১
হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নান্দনিক আচরণ
লেখকঃ ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫০
১০- পরিবারের লোকদের প্রতি লক্ষ্য রাখা ও সান্ত্বনা দেয়া
রাসূলুল্লাহ r তাঁর পরিবারের সদস্যদের মানসিক অবস্থার প্রতি লক্ষ্য রাখতেন। আল্লাহর সন্তুষ্টির উল্টো পথবর্তী না হলে তাদের ইচ্ছা পূরণে তিনি এগিয়ে আসতেন। কোন বিষয়ে তাদের ইচ্ছা পূরণ সম্ভব না হলে তাদেরকে সান্ত্বনা দিতেন। হজ্বে্ এর একটি বিমূর্ত উদাহরণ হলো রাসূলুল্লাহ r হযরত আয়েশাকে একদা কাঁদতে দেখলেন; কারণ তিনি ঋতুবতী হয়ে যাওয়ার কারণে ওমরা আদায় থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। রাসূলুল্লাহ r তাঁকে সান্ত্বনা দিলেন, বললেন এতে তোমার কোন ক্ষতি নেই , কেননা তুমি তো আদমের মেয়েদেরই একজন। আল্লাহ তোমার জন্য ঠিক একই নিয়ম নির্ধারণ করেছেন যা করেছেন তাদের জন্য। হজ্ব চালিয়ে যাও আল্লাহ হয়তো ওটারও সুযোগ করে দিবেন। হযরত আয়েশা যখন বললেন, য়্যা রাসূলুল্লাহ ! আমার সঙ্গিনীরা একটি হজ্ব ও একটি ওমরা নিয়ে ফিরে যাবে আর আমি শুধুই হজ্ব নিয়ে ! রাসূলুল্লাহ r আব্দুর রহমান ইবনে আবুবকর (রা) কে নির্দেশ দিলেন তানঈমে নিয়ে যেতে, অতঃপর তিনি সেখান থেকে ওমরার উদ্দেশে তালবিয়া পড়লেন। অন্য এক বর্ণনা মতে রাসূলুল্লাহ r হযরত আয়েশাকে বললেন : ‘‘তোমার তোয়াফ, হজ্ব ও ওমরা, উভয়টার জন্যই যথেষ্ট। হযরত আয়েশা নিজেকে রাজি করাতে পারলেন না। রাসূলুল্লাহ r হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আবুবকর (রা) কে বললেন হযরত আয়েশাকে নিয়ে তানঈমে যেতে। আর তিনি সেখান থেকে হজ্বের পর ওমরা করলেন।’’
আজকের দিনে, স্ত্রীদের-স্বজনদের বিষয়ে, রাসূলr এর এ-আদর্শের অনুসরণ করছে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়াই কঠিন; সাম্প্রতিককালের অধিকাংশ মানুষ বরং দুই প্রান্তিকতার একটিতে স্থির হয়ে বসে গেছে-
এক. যারা স্ত্রী সন্তানের কামনা-বাসনা পাইয়ে দেয়াই নিজেদের জীবনের একমাত্র ব্রত হিসেবে সাব্যস্ত করে নিয়েছে। আল্লাহর সন্তুষ্টি, পছন্দ অপছন্দ, যাদের প্রেরণার জগৎ থেকে বিদায় নিয়েছে অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে।
দুই. এর বিপরীতে অন্য আরেক দল রয়েছে যারা স্ত্রী সন্তানের সাথে রূঢ় ও কঠিন আচরণে অভ্যস্ত। বিষণ্ণ চেহারা, কুঞ্চিত-ভ্রূ, রক্তচক্ষু প্রদর্শন যাদের অভ্যাস। দেওয়া-নেয়া, স্ত্রী সন্তানের অভিযোগ শোনা, তাদের সমস্যার সমাধান খোঁজে বের করা, সান্ত্বনা দেয়া, ইচ্ছার মূল্যায়ন ইত্যাদি যাদের কাছে একাবারেই অপরিচিত। পরিজনদের সাথে যাদের সম্পর্কের ধরন হলো কেবলই রূঢ় ও নিষ্ঠুর আদেশ-নিষেধ, দ্রুত কর্ম সম্পাদনের দাবি, অপেক্ষা অথবা ওজর আপত্তির প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শনেই যাদের রয়েছে পরম তৃপ্তি।
আজকের দিনে, স্ত্রীদের-স্বজনদের বিষয়ে, রাসূলr এর এ-আদর্শের অনুসরণ করছে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়াই কঠিন; সাম্প্রতিককালের অধিকাংশ মানুষ বরং দুই প্রান্তিকতার একটিতে স্থির হয়ে বসে গেছে-
এক. যারা স্ত্রী সন্তানের কামনা-বাসনা পাইয়ে দেয়াই নিজেদের জীবনের একমাত্র ব্রত হিসেবে সাব্যস্ত করে নিয়েছে। আল্লাহর সন্তুষ্টি, পছন্দ অপছন্দ, যাদের প্রেরণার জগৎ থেকে বিদায় নিয়েছে অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে।
দুই. এর বিপরীতে অন্য আরেক দল রয়েছে যারা স্ত্রী সন্তানের সাথে রূঢ় ও কঠিন আচরণে অভ্যস্ত। বিষণ্ণ চেহারা, কুঞ্চিত-ভ্রূ, রক্তচক্ষু প্রদর্শন যাদের অভ্যাস। দেওয়া-নেয়া, স্ত্রী সন্তানের অভিযোগ শোনা, তাদের সমস্যার সমাধান খোঁজে বের করা, সান্ত্বনা দেয়া, ইচ্ছার মূল্যায়ন ইত্যাদি যাদের কাছে একাবারেই অপরিচিত। পরিজনদের সাথে যাদের সম্পর্কের ধরন হলো কেবলই রূঢ় ও নিষ্ঠুর আদেশ-নিষেধ, দ্রুত কর্ম সম্পাদনের দাবি, অপেক্ষা অথবা ওজর আপত্তির প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শনেই যাদের রয়েছে পরম তৃপ্তি।