১
হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নান্দনিক আচরণ
লেখকঃ ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৫
সত্য প্রকাশে অকুতোভয়
রাসূলুল্লাহ r সমধিক দয়াবান, ও সবচেয়ে বেশি লজ্জাশীল ছিলেন। তা সত্ত্বেও সত্য প্রকাশে কখনো তিনি ইতস্ততা বা কুণ্ঠাবোধ করেন নি। যদিও এতে অসুবিধার সৃষ্টি হয় অথবা মানুষের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যায়। সত্য প্রকাশে রাসূলুল্লাহর ব্যাপারে অনমনীয় অবস্থান হজ্ব পালনের সময় বহু জায়গায় প্রকাশ পেয়েছে তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- অন্যদের চোখের সামনেই খাসয়ামিয়াহ মহিলার প্রতি দৃষ্টি দেয়া থেকে ফযলের (র) গর্দান ঘুরিয়ে দেয়া, এমনকি আববাস (রা) প্রশ্ন করলেন : হে আল্লাহর রাসূল r আপনার চাচাতো ভাইয়ের গর্দান এভাবে ঘুরিয়ে দিলেন কেন? উত্তরে তিনি বললেন : একজন যুবক ও যুবতীকে দেখলাম, শয়তানের আক্রমণ থেকে আমি তাদেরকে নিরাপদ মনে করলাম না।
- নবীর স্ত্রী সাফিইয়া (রা) যখন ঋতুগ্রস্ত হলেন রাসূলুল্লাহ r মনে করলেন, তিনি হয়ত ১০ যিলহজ্ব তোওয়াফে যিয়ারত সম্পন্ন করেন নি। তাই তিনি বললেন : ‘‘ মনে হয় এ তোমাদেরকে বিলম্ব করাবে।’’
- কর্মঠ ও শক্তিমান জনৈক ব্যক্তি সাদকার সম্পদ চাইলে তাকে না দেওয়াও এ পর্যায়ে পড়ে।
- কোরবানির পশু সঙ্গে না আনা সত্ত্বেও ইহরাম ধরে রাখার ব্যাপারে অধিকাংশ সাহাবাদের ইচ্ছার বিপক্ষে রাসূলুল্লাহর অবস্থান এবং বলা যে কোরবানির পশু সঙ্গে না এনে থাকলে আমি হালাল হয়ে যেতাম,’’ সত্য প্রকাশে ঐকান্তিকতারই একটি আলামত।
তাই আপনি সমর্থবান হলে হাজ্বীদের শেখানো, ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ দেয়া, উপদেশ ও দিকনির্দেশনা দেয়া, আমর-বিলমারুফ ও নাহি-আনিল মুনকারের দায়িত্ব পালন, সত্যকথা বলা ইত্যাদি বিষয়ে কখনো পিছপা হবেন না। আর লজ্জা করার তো কোনো মানেই হয় না। কারণ আল্লাহ কখনো সত্য প্রকাশে লজ্জা করেন না। বরং রাসূলুল্লাহ r এর অনুসরণ করুন যিনি ‘‘ লজ্জাবতী কিশোরীর থেকেও বেশি লজ্জাশীল ছিলেন’’ তা সত্ত্বেও তিনি আল্লাহর জন্য রাগ করতেন ও প্রতিশোধ নিতেন। আয়েশা (রা) রাসূলুল্লাহr এর গুণ বর্ণনায় বলেন :‘‘আল্লহর রাসূল কোনো জিনিসকেই তাঁর হাত দিয়ে প্রহার করেন নি, না তাঁর কোনো স্ত্রীকে না খাদেমকে, তবে যদি জিহাদরত অবস্থায় থাকতেন, তাঁর কাছ থেকে কেউ কোনো কিছু নিয়ে নিলেও তিনি প্রতিশোধ নিতেন না। তবে আল্লাহর কোনো সীমানা লঙ্ঘিত হলে আল্লাহর জন্য প্রতিশোধ নিতেন।
- অন্যদের চোখের সামনেই খাসয়ামিয়াহ মহিলার প্রতি দৃষ্টি দেয়া থেকে ফযলের (র) গর্দান ঘুরিয়ে দেয়া, এমনকি আববাস (রা) প্রশ্ন করলেন : হে আল্লাহর রাসূল r আপনার চাচাতো ভাইয়ের গর্দান এভাবে ঘুরিয়ে দিলেন কেন? উত্তরে তিনি বললেন : একজন যুবক ও যুবতীকে দেখলাম, শয়তানের আক্রমণ থেকে আমি তাদেরকে নিরাপদ মনে করলাম না।
- নবীর স্ত্রী সাফিইয়া (রা) যখন ঋতুগ্রস্ত হলেন রাসূলুল্লাহ r মনে করলেন, তিনি হয়ত ১০ যিলহজ্ব তোওয়াফে যিয়ারত সম্পন্ন করেন নি। তাই তিনি বললেন : ‘‘ মনে হয় এ তোমাদেরকে বিলম্ব করাবে।’’
- কর্মঠ ও শক্তিমান জনৈক ব্যক্তি সাদকার সম্পদ চাইলে তাকে না দেওয়াও এ পর্যায়ে পড়ে।
- কোরবানির পশু সঙ্গে না আনা সত্ত্বেও ইহরাম ধরে রাখার ব্যাপারে অধিকাংশ সাহাবাদের ইচ্ছার বিপক্ষে রাসূলুল্লাহর অবস্থান এবং বলা যে কোরবানির পশু সঙ্গে না এনে থাকলে আমি হালাল হয়ে যেতাম,’’ সত্য প্রকাশে ঐকান্তিকতারই একটি আলামত।
তাই আপনি সমর্থবান হলে হাজ্বীদের শেখানো, ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ দেয়া, উপদেশ ও দিকনির্দেশনা দেয়া, আমর-বিলমারুফ ও নাহি-আনিল মুনকারের দায়িত্ব পালন, সত্যকথা বলা ইত্যাদি বিষয়ে কখনো পিছপা হবেন না। আর লজ্জা করার তো কোনো মানেই হয় না। কারণ আল্লাহ কখনো সত্য প্রকাশে লজ্জা করেন না। বরং রাসূলুল্লাহ r এর অনুসরণ করুন যিনি ‘‘ লজ্জাবতী কিশোরীর থেকেও বেশি লজ্জাশীল ছিলেন’’ তা সত্ত্বেও তিনি আল্লাহর জন্য রাগ করতেন ও প্রতিশোধ নিতেন। আয়েশা (রা) রাসূলুল্লাহr এর গুণ বর্ণনায় বলেন :‘‘আল্লহর রাসূল কোনো জিনিসকেই তাঁর হাত দিয়ে প্রহার করেন নি, না তাঁর কোনো স্ত্রীকে না খাদেমকে, তবে যদি জিহাদরত অবস্থায় থাকতেন, তাঁর কাছ থেকে কেউ কোনো কিছু নিয়ে নিলেও তিনি প্রতিশোধ নিতেন না। তবে আল্লাহর কোনো সীমানা লঙ্ঘিত হলে আল্লাহর জন্য প্রতিশোধ নিতেন।