১
হালাল রিযিকের সন্ধানে
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৯
তাবিজ ব্যবসা করার বিধান
তাবিজ সাধারণত তিন প্রকার হয়ে থাকে। সেগুলো হলো :
১. এক প্রকার তাবিজ আছে, যা একটি কাগজের মধ্যে নক্সা বানিয়ে সংখ্যা লিখে অথবা কোন ফেরেশতা, জিন কিংবা শয়তানের নাম ছক আকারে লিখে অথবা কোন যাদুবিদ্যার সাহায্য নিয়ে অবোধগম্য বাক্য লিখে তৈরি করা হয়।
২. আরেক প্রকার তাবিজ আছে, যা কোন ধাতু, পশু-পাখির হাড়, লোম বা পালক কিংবা গাছের শিকড় দিয়ে অথবা মসজিদ, পীরতলা, কবর বা মাযারের ধুলা দিয়ে অথবা কোন বুযুর্গের মাথার পাগড়ী, কবরে জড়ানো চাদরের অংশ, কাবা ঘরের গিলাফের সুতো, মক্কা-মদীনার মাটি ইত্যাদি দিয়ে বানানো হয়। আবার এমন তাবিজও আছে, যা গাজাখোর ফকীরদের গাজার ছাই বা অন্য কোন নোংরা জিনিস দিয়ে তৈরি করা হয়।
এতে কোন সন্দেহ নেই যে, এই দুই প্রকার তাবিজ শিরকের অমত্মর্ভুক্ত। সুতরাং এই দুই প্রকার তাবিজের মাধ্যমে যত ধরনের আয়-উপার্জন হবে সবগুলো বাতিল ও হারাম হিসেবে গণ্য হবে।
৩. তৃতীয়ত আরেক প্রকার তাবিজ আছে, যা কুরআনের আয়াত কাগজে লিখে তৈরি করা হয়। এ প্রকার তাবিজের ব্যাপারে কেউ কেউ জায়েয বললেও তা ব্যবহার করা যাবে না। কারণ রাসূলুল্লাহ ﷺ সাধারণভাবে সকল প্রকার তাবিজ ব্যবহারকে শিরক হিসেবে সাব্যসত্ম করেছেন। হাদীসে এসেছে,
عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ أَقْبَلَ إِلَيْهِ رَهْطٌ فَبَايَعَ تِسْعَةً وَأَمْسَكَ عَنْ وَاحِدٍ فَقَالُوْا : يَا رَسُوْلَ اللهِ ، بَايَعْتَ تِسْعَةً وَتَرَكْتَ هٰذَا ؟ قَالَ : إِنَّ عَلَيْهِ تَمِيْمَةً فَأَدْخَلَ يَدَه فَقَطَعَهَا فَبَايَعَه ، وَقَالَ : مَنْ عَلَّقَ تَمِيْمَةً فَقَدْ أَشْرَكَ
উকবা ইবনে আমের আল জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নিকট দশ জন লোক বাই‘আতের জন্য উপস্থিত হলো। অতঃপর তিনি নয় জনের কাছ থেকে বাই‘আত নিলেন এবং একজনের কাছ থেকে বাই‘আত নিলেন না। তখন তারা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি নয় জনের বাই‘আত গ্রহণ করলেন, কিন্তু এক জনের বাই‘আত গ্রহণ করলেন না কেন? তিনি বললেন, ওর দেহে তাবিজ আছে। অতঃপর তিনি নিজ হাতে তা ছিঁড়ে ফেললেন। তারপর তার নিকট থেকেও বাই‘আত নিলেন এবং বললেন, যে ব্যক্তি তাবিজ লটকাল সে শিরক করল। [মুসনাদে আহমাদ, হা/১৭৪৫৮; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/১৪২৯৯; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৪৯২।]
১. এক প্রকার তাবিজ আছে, যা একটি কাগজের মধ্যে নক্সা বানিয়ে সংখ্যা লিখে অথবা কোন ফেরেশতা, জিন কিংবা শয়তানের নাম ছক আকারে লিখে অথবা কোন যাদুবিদ্যার সাহায্য নিয়ে অবোধগম্য বাক্য লিখে তৈরি করা হয়।
২. আরেক প্রকার তাবিজ আছে, যা কোন ধাতু, পশু-পাখির হাড়, লোম বা পালক কিংবা গাছের শিকড় দিয়ে অথবা মসজিদ, পীরতলা, কবর বা মাযারের ধুলা দিয়ে অথবা কোন বুযুর্গের মাথার পাগড়ী, কবরে জড়ানো চাদরের অংশ, কাবা ঘরের গিলাফের সুতো, মক্কা-মদীনার মাটি ইত্যাদি দিয়ে বানানো হয়। আবার এমন তাবিজও আছে, যা গাজাখোর ফকীরদের গাজার ছাই বা অন্য কোন নোংরা জিনিস দিয়ে তৈরি করা হয়।
এতে কোন সন্দেহ নেই যে, এই দুই প্রকার তাবিজ শিরকের অমত্মর্ভুক্ত। সুতরাং এই দুই প্রকার তাবিজের মাধ্যমে যত ধরনের আয়-উপার্জন হবে সবগুলো বাতিল ও হারাম হিসেবে গণ্য হবে।
৩. তৃতীয়ত আরেক প্রকার তাবিজ আছে, যা কুরআনের আয়াত কাগজে লিখে তৈরি করা হয়। এ প্রকার তাবিজের ব্যাপারে কেউ কেউ জায়েয বললেও তা ব্যবহার করা যাবে না। কারণ রাসূলুল্লাহ ﷺ সাধারণভাবে সকল প্রকার তাবিজ ব্যবহারকে শিরক হিসেবে সাব্যসত্ম করেছেন। হাদীসে এসেছে,
عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ أَقْبَلَ إِلَيْهِ رَهْطٌ فَبَايَعَ تِسْعَةً وَأَمْسَكَ عَنْ وَاحِدٍ فَقَالُوْا : يَا رَسُوْلَ اللهِ ، بَايَعْتَ تِسْعَةً وَتَرَكْتَ هٰذَا ؟ قَالَ : إِنَّ عَلَيْهِ تَمِيْمَةً فَأَدْخَلَ يَدَه فَقَطَعَهَا فَبَايَعَه ، وَقَالَ : مَنْ عَلَّقَ تَمِيْمَةً فَقَدْ أَشْرَكَ
উকবা ইবনে আমের আল জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নিকট দশ জন লোক বাই‘আতের জন্য উপস্থিত হলো। অতঃপর তিনি নয় জনের কাছ থেকে বাই‘আত নিলেন এবং একজনের কাছ থেকে বাই‘আত নিলেন না। তখন তারা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি নয় জনের বাই‘আত গ্রহণ করলেন, কিন্তু এক জনের বাই‘আত গ্রহণ করলেন না কেন? তিনি বললেন, ওর দেহে তাবিজ আছে। অতঃপর তিনি নিজ হাতে তা ছিঁড়ে ফেললেন। তারপর তার নিকট থেকেও বাই‘আত নিলেন এবং বললেন, যে ব্যক্তি তাবিজ লটকাল সে শিরক করল। [মুসনাদে আহমাদ, হা/১৭৪৫৮; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/১৪২৯৯; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৪৯২।]