১
হালাল রিযিকের সন্ধানে
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮৮
জমি অথবা কোন কিছু বন্ধক দেয়ার হুকুম
ঋণ প্রদান করার জন্য ঋণদাতার কাছে জামানত হিসেবে যা কিছু রাখা হয় সেটাকে বলা হয় বন্ধক। এ পদ্ধতিটি ইসলামে বৈধ রয়েছে।
তবে বর্তমানে আমাদের সমাজে বন্ধকের এ রূপটি দেখা যায় না। বরং এর বিপরীতে আরো কিছু রূপ লক্ষ্য করা যায়। যেমন-
কেউ কেউ জামানতের বসত্মুটি থেকে সে একাই উপকার গ্রহণ করে; কিন্তু ঋণগ্রহীতাকে কিছুই প্রদান করে না। এটা একেবারেই বৈধ নয়।
প্রচলিত বন্ধক বৈধ না হওয়ার কারণ :
১. জামানতটা হচ্ছে মূলত আমানত। এটি ব্যবহার করা অথবা এর কোনরূপ ক্ষতি সাধন করা অথবা এর কোন পরিবর্তন-পরিবর্ধন করা অথবা এর থেকে কোনরূপ উপকার গ্রহণ করা যবে না। সুতরাং ঋণের জামানত হিসেবে যা কিছু গ্রহণ করা হয়, সেগুলো থেকে কোনরূপ উপকার গ্রহণ করা হারাম।
২. জামানত প্রদানের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, ঋণ আদায়ের নিশ্চয়তা লাভ করা। এর থেকে কোনরূপ উপকার লাভ করা উদ্দেশ্য নয়। যদিও ঋণগ্রহিতা বাধ্য হয়ে অথবা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তার দ্বারা উপকৃত হতে বা তা ব্যবহার করতে অনুমতি দেয় তবুও নয়। কেননা ইসলামের নীতি এই যে, যে ঋণ অতিরিক্ত কিছু বয়ে আনে, তা সুদ হিসেবে গণ্য হবে।
বন্ধকের বৈধ পদ্ধতি :
বন্ধকের ক্ষেত্রে একটি বৈধ পদ্ধতি হচ্ছে, ঋণ গ্রহীতার কাছ থেকে যে জিনিসটি জামানত হিসেবে গ্রহণ করা হবে সে জিনিসটিকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যমত্ম ভোগ করতে দেবে এবং এর পরিবর্তে ঋণদাতার প্রদত্ত ঋণ থেকে সম্পূর্ণ টাকা কেটে নিবে। ফলে ইজারা পদ্ধতি অনুযায়ী উক্ত ঋণের টাকা থেকে ভোগ করার জন্য নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ হয়ে যাবে। অতঃপর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর উক্ত বসত্মুটি আবার মূল মালিকের কাছে ফিরে আসবে।
উল্লেখ্য যে, যারা বন্ধকের এসব শর্ত থেকে মুক্ত থাকার জন্য কৌশল হিসেবে এ ধরনের চুক্তি করে যে, ঋণের অর্থ থেকে প্রতি মাসে ১০০ অথবা ২০০ অথবা এরূপ সামান্য কোন মূল্য কেটে নিবে তাদের জন্য সেটা বৈধ হবে না। কেননা বাসত্মবে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, এ মূল্যে সাধারণত কোন ব্যক্তিই কোন কিছু ইজারা দিবে না। এতে ঋণগ্রহীতা কেবল বাধ্য হয়ে রাজি হয়ে থাকে।
তবে বর্তমানে আমাদের সমাজে বন্ধকের এ রূপটি দেখা যায় না। বরং এর বিপরীতে আরো কিছু রূপ লক্ষ্য করা যায়। যেমন-
কেউ কেউ জামানতের বসত্মুটি থেকে সে একাই উপকার গ্রহণ করে; কিন্তু ঋণগ্রহীতাকে কিছুই প্রদান করে না। এটা একেবারেই বৈধ নয়।
প্রচলিত বন্ধক বৈধ না হওয়ার কারণ :
১. জামানতটা হচ্ছে মূলত আমানত। এটি ব্যবহার করা অথবা এর কোনরূপ ক্ষতি সাধন করা অথবা এর কোন পরিবর্তন-পরিবর্ধন করা অথবা এর থেকে কোনরূপ উপকার গ্রহণ করা যবে না। সুতরাং ঋণের জামানত হিসেবে যা কিছু গ্রহণ করা হয়, সেগুলো থেকে কোনরূপ উপকার গ্রহণ করা হারাম।
২. জামানত প্রদানের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, ঋণ আদায়ের নিশ্চয়তা লাভ করা। এর থেকে কোনরূপ উপকার লাভ করা উদ্দেশ্য নয়। যদিও ঋণগ্রহিতা বাধ্য হয়ে অথবা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তার দ্বারা উপকৃত হতে বা তা ব্যবহার করতে অনুমতি দেয় তবুও নয়। কেননা ইসলামের নীতি এই যে, যে ঋণ অতিরিক্ত কিছু বয়ে আনে, তা সুদ হিসেবে গণ্য হবে।
বন্ধকের বৈধ পদ্ধতি :
বন্ধকের ক্ষেত্রে একটি বৈধ পদ্ধতি হচ্ছে, ঋণ গ্রহীতার কাছ থেকে যে জিনিসটি জামানত হিসেবে গ্রহণ করা হবে সে জিনিসটিকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যমত্ম ভোগ করতে দেবে এবং এর পরিবর্তে ঋণদাতার প্রদত্ত ঋণ থেকে সম্পূর্ণ টাকা কেটে নিবে। ফলে ইজারা পদ্ধতি অনুযায়ী উক্ত ঋণের টাকা থেকে ভোগ করার জন্য নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ হয়ে যাবে। অতঃপর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর উক্ত বসত্মুটি আবার মূল মালিকের কাছে ফিরে আসবে।
উল্লেখ্য যে, যারা বন্ধকের এসব শর্ত থেকে মুক্ত থাকার জন্য কৌশল হিসেবে এ ধরনের চুক্তি করে যে, ঋণের অর্থ থেকে প্রতি মাসে ১০০ অথবা ২০০ অথবা এরূপ সামান্য কোন মূল্য কেটে নিবে তাদের জন্য সেটা বৈধ হবে না। কেননা বাসত্মবে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, এ মূল্যে সাধারণত কোন ব্যক্তিই কোন কিছু ইজারা দিবে না। এতে ঋণগ্রহীতা কেবল বাধ্য হয়ে রাজি হয়ে থাকে।