১
হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নান্দনিক আচরণ
লেখকঃ ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৭
৭- পরিবারের সদস্যদেরকে অনাচার থেকে বারণ
রাসূলুল্লাহ r সব সময়ই এ-বিষয়ে যত্নবান ছিলেন যে তাঁর পরিবারের সদস্যরা কিছুতেই যেন কোনো অনাচারে জড়িত না হয়, সে বিষয়ে রাসূলুল্লাহ r সবসময়ই যত্নবান ছিলেন। তাই তাদের কেউ যখন কোনো মুনকারে জড়িয়ে যাওয়ার উপক্রম করতেন তিনি r সাথে সাথে তাকে বারণ করতেন। যেমন ফযল ইবনে আববাসকে (রা) নারীর প্রতি দৃষ্টি দেয়া থেকে বারণ করেছেন।
স্বীয় আলে বায়তকে রাসূল্লাহ r মানুষের জন্য আদর্শরূপে দাঁড় করিয়েছেন। তিনি আরাফায় বক্তৃতার সময় অন্যদের কাছে স্বীয় পরিবারভুক্তদের প্রাপ্য সুদ ও অন্যায়ভাবে নিহত হয়ে যাওয়া ব্যক্তির প্রতিশোধ বাতিল করে দিয়ে এ ক্ষেত্রে একটি উজ্জ্বল উদাহরণ স্থাপন করেছেন।
বর্তমান যুগে পাপাচার বেড়ে গেছে দারুণভাবে যা হয়তো ব্যক্তির হজ্বকে ধ্বংস করে দেয় অথবা এর পূর্ণতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে মহিলাদের কিছু কিছু কদাচার; যেমন পর্দাহীনতা, ও পুরুষদের ভিরে মিশে যাওয়া ইত্যাদি। তাই আল্লাহ ওই ব্যক্তিকে রহম করুন যে তার পরিবার সংক্রান্ত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে, এবং স্বীয় আহলে বায়তকে পাপ কর্মে জড়িয়ে যাওয়া থেকে হিফাযত করে। তাদেরকে সৎকাজ করতে নির্দেশ দেয় ও অসৎ কাজ থেকে বারণ করে।
স্বীয় আলে বায়তকে রাসূল্লাহ r মানুষের জন্য আদর্শরূপে দাঁড় করিয়েছেন। তিনি আরাফায় বক্তৃতার সময় অন্যদের কাছে স্বীয় পরিবারভুক্তদের প্রাপ্য সুদ ও অন্যায়ভাবে নিহত হয়ে যাওয়া ব্যক্তির প্রতিশোধ বাতিল করে দিয়ে এ ক্ষেত্রে একটি উজ্জ্বল উদাহরণ স্থাপন করেছেন।
বর্তমান যুগে পাপাচার বেড়ে গেছে দারুণভাবে যা হয়তো ব্যক্তির হজ্বকে ধ্বংস করে দেয় অথবা এর পূর্ণতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে মহিলাদের কিছু কিছু কদাচার; যেমন পর্দাহীনতা, ও পুরুষদের ভিরে মিশে যাওয়া ইত্যাদি। তাই আল্লাহ ওই ব্যক্তিকে রহম করুন যে তার পরিবার সংক্রান্ত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে, এবং স্বীয় আহলে বায়তকে পাপ কর্মে জড়িয়ে যাওয়া থেকে হিফাযত করে। তাদেরকে সৎকাজ করতে নির্দেশ দেয় ও অসৎ কাজ থেকে বারণ করে।