১
হালাল রিযিকের সন্ধানে
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯৯
স্বর্ণ বা রৌপ্যের পাত্রে খাওয়া যাবে না
স্বর্ণ বা রৌপ্যের পাত্রে খাওয়া যাবে না। কেননা হাদীসে এসেছে,
عَنِ ابْنِ أَبِيْ لَيْلٰى قَالَ كَانَ حُذَيْفَةُ بِالْمَدَائِنِ فَاسْتَسْقٰى فَأَتَاهُ دِهْقَانٌ بِقَدَحِ فِضَّةٍ فَرَمَاهُ بِه فَقَالَ إِنِّيْ لَمْ أَرْمِه إِلَّا أَنِّيْ نَهَيْتُه فَلَمْ يَنْتَهِ وَإِنَّ النَّبِيَّ نَهَانَا عَنِ الْحَرِيْرِ وَالدِّيْبَاجِ وَالشُّرْبِ فِيْ اٰنِيَةِ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ وَقَالَ هُنَّ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا وَهِيَ لَكُمْ فِي الْاٰخِرَةِ
ইবনে আবী লাইলা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুযায়ফা (রাঃ) যখন মাদইয়ানে ছিলেন, তখন এক সময় তিনি পানি পান করতে চাইলেন। জনৈক গ্রাম্য সরদার তাঁর নিকট রৌপ্যের পাত্রে করে পানি নিয়ে আসলে তিনি তা ছুঁড়ে মারলেন এবং বললেন, আমি এটা ফেলতাম না, আমি পূর্বে তাকে নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু এরপরও সে নিবৃত্ত হয়নি। নবী ﷺ আমাদেরকে মোটা ও মিহি রেশমী বস্ত্র ব্যবহার এবং স্বর্ণ ও রৌপ্যের পাত্রে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেন, এসব দুনিয়ায় কাফেরদের জন্য আর তোমাদের জন্য হবে আখিরাতে। [সহীহ বুখারী, হা/৫৬৩২; আবু দাউদ, হা/৩৭২৫; শু‘আবুল ঈমান, হা/৫৯৬২; সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/৬২৮১; মুসত্মাখরাজে আবু আওয়ানা, হা/৬৮৩৯; দার কুতনী, হা/৪৮৫৮।]
عَنِ ابْنِ أَبِيْ لَيْلٰى قَالَ كَانَ حُذَيْفَةُ بِالْمَدَائِنِ فَاسْتَسْقٰى فَأَتَاهُ دِهْقَانٌ بِقَدَحِ فِضَّةٍ فَرَمَاهُ بِه فَقَالَ إِنِّيْ لَمْ أَرْمِه إِلَّا أَنِّيْ نَهَيْتُه فَلَمْ يَنْتَهِ وَإِنَّ النَّبِيَّ نَهَانَا عَنِ الْحَرِيْرِ وَالدِّيْبَاجِ وَالشُّرْبِ فِيْ اٰنِيَةِ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ وَقَالَ هُنَّ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا وَهِيَ لَكُمْ فِي الْاٰخِرَةِ
ইবনে আবী লাইলা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুযায়ফা (রাঃ) যখন মাদইয়ানে ছিলেন, তখন এক সময় তিনি পানি পান করতে চাইলেন। জনৈক গ্রাম্য সরদার তাঁর নিকট রৌপ্যের পাত্রে করে পানি নিয়ে আসলে তিনি তা ছুঁড়ে মারলেন এবং বললেন, আমি এটা ফেলতাম না, আমি পূর্বে তাকে নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু এরপরও সে নিবৃত্ত হয়নি। নবী ﷺ আমাদেরকে মোটা ও মিহি রেশমী বস্ত্র ব্যবহার এবং স্বর্ণ ও রৌপ্যের পাত্রে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেন, এসব দুনিয়ায় কাফেরদের জন্য আর তোমাদের জন্য হবে আখিরাতে। [সহীহ বুখারী, হা/৫৬৩২; আবু দাউদ, হা/৩৭২৫; শু‘আবুল ঈমান, হা/৫৯৬২; সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/৬২৮১; মুসত্মাখরাজে আবু আওয়ানা, হা/৬৮৩৯; দার কুতনী, হা/৪৮৫৮।]