১
হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নান্দনিক আচরণ
লেখকঃ ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৬
ভুলকারীকে ভৎর্সনা না করা
সাহাবাদের মধ্যে যারা ভুল করতেন তাদের প্রতি রাসূলুল্লাহ r কঠিন হতেন না। ভুলকারী জাহেল হলে তাকে শেখানোর চেষ্টা করতেন। ভুল সংশোধনের ব্যাপারে যত্ন নিতেন; কে ভুল করল সে বিষয়ে তিনি গুরুত্ব দিতেন না।’’ এর প্রমাণ :
জনৈক ব্যক্তি - হালাল হতে তার অনিচ্ছাকে ব্যক্ত করতে গিয়ে কিঞ্চিৎ অমার্জিত ভাষায় বলল :‘‘ অতঃপর আরাফায় এ অবস্থায় যাব যে আমাদের শিশ্ন বেয়ে রেত টপকাচ্ছে ’’! কথাটা কে বলল, কী তার পরিচয়? এ সব জানতে তিনি মোটেও আগ্রহ প্রকাশ করেন নি। এর পরিবর্তে তিনি, বরং, সাহাবাদের বুঝাতে সচেষ্ট হলেন এবং তাদের পক্ষে যা উত্তম তা করতে নির্দেশ দিলেন। তিনি বললেন :‘‘ তোমরা জান যে আমি তোমাদের থেকে বেশি আল্লাহকে ভয় করি, তোমাদের থেকে বেশি সত্যবাদী ও সৎকর্মকারী, কোরবানির পশু সঙ্গে না এনে থাকলে আমি হালাল হয়ে যেতাম যেভাবে তোমরা হালাল হচ্ছ; অতঃপর তোমরা হালাল হয়ে যাও, আমি যদি পেছনের দিনগুলোকে সামনে পেতাম, তাহলে কোরবানির পশু সঙ্গে নিয়ে আসতাম না।’’
- খাসআমের যুবতী মহিলার প্রতি তাকানোর অপরাধে ফযল ইবনে আববাসকে ভৎর্সনা না করে ওই দিক থেকে তার চেহারা ঘুরিয়ে দিয়ে ক্ষান্ত হওয়া এ পর্যায়েরই একটি উদাহরণ।
-যে দু’ব্যক্তি তাদের অবতরণস্থলে নামাজ পড়ে এলো এবং জামাতের সাথে নামাজে শরিক হলো না তাদেরকেও ভৎর্সনা করলেন না, বরং তাদের সন্দেহ বিমোচনার্থে তাদের অজ্ঞানতা দূর করেই কেবল ক্ষান্ত হলেন, এবং তাদের পক্ষে যা উত্তম তা করতে নির্দেশ করলেন।
- যে দু’ব্যক্তি কর্মক্ষম ও শক্তিমান হওয়া সত্ত্বেও সদকার সম্পদের ভাগ চাইল তাদের ধমক না দিয়ে এমনভাবে বুঝিয়ে দেন যে তারা স্বেচ্ছায় নিজ উদ্যোগেই তা বর্জন করে, নিঃসন্দেহে এ ঘটনা আচরণের ক্ষেত্রে মহানুভবতারই পরিচায়ক।
জনৈক ব্যক্তি - হালাল হতে তার অনিচ্ছাকে ব্যক্ত করতে গিয়ে কিঞ্চিৎ অমার্জিত ভাষায় বলল :‘‘ অতঃপর আরাফায় এ অবস্থায় যাব যে আমাদের শিশ্ন বেয়ে রেত টপকাচ্ছে ’’! কথাটা কে বলল, কী তার পরিচয়? এ সব জানতে তিনি মোটেও আগ্রহ প্রকাশ করেন নি। এর পরিবর্তে তিনি, বরং, সাহাবাদের বুঝাতে সচেষ্ট হলেন এবং তাদের পক্ষে যা উত্তম তা করতে নির্দেশ দিলেন। তিনি বললেন :‘‘ তোমরা জান যে আমি তোমাদের থেকে বেশি আল্লাহকে ভয় করি, তোমাদের থেকে বেশি সত্যবাদী ও সৎকর্মকারী, কোরবানির পশু সঙ্গে না এনে থাকলে আমি হালাল হয়ে যেতাম যেভাবে তোমরা হালাল হচ্ছ; অতঃপর তোমরা হালাল হয়ে যাও, আমি যদি পেছনের দিনগুলোকে সামনে পেতাম, তাহলে কোরবানির পশু সঙ্গে নিয়ে আসতাম না।’’
- খাসআমের যুবতী মহিলার প্রতি তাকানোর অপরাধে ফযল ইবনে আববাসকে ভৎর্সনা না করে ওই দিক থেকে তার চেহারা ঘুরিয়ে দিয়ে ক্ষান্ত হওয়া এ পর্যায়েরই একটি উদাহরণ।
-যে দু’ব্যক্তি তাদের অবতরণস্থলে নামাজ পড়ে এলো এবং জামাতের সাথে নামাজে শরিক হলো না তাদেরকেও ভৎর্সনা করলেন না, বরং তাদের সন্দেহ বিমোচনার্থে তাদের অজ্ঞানতা দূর করেই কেবল ক্ষান্ত হলেন, এবং তাদের পক্ষে যা উত্তম তা করতে নির্দেশ করলেন।
- যে দু’ব্যক্তি কর্মক্ষম ও শক্তিমান হওয়া সত্ত্বেও সদকার সম্পদের ভাগ চাইল তাদের ধমক না দিয়ে এমনভাবে বুঝিয়ে দেন যে তারা স্বেচ্ছায় নিজ উদ্যোগেই তা বর্জন করে, নিঃসন্দেহে এ ঘটনা আচরণের ক্ষেত্রে মহানুভবতারই পরিচায়ক।