১
হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নান্দনিক আচরণ
লেখকঃ ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৫
৫- আত্মীয় পরিজনের সহায়তা গ্রহণ
রাসূলুল্লাহ r তাঁর আলে বাইতের তথা পরিবারের সদস্যদেরকে কোনো কোনো কাজে প্রতিনিধি করেছেন, আবার কিছু কিছু কাজ তাদেরকে দিয়ে করিয়ে নিয়েছেন। এর প্রমাণ :
* ইহরাম বাধার পূর্বে রাসূলুল্লাহ r হযরত আয়েশাকে (রা) হাদীর জন্তুসমূহের কিলাদা (মালা) পশম দিয়ে বুনোনোর নির্দেশ দিলেন ।
* হযরত ইবনে আববাস (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ r আকাবার দিন সকালে বললেন : আমার জন্য কঙ্কর কুড়াও , অতঃপর আমি তার জন্য সাতটি কঙ্কর কুড়ালাম।
* রাসূলুল্লাহ r হাদীর উটসমূহ জবাই করার সময় অবশিষ্ট কিছু উট জবাই করার দায়িত্ব হযরত আলী (রা) কে দিলেন , কোরবানিকৃত পশুর গোশত চামড়া ও আনুষঙ্গিক জিনিসসমূহ সদকা করে দিতেও তাকে দায়িত্ব দিলেন।
* রাসূলুল্লাহ r তাঁর চাচাতো ভাইদের কাছে পানি পান করতে চাওয়াও এ-পর্যায়ে পড়ে। তিনি তাঁর চাচা আববাস (রা) কে বললেন : আমাকে পানি পান করান অতঃপর তিনি তা থেকে পান করলেন।’’ হযরত ইবনে আববাস (রা) এক বর্ণনায় বলেন : রাসূলুল্লাহ r কে যমযমের পানি পান করালাম, অতঃপর তিনি পান করলেন দাঁড়ানো অবস্থায়।
এর আর একটি উদাহরণ, রাসূলুল্লাহ r এর পবিত্র শরীর ও মাথায় হযরত আয়েশা (রা) কর্তৃক উত্তম আতর মাখিয়ে দেয়া। এই মর্মে হযরত আয়েশা বলেছেন : আমি আমার এই দুই হাত দিয়ে রাসূলুল্লাহ r কে সুগন্ধি মাখাতাম ইহরামের পূর্বে ও হালাল হওয়ার পর তোওয়াফ করার পূর্বে, তিনি তাঁর দু’হাত সম্প্রসারিত করে দেখালেন।’’
যারা স্বজনদেরকে ছেড়ে দূরবর্তী লোকদের সাহায্য প্রার্থনা করেন, তাদের আচরণ যে ভুল রাসূলুল্লাহ r এ আদর্শ সে ইঙ্গিতই বহন করছে। হযরত মূসা (আ) কে আল্লাহর কাছে এই বলে প্রার্থনা করতে দেখা গেছে : ‘‘ আমার পরিবারবর্গের মধ্যে একজনকে আমার সাহায্যকারী বানিয়ে দাও, আমার ভাই হারুনকে; এবং তাকে আমার কর্মে অংশী কর , যাতে তোমার পবিত্রতা কীর্তন করতে পারি প্রচুর, এবং তোমাকে স্মরণ করতে পারি অধিক।’’ লুত যখন তার সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে আসা নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠলেন তিনি তখন তাঁর স্বজনদের সহায়তা পাওয়ার প্রত্যাশায় বললেন :‘‘ আমার যদি তোমাদের বিষয়ে কোনো শক্তি থাকতো , অথবা আমি আশ্রয় নিতে পারতাম একটি সুদৃঢ় স্তম্ভের।’’ অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায় যে আত্মীয়স্বজনের সহায়তা নেয়াই হলো মানব প্রকৃতির আকুতি। দ্রুত কর্ম সম্পাদন ও উদ্দেশ্য অর্জনে সাহায্যকারী। আর যে ব্যক্তি স্বজনদের বিষয়ে উদাসীন, ভালো ও কল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ করতে তাদেরকে উৎসাহ দেয় না। সে তাদের উপকার থেকেও নিজেকে করে বঞ্চিত, ফলে বঞ্চিত হয় প্রভূত কল্যাণ থেকে।
* ইহরাম বাধার পূর্বে রাসূলুল্লাহ r হযরত আয়েশাকে (রা) হাদীর জন্তুসমূহের কিলাদা (মালা) পশম দিয়ে বুনোনোর নির্দেশ দিলেন ।
* হযরত ইবনে আববাস (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ r আকাবার দিন সকালে বললেন : আমার জন্য কঙ্কর কুড়াও , অতঃপর আমি তার জন্য সাতটি কঙ্কর কুড়ালাম।
* রাসূলুল্লাহ r হাদীর উটসমূহ জবাই করার সময় অবশিষ্ট কিছু উট জবাই করার দায়িত্ব হযরত আলী (রা) কে দিলেন , কোরবানিকৃত পশুর গোশত চামড়া ও আনুষঙ্গিক জিনিসসমূহ সদকা করে দিতেও তাকে দায়িত্ব দিলেন।
* রাসূলুল্লাহ r তাঁর চাচাতো ভাইদের কাছে পানি পান করতে চাওয়াও এ-পর্যায়ে পড়ে। তিনি তাঁর চাচা আববাস (রা) কে বললেন : আমাকে পানি পান করান অতঃপর তিনি তা থেকে পান করলেন।’’ হযরত ইবনে আববাস (রা) এক বর্ণনায় বলেন : রাসূলুল্লাহ r কে যমযমের পানি পান করালাম, অতঃপর তিনি পান করলেন দাঁড়ানো অবস্থায়।
এর আর একটি উদাহরণ, রাসূলুল্লাহ r এর পবিত্র শরীর ও মাথায় হযরত আয়েশা (রা) কর্তৃক উত্তম আতর মাখিয়ে দেয়া। এই মর্মে হযরত আয়েশা বলেছেন : আমি আমার এই দুই হাত দিয়ে রাসূলুল্লাহ r কে সুগন্ধি মাখাতাম ইহরামের পূর্বে ও হালাল হওয়ার পর তোওয়াফ করার পূর্বে, তিনি তাঁর দু’হাত সম্প্রসারিত করে দেখালেন।’’
যারা স্বজনদেরকে ছেড়ে দূরবর্তী লোকদের সাহায্য প্রার্থনা করেন, তাদের আচরণ যে ভুল রাসূলুল্লাহ r এ আদর্শ সে ইঙ্গিতই বহন করছে। হযরত মূসা (আ) কে আল্লাহর কাছে এই বলে প্রার্থনা করতে দেখা গেছে : ‘‘ আমার পরিবারবর্গের মধ্যে একজনকে আমার সাহায্যকারী বানিয়ে দাও, আমার ভাই হারুনকে; এবং তাকে আমার কর্মে অংশী কর , যাতে তোমার পবিত্রতা কীর্তন করতে পারি প্রচুর, এবং তোমাকে স্মরণ করতে পারি অধিক।’’ লুত যখন তার সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে আসা নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠলেন তিনি তখন তাঁর স্বজনদের সহায়তা পাওয়ার প্রত্যাশায় বললেন :‘‘ আমার যদি তোমাদের বিষয়ে কোনো শক্তি থাকতো , অথবা আমি আশ্রয় নিতে পারতাম একটি সুদৃঢ় স্তম্ভের।’’ অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায় যে আত্মীয়স্বজনের সহায়তা নেয়াই হলো মানব প্রকৃতির আকুতি। দ্রুত কর্ম সম্পাদন ও উদ্দেশ্য অর্জনে সাহায্যকারী। আর যে ব্যক্তি স্বজনদের বিষয়ে উদাসীন, ভালো ও কল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ করতে তাদেরকে উৎসাহ দেয় না। সে তাদের উপকার থেকেও নিজেকে করে বঞ্চিত, ফলে বঞ্চিত হয় প্রভূত কল্যাণ থেকে।