১
হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নান্দনিক আচরণ
লেখকঃ ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৩
মানুষের সেবায় এগিয়ে আসতে উৎসাহ দেয়া
মানুষের সেবায় নিয়োজিত লোকদেরকে রাসূলুল্লাহ r উৎসাহ দিয়েছেন। তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার প্রক্রিয়াকেও সহজ করে দিয়েছেন। তিনি তাঁর চাচা আববাস (রা) কে মিনার রাতগুলো মক্কায় যাপনের অনুমতি দিলেন। কেননা তিনি মানুষদেরকে পানি পান করানোর দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। শুধু তাই নয় বরং তিনি এ কাজে নিয়োজিতদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন:‘‘তোমরা কাজ করে যাও, নিশ্চয়ই তোমরা উত্তম কাজে নিয়োজিত রয়েছ ...।’’
এটা নিশ্চয়ই আল্লাহর বিশেষ করুণা যে বর্তমান যুগে অনেক স্বেচ্ছাসেবীই মানুষের কল্যাণার্থে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। ব্যয় করে যাচ্ছে তাদের মূল্যবান সময়। তবে অধিকাংশ, ক্ষেত্রে কৃতজ্ঞতার সামান্য হাসি থেকেও বঞ্চিত হয় তারা, বরং অনেক সময় ভৎর্সনা ও নির্যাতনকে নীরবে সহ্য করে যেতে হয় তাদের। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা পাওয়া তো বহুদূরে। তাই কতইনা উত্তম হবে মানুষকে এ-ব্যাপারে উৎসাহিত করা, কেননা রাসূলুল্লাহ r বলেছেন :‘‘ যারা মানুষের ব্যাপারে কৃতজ্ঞ নয়, তারা আল্লাহর ব্যাপারেও অকৃতজ্ঞ’’। এই মহৎ ও কল্যাণকামী লোকদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের উৎসাহ দেয়ার ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ r এর অনুসরণ করো। যাতে তাঁরা ভালো কাজ চালিয়ে যেতে প্রেরণা পায়, পূর্বের চেয়ে বেশি উদ্দীপনা নিয়ে কাজ করে যেতে প্রদীপ্ত হয়।
এটা নিশ্চয়ই আল্লাহর বিশেষ করুণা যে বর্তমান যুগে অনেক স্বেচ্ছাসেবীই মানুষের কল্যাণার্থে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। ব্যয় করে যাচ্ছে তাদের মূল্যবান সময়। তবে অধিকাংশ, ক্ষেত্রে কৃতজ্ঞতার সামান্য হাসি থেকেও বঞ্চিত হয় তারা, বরং অনেক সময় ভৎর্সনা ও নির্যাতনকে নীরবে সহ্য করে যেতে হয় তাদের। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা পাওয়া তো বহুদূরে। তাই কতইনা উত্তম হবে মানুষকে এ-ব্যাপারে উৎসাহিত করা, কেননা রাসূলুল্লাহ r বলেছেন :‘‘ যারা মানুষের ব্যাপারে কৃতজ্ঞ নয়, তারা আল্লাহর ব্যাপারেও অকৃতজ্ঞ’’। এই মহৎ ও কল্যাণকামী লোকদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের উৎসাহ দেয়ার ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ r এর অনুসরণ করো। যাতে তাঁরা ভালো কাজ চালিয়ে যেতে প্রেরণা পায়, পূর্বের চেয়ে বেশি উদ্দীপনা নিয়ে কাজ করে যেতে প্রদীপ্ত হয়।