১
হালাল রিযিকের সন্ধানে
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭৫
অধ্যায়- ৫ হালাল উপার্জন
আল্লাহ তা‘আলা মানবজাতির জীবিকা নির্বাহের জন্য উপার্জনের পথকে প্রশসত্ম করে দিয়েছেন। যার মাধ্যমে হালাল উপার্জন করা সম্ভব হয়। আল্লাহ রিযিক আহরণ করে নেয়ার জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্র ও উপায়-উপকরণ তৈরি করে দিয়েছেন। তাই আমাদের কর্তব্য হলো এসব উপায়-উপকরণ ব্যবহার করে হালাল রিযিক উপার্জনের চেষ্টা করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿هُوَ الَّذِيْ جَعَلَ لَكُمُ الْاَ رْضَ ذَلُوْلًا فَامْشُوْا فِيْ مَنَاكِبِهَا وَكُلُوْا مِنْ رِّزْقِهٖؕ وَاِلَيْهِ النُّشُوْرُ﴾
তিনিই তো তোমাদের জন্য জমিনকে চলাচলের উপযোগী করে দিয়েছেন। অতএব তোমরা তার দিক-দিগন্তে বিচরণ করো এবং তাঁর দেয়া রিযিক হতে আহার করো। (জেনে রেখো) তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। (সূরা মুলক- ১৫)
যেসব জিনিস পবিত্র ও হালাল কেবল সেসব বসত্মুকে কেন্দ্র করে উপার্জন করা হালাল হিসেবে গণ্য হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَسْأَلُوْنَكَ مَاذَاۤ أُحِلَّ لَهُمْ قُلْ أُحِلَّ لَكُمُ الطَّيِّبَاتُ﴾
লোকেরা তোমাকে জিজ্ঞেস করে যে, তাদের জন্য কী কী (বসত্মু) হালাল করা হয়েছে। বলো, তোমাদের জন্য কেবল পবিত্র বসত্মুসমূহ হালাল করা হয়েছে।
(সূরা মায়েদা- ৪)
﴿يَاۤ اَيُّهَا النَّاسُ كُلُوْا مِمَّا فِى الْاَرْضِ حَلَالًا طَيِّبًاؗ وَلَا تَتَّبِعُوْا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِؕ اِنَّهٗ لَكُمْ عَدُوُّ مُّبِيْنٌ﴾
হে মানবজাতি! পৃথিবীর মধ্যে যা হালাল ও পবিত্র তা হতে খাও। আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না, নিশ্চয় সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।
(সূরা বাক্বারা- ১৬৮)
কোন বসত্মু পবিত্র হিসেবে গণ্য হওয়ার জন্য দুটি শর্ত রয়েছে। তা হলো-
১. বসত্মুটি মূলগতভাবে পবিত্র হওয়া। যেমন- মৃত জমত্মু, রক্ত, শূকর, হিংস্র প্রাণী ইত্যাদি না হওয়া।
২. বসত্মুটি অর্জনের মাধ্যম পবিত্র ও ভেজালমুক্ত হওয়া। যেমন- সুদ, ঘুষ, প্রতারণা, ধোঁকা, চুরি, ডাকাতি, যুলুম ইত্যাদি থেকে মুক্ত হওয়া। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَأْكُلُوا الرِّبَاۤ اَضْعَافًا مُّضَاعَفَةً۪ وَاتَّقُوا اللهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ﴾
হে ঈমানদারগণ! তোমরা দ্বিগুণের উপর দ্বিগুণ (চক্রবৃদ্ধি হারে) সুদ ভক্ষণ করো না। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, যেন তোমরা সফলকাম হতে পার। (সূরা আলে ইমরান- ১৩০)
﴿هُوَ الَّذِيْ جَعَلَ لَكُمُ الْاَ رْضَ ذَلُوْلًا فَامْشُوْا فِيْ مَنَاكِبِهَا وَكُلُوْا مِنْ رِّزْقِهٖؕ وَاِلَيْهِ النُّشُوْرُ﴾
তিনিই তো তোমাদের জন্য জমিনকে চলাচলের উপযোগী করে দিয়েছেন। অতএব তোমরা তার দিক-দিগন্তে বিচরণ করো এবং তাঁর দেয়া রিযিক হতে আহার করো। (জেনে রেখো) তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। (সূরা মুলক- ১৫)
যেসব জিনিস পবিত্র ও হালাল কেবল সেসব বসত্মুকে কেন্দ্র করে উপার্জন করা হালাল হিসেবে গণ্য হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَسْأَلُوْنَكَ مَاذَاۤ أُحِلَّ لَهُمْ قُلْ أُحِلَّ لَكُمُ الطَّيِّبَاتُ﴾
লোকেরা তোমাকে জিজ্ঞেস করে যে, তাদের জন্য কী কী (বসত্মু) হালাল করা হয়েছে। বলো, তোমাদের জন্য কেবল পবিত্র বসত্মুসমূহ হালাল করা হয়েছে।
(সূরা মায়েদা- ৪)
﴿يَاۤ اَيُّهَا النَّاسُ كُلُوْا مِمَّا فِى الْاَرْضِ حَلَالًا طَيِّبًاؗ وَلَا تَتَّبِعُوْا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِؕ اِنَّهٗ لَكُمْ عَدُوُّ مُّبِيْنٌ﴾
হে মানবজাতি! পৃথিবীর মধ্যে যা হালাল ও পবিত্র তা হতে খাও। আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না, নিশ্চয় সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।
(সূরা বাক্বারা- ১৬৮)
কোন বসত্মু পবিত্র হিসেবে গণ্য হওয়ার জন্য দুটি শর্ত রয়েছে। তা হলো-
১. বসত্মুটি মূলগতভাবে পবিত্র হওয়া। যেমন- মৃত জমত্মু, রক্ত, শূকর, হিংস্র প্রাণী ইত্যাদি না হওয়া।
২. বসত্মুটি অর্জনের মাধ্যম পবিত্র ও ভেজালমুক্ত হওয়া। যেমন- সুদ, ঘুষ, প্রতারণা, ধোঁকা, চুরি, ডাকাতি, যুলুম ইত্যাদি থেকে মুক্ত হওয়া। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَأْكُلُوا الرِّبَاۤ اَضْعَافًا مُّضَاعَفَةً۪ وَاتَّقُوا اللهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ﴾
হে ঈমানদারগণ! তোমরা দ্বিগুণের উপর দ্বিগুণ (চক্রবৃদ্ধি হারে) সুদ ভক্ষণ করো না। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, যেন তোমরা সফলকাম হতে পার। (সূরা আলে ইমরান- ১৩০)