১
হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নান্দনিক আচরণ
লেখকঃ ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫১
১১- স্বজনদের সাথে কোমল আচরণ
হজ্বে রাসূলুল্লাহ r তাঁর পরিবারের সাথে ছিলেন কোমল, বিনম্র , সহাস্য ও মিষ্টভাষী। আদর-স্নেহে তাদের ভরে রাখতেন সদাসর্বদা। তাদের সাথে নরমভাবে আচরণ করতেন। স্বজনদের, ছেলে সন্তানদের, সাথে সহাস্য আচরণ ও রসিকতাও করতেন। রাসূলূল্লাহ r হজ্বের নিয়ত করলেন এবং হযরত আয়েশা ওমরার, এ অবস্থার বর্ণনা দিতে গিয়ে হযরত জাবের (রা) বলেন : ‘ রাসূলুল্লাহ r বিনম্র মানুষ ছিলেন, হযরত আয়েশা কোন কিছুর আগ্রহ ব্যক্ত করলে তিনি তার ইচ্ছা পূরণে সচেষ্ট হতেন।’’
স্বজনদের সাথে কোমল আচরণের উদাহরণ অনেক, তন্মধ্যে :
তিনি তাঁর আত্মীয়া যাবাআ’কে বললেন,‘ - তোমার হজ্ব করতে বাধা কীসের?
হযরত আয়েশা ঋতুবতী হয়ে কান্না শুরু করে দিলে তিনি তার পাশে গিয়ে বললেন, ‘ এই! তোমার কি হলো ?’
হযরত ইবনে আববাসের বর্ণনাও এ-পর্যায়ে পড়ে। তিনি বলেন : আমরা বনি আব্দুল মুত্তালেবের বাচ্চারা উটের পিঠে চড়ে মুজদালিফা থেকে এলাম। তিনি আমাদের উরুতে মৃদু আঘাত করতে লাগলেন এবং বলতে লাগলেন, প্রিয় বাচ্চারা তোমরা সূর্যোদয়ের পূর্বে কঙ্কর মেরো না’ অন্য এক বর্ণনায় এসেছে ‘আমার ভ্রাতুষ্পুত্ররা, হে হাশিমের সন্তানরা : মানুষের ভিড়ের আগেই দ্রুত যাও, আর তোমাদের কেউ যেন সূর্যোদয়ের আগে আকাবায় কঙ্কর না মারে।’’
স্বজনদের সাথে রাসূলের এই কোমল ও দয়ার্দ্র আচরণের উদাহরণ বর্তমান যুগের হজ্ব পালনকারীদের মধ্যে কি আদৌ দেখা যায়?-যায় না। এর উল্টো, বরং, অনেককেই দেখা যায় হজ্বে তাদের স্বজনদেরকে অবজ্ঞা-অবহেলা করতে। কঠোরতা, দুর্ব্যবহার ও রূঢ় আচরণের মাধ্যমে স্বজনদের অন্তরাত্মা বিষিয়ে তুলতে।
এরূপ যারা করে, ভুলেও তাদের অনুসরণ করতে যাবেন না। কেননা এ ধরনের আচরণ হিংসার জন্ম দেয়, উদ্রেক করে ঘৃণার, বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করে হৃদয়ে হৃদয়ে, বরং হজ্বের সিদ্ধতার বিপক্ষেও যেতে পারে। পাপ মুছে যাওয়া ও আল্লাহর মাগফিরাতের পথে বাধাও হয়ে দাঁড়াতে পারে এ ধরনের আচরণ।
স্বজনদের সাথে কোমল আচরণের উদাহরণ অনেক, তন্মধ্যে :
তিনি তাঁর আত্মীয়া যাবাআ’কে বললেন,‘ - তোমার হজ্ব করতে বাধা কীসের?
হযরত আয়েশা ঋতুবতী হয়ে কান্না শুরু করে দিলে তিনি তার পাশে গিয়ে বললেন, ‘ এই! তোমার কি হলো ?’
হযরত ইবনে আববাসের বর্ণনাও এ-পর্যায়ে পড়ে। তিনি বলেন : আমরা বনি আব্দুল মুত্তালেবের বাচ্চারা উটের পিঠে চড়ে মুজদালিফা থেকে এলাম। তিনি আমাদের উরুতে মৃদু আঘাত করতে লাগলেন এবং বলতে লাগলেন, প্রিয় বাচ্চারা তোমরা সূর্যোদয়ের পূর্বে কঙ্কর মেরো না’ অন্য এক বর্ণনায় এসেছে ‘আমার ভ্রাতুষ্পুত্ররা, হে হাশিমের সন্তানরা : মানুষের ভিড়ের আগেই দ্রুত যাও, আর তোমাদের কেউ যেন সূর্যোদয়ের আগে আকাবায় কঙ্কর না মারে।’’
স্বজনদের সাথে রাসূলের এই কোমল ও দয়ার্দ্র আচরণের উদাহরণ বর্তমান যুগের হজ্ব পালনকারীদের মধ্যে কি আদৌ দেখা যায়?-যায় না। এর উল্টো, বরং, অনেককেই দেখা যায় হজ্বে তাদের স্বজনদেরকে অবজ্ঞা-অবহেলা করতে। কঠোরতা, দুর্ব্যবহার ও রূঢ় আচরণের মাধ্যমে স্বজনদের অন্তরাত্মা বিষিয়ে তুলতে।
এরূপ যারা করে, ভুলেও তাদের অনুসরণ করতে যাবেন না। কেননা এ ধরনের আচরণ হিংসার জন্ম দেয়, উদ্রেক করে ঘৃণার, বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করে হৃদয়ে হৃদয়ে, বরং হজ্বের সিদ্ধতার বিপক্ষেও যেতে পারে। পাপ মুছে যাওয়া ও আল্লাহর মাগফিরাতের পথে বাধাও হয়ে দাঁড়াতে পারে এ ধরনের আচরণ।