১
হালাল রিযিকের সন্ধানে
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭৩
ভিক্ষাবৃত্তির হুকুম
বর্তমান সমাজে ভিক্ষাবৃত্তি খুব পরিচিত একটি পেশা। অনেক লোক এমন রয়েছে, যারা ভিক্ষাবৃত্তিকেই নিজেদের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন হিসেবে বেছে নিয়েছে। আবার এজন্য অনেকেই অভিনব পদ্ধতি গ্রহণ করে থাকে। অথচ ইসলাম ভিক্ষাবৃত্তির ব্যাপারে কঠোর সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছে। যেমন- হাদীসে এসেছে,
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ : قَالَ النَّبِيُّ مَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَسْأَلُ النَّاسَ حَتّٰى يَأْتِيَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ لَيْسَ فِيْ وَجْهِه مُزْعَةُ لَحْمٍ
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী ﷺ বলেছেন, কেউ কেউ সর্বদা মানুষের কাছে ভিক্ষা করতে থাকে। পরিশেষে সে যখন আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে তখন তার মুখমন্ডলে এক টুকরাও মাংস থাকবে না। [সহীহ বুখারী, হা/১৪৭৪; সুনানুল কুবরা লিন নাসাঈ, হা/২৩৭৭; শারহুস সুন্নাহ, হা/১৬২২; শু‘আবুল ঈমান, হা/৩২৩৩।]
বর্তমান সমাজে যারা ভিক্ষাবৃত্তি করে থাকে, তারা কয়েকটি শ্রেণিতে বিভক্ত। যেমন-
১. অনেকে ভিক্ষা করাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে। সুতরাং তারা প্রয়োজনে অথবা অপ্রয়োজনে সর্বাবস্থায় ভিক্ষা করে থাকে। এভাবে ভিক্ষা করা বৈধ নয়।
২. আবার অনেকে কেবল প্রয়োজনের খাতিরে ভিক্ষা করে থাকে। তারা সত্যিকার অর্থেই উপার্জন করতে সক্ষম নয় এবং তাদের জীবিকা উপার্জনের অন্য কোন পথও নেই। এ ক্ষেত্রে তাদের ততটুকু পরিমাণ ভিক্ষা করার সুযোগ আছে, যতটুকু পরিমাণ সম্পদ হলে তার দিন অতিবাহিত হয়ে যাবে।
যেসব ক্ষেত্রে কোন কিছু চাওয়া বৈধ :
ইসলামে একামত্ম নিরুপায় অবস্থা ছাড়া অপরের নিকট হাত পাতা বৈধ নয়। এ ক্ষেত্রে ইসলাম তিন ধরনের ব্যক্তিকে অনুমোদন প্রদান করেছে। যেমন-
১. যে ব্যক্তি অর্থদন্ডে পড়বে (কারো দিয়াত বা জরিমানা দেয়ার যামিন হবে) তার জন্য চাওয়া হালাল। অতঃপর তা পরিশোধ হয়ে গেলে সে চাওয়া বন্ধ করে দেবে।
২. যে ব্যক্তি দুর্যোগগ্রসত্ম হবে এবং যার ধনসম্পদ ধ্বংস হয়ে যাবে, তার জন্য ততক্ষণ পর্যমত্ম চাওয়া বৈধ, যতক্ষণ তার সচ্ছলতা ফিরে না আসে।
৩. যে ব্যক্তি উপার্জন করতে অক্ষম হয়ে পড়বে তার জন্য চাওয়া বৈধ।
এ ছাড়া অন্য কোন লোকের জন্য চেয়ে খাওয়া বৈধ নয়।
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ : قَالَ النَّبِيُّ مَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَسْأَلُ النَّاسَ حَتّٰى يَأْتِيَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ لَيْسَ فِيْ وَجْهِه مُزْعَةُ لَحْمٍ
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী ﷺ বলেছেন, কেউ কেউ সর্বদা মানুষের কাছে ভিক্ষা করতে থাকে। পরিশেষে সে যখন আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে তখন তার মুখমন্ডলে এক টুকরাও মাংস থাকবে না। [সহীহ বুখারী, হা/১৪৭৪; সুনানুল কুবরা লিন নাসাঈ, হা/২৩৭৭; শারহুস সুন্নাহ, হা/১৬২২; শু‘আবুল ঈমান, হা/৩২৩৩।]
বর্তমান সমাজে যারা ভিক্ষাবৃত্তি করে থাকে, তারা কয়েকটি শ্রেণিতে বিভক্ত। যেমন-
১. অনেকে ভিক্ষা করাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে। সুতরাং তারা প্রয়োজনে অথবা অপ্রয়োজনে সর্বাবস্থায় ভিক্ষা করে থাকে। এভাবে ভিক্ষা করা বৈধ নয়।
২. আবার অনেকে কেবল প্রয়োজনের খাতিরে ভিক্ষা করে থাকে। তারা সত্যিকার অর্থেই উপার্জন করতে সক্ষম নয় এবং তাদের জীবিকা উপার্জনের অন্য কোন পথও নেই। এ ক্ষেত্রে তাদের ততটুকু পরিমাণ ভিক্ষা করার সুযোগ আছে, যতটুকু পরিমাণ সম্পদ হলে তার দিন অতিবাহিত হয়ে যাবে।
যেসব ক্ষেত্রে কোন কিছু চাওয়া বৈধ :
ইসলামে একামত্ম নিরুপায় অবস্থা ছাড়া অপরের নিকট হাত পাতা বৈধ নয়। এ ক্ষেত্রে ইসলাম তিন ধরনের ব্যক্তিকে অনুমোদন প্রদান করেছে। যেমন-
১. যে ব্যক্তি অর্থদন্ডে পড়বে (কারো দিয়াত বা জরিমানা দেয়ার যামিন হবে) তার জন্য চাওয়া হালাল। অতঃপর তা পরিশোধ হয়ে গেলে সে চাওয়া বন্ধ করে দেবে।
২. যে ব্যক্তি দুর্যোগগ্রসত্ম হবে এবং যার ধনসম্পদ ধ্বংস হয়ে যাবে, তার জন্য ততক্ষণ পর্যমত্ম চাওয়া বৈধ, যতক্ষণ তার সচ্ছলতা ফিরে না আসে।
৩. যে ব্যক্তি উপার্জন করতে অক্ষম হয়ে পড়বে তার জন্য চাওয়া বৈধ।
এ ছাড়া অন্য কোন লোকের জন্য চেয়ে খাওয়া বৈধ নয়।