারাবাহিকতার ঘটনা। তিনি r তাঁদের পক্ষ থেকে গরু কোরবানি করেছিলেন।
মানবিক মহানুভবতা ও পূর্ণতার এ এক মহান দিক। এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ r বলেছেন: ‘‘তোমাদের মধ্যে সেই উত্তম যে তার পরিবারের কাছে উত্তম, আর আমি আমার পরিবারের কাছে উত্তম।’’ এহসানের আকার-প্রকারের কোন শেষ নেই , তবে এর সর্বোত্তমটি হলো এমন বিষয়ে এহসান করা যা তাদেরকে আল্লাহর সন্তুষ্টির স্পর্শে নিয়ে যায়। এজন্যই মানুষদেরকে ব্যাপক ও সাধারণভাবে আহবানের নির্দেশের পাশাপাশি স্বজনদেরকে ইসলামের দিকে আহবান করতে বিশেষভাবে নির্দেশ দিয়েছেন আল্লাহ তা’লা। তিনি বলেছেন :‘‘ সতর্ক করো তোমার নিকট আত্মীয়দেরকে,’’ তাই, ধর্মীয় ও পার্থিব উভয় প্রকার এহসানের দাবিদার হলো আপনার আত্মীয় ও স্বজনেরা। এ ক্ষেত্রে রাসূলের সুন্নত বাস্তবায়ন করুন - উত্তম প্রতিদান পাবেন, এর বরকত, আজ হোক কাল হোক , নিশ্চয়ই ধরা পড়বে আপনার নিজের চোখেই।
পরিবারের সকল সদস্যই তাঁর r সাথে হজ্ব করুক এ-আগ্রহও এ পর্যায়েরই একটি প্রমাণ। এমনকী তাদের মধ্যে কেউ যেতে মনস্থির না করলেও রাসূলুল্লাহ r বুঝিয়ে প্রস্ত্তত করেছেন। যাবাআর (রা) কাহিনি এরই দলিল বহন করছে, রাসূলূল্লাহ r তার ওখানে গেলেন এবং বললেন: ‘‘হজ্ব করতে কি ইচ্ছা করেছ ? তিনি বললেন : আমিতো নিজেকে ব্যথাগ্রস্ত পাচ্ছি। রাসূলুল্লাহ r তাকে বললেন : হজ্ব করো এবং শর্ত করে বলো :‘‘ হে আল্লাহ ! যেখানে তুমি আমাকে ঠেকিয়ে দিবে সেখানেই হবে আমার হালাল হওয়ার জায়গা’’।
হজে রাসূলুল্লাহ r তাঁর সকল স্ত্রীদের (রা) সঙ্গে নিয়ে আসেন। এ-বিষয়টি স্ব-পরিবারের প্রতি এহসানের অতি উজ্জ্বল উদাহরণ। কেননা তাঁদের কাউকে না নিয়ে আসলেও পারতেন অথবা লটারি দিয়ে যার নাম ওঠে কেবল তাকেই নিয়ে আসতে পারতেন, কিন্তু এরূপ না করে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই তিনি বের হলেন।
চাচাতো ভাই ফযল ইবনে আববাসকে (রা) সহ-আরোহী করে নিয়ে মুযদালিফা থেকে মিনায় যাওয়া একই পর্যায়ে পড়ে।
বলার আগেই স্ত্রী গণের পক্ষ থেকে কোরবানি করা, একই ধারাবাহিকতার ঘটনা। তিনি r তাঁদের পক্ষ থেকে গরু কোরবানি করেছিলেন।
মানবিক মহানুভবতা ও পূর্ণতার এ এক মহান দিক। এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ r বলেছেন: ‘‘তোমাদের মধ্যে সেই উত্তম যে তার পরিবারের কাছে উত্তম, আর আমি আমার পরিবারের কাছে উত্তম।’’ এহসানের আকার-প্রকারের কোন শেষ নেই , তবে এর সর্বোত্তমটি হলো এমন বিষয়ে এহসান করা যা তাদেরকে আল্লাহর সন্তুষ্টির স্পর্শে নিয়ে যায়। এজন্যই মানুষদেরকে ব্যাপক ও সাধারণভাবে আহবানের নির্দেশের পাশাপাশি স্বজনদেরকে ইসলামের দিকে আহবান করতে বিশেষভাবে নির্দেশ দিয়েছেন আল্লাহ তা’লা। তিনি বলেছেন :‘‘ সতর্ক করো তোমার নিকট আত্মীয়দেরকে,’’ তাই, ধর্মীয় ও পার্থিব উভয় প্রকার এহসানের দাবিদার হলো আপনার আত্মীয় ও স্বজনেরা। এ ক্ষেত্রে রাসূলের সুন্নত বাস্তবায়ন করুন - উত্তম প্রতিদান পাবেন, এর বরকত, আজ হোক কাল হোক , নিশ্চয়ই ধরা পড়বে আপনার নিজের চোখেই।