১
হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নান্দনিক আচরণ
লেখকঃ ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৪
৪- ইবাদত ও আনুগত্য চর্চায় উৎসাহ দান
রাসূলুল্লাহ r তাঁর পরিবারের সদস্যদেরকে ইবাদত ও আনুগত্য যথাযথভাবে পালন করার প্রতি উৎসাহ দিতেন। ভালো ও পুণ্যকীর্তি আহরণের জন্য তিনি তাদের প্রেরণা জোগাতেন। এর একটি উদাহরণ: তিনি যখন তাঁর চাচাতো ভাইদের কাছ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন -যারা যমযম কূপ থেকে পানি ওঠাচ্ছিলেন এবং মানুষদেরকে পান করাচ্ছিলেন- তাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন :‘‘ আব্দুল মুত্তালেবের সন্তানরা তোমরা পানি উঠাও! মানুষ তোমাদের ওপর প্রচন্ড ভির করবে এ-ভয় না হলে আমিও তোমাদের সাথে পানি ওঠাতাম। অন্য এক বর্ণনায় তোমরা কাজ করে যাও, নিশ্চয় তোমরা ভালো কাজ করছ। মানুষেরা প্রচন্ড ভির করবে এ-ভয় না হলে আমি তোমাদের সাথে পানি ওঠাতাম এবং এখানে - তিনি তাঁর পবিত্র গ্রীবার দিকে ইশারা করলেন- রশি রাখতাম। পানি পান করানোর কাজ যাতে সহজভাবে করা যায় সেজন্য তিনি তাদের সুযোগও করে দিতেন : হযরত আববাসকে (রা) তিনি মিনার রাতগুলো মক্কায় যাপনের অনুমতি দিলেন হাজ্বীদেরকে পানি পান করানোর প্রয়োজনে।
হজ্ব ,এহসানের এক বড়ো দরজা। পুণ্যকর্মের মৌসুম। দুর্বল অসহায়দের সংখ্যাও সেখানে প্রচুর। তাই যদি আপনি পুণ্যকর্ম বাড়াতে চান, সৎকর্ম দিয়ে আপনার পাল্লা ভারী করতে চান তা হলে হাজ্বীদের প্রতি এহসান করুন। আপনার পরিবারের সদস্যদেরকে সৎকর্ম বিষয়ে দীক্ষিত করে তুলুন। পুণ্যকীর্তিসমূহ তাদের দেখিয়ে দিন। ভালো কাজ যেন তারা করতে পারে সে জন্য সুযোগ করে দিন। প্রয়োজনগ্রস্তদের প্রয়োজনে এগিয়ে আসতে তাদেরকে উৎসাহিত করুন। রাসূলুল্লাহ r বলেন : যে ব্যক্তি কাউকে কোনো হিদায়েত তথা ভাল কাজের প্রতি ডাকবে, সে অনুসারে আমল করবে তাদের ছোয়াবের মতোই সে ছোয়াব পাবে, অথচ মূল আমলকারীদের ছোয়াবের কোনো অংশই কমবে না । অন্য এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ r বলেছেন : ‘‘যে ব্যক্তি কোনো ভালো কাজের পথ দেখায় সে পুণ্যকর্মার তুল্যই ছোয়াব পায়।’’ গোমরাহী বা পথ-বিচ্যুত হতে কখনো তাদের উৎসাহ জোগাবেন না, অথবা কোনো পাপ কর্মের উপদেশ তাদেরকে দিবেন না। অথবা কোনো মুনকারের সাথে জড়িত হতে তাদেরকে সহায়তা দিবেন না। রাসূলুল্লাহ r এমর্মে সতর্ক করে বলেছেন: যে ব্যক্তি কোনো গোমরাহীর দিকে ডাকে সে পাপকারীদের গোনাহের তুল্য গোনাহের ভাগী হয়। আর এতে তাদের গোনাহের কোনো অংশ কমে না।’’
হজ্ব ,এহসানের এক বড়ো দরজা। পুণ্যকর্মের মৌসুম। দুর্বল অসহায়দের সংখ্যাও সেখানে প্রচুর। তাই যদি আপনি পুণ্যকর্ম বাড়াতে চান, সৎকর্ম দিয়ে আপনার পাল্লা ভারী করতে চান তা হলে হাজ্বীদের প্রতি এহসান করুন। আপনার পরিবারের সদস্যদেরকে সৎকর্ম বিষয়ে দীক্ষিত করে তুলুন। পুণ্যকীর্তিসমূহ তাদের দেখিয়ে দিন। ভালো কাজ যেন তারা করতে পারে সে জন্য সুযোগ করে দিন। প্রয়োজনগ্রস্তদের প্রয়োজনে এগিয়ে আসতে তাদেরকে উৎসাহিত করুন। রাসূলুল্লাহ r বলেন : যে ব্যক্তি কাউকে কোনো হিদায়েত তথা ভাল কাজের প্রতি ডাকবে, সে অনুসারে আমল করবে তাদের ছোয়াবের মতোই সে ছোয়াব পাবে, অথচ মূল আমলকারীদের ছোয়াবের কোনো অংশই কমবে না । অন্য এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ r বলেছেন : ‘‘যে ব্যক্তি কোনো ভালো কাজের পথ দেখায় সে পুণ্যকর্মার তুল্যই ছোয়াব পায়।’’ গোমরাহী বা পথ-বিচ্যুত হতে কখনো তাদের উৎসাহ জোগাবেন না, অথবা কোনো পাপ কর্মের উপদেশ তাদেরকে দিবেন না। অথবা কোনো মুনকারের সাথে জড়িত হতে তাদেরকে সহায়তা দিবেন না। রাসূলুল্লাহ r এমর্মে সতর্ক করে বলেছেন: যে ব্যক্তি কোনো গোমরাহীর দিকে ডাকে সে পাপকারীদের গোনাহের তুল্য গোনাহের ভাগী হয়। আর এতে তাদের গোনাহের কোনো অংশ কমে না।’’