১
শামায়েলে তিরমিযী
লেখকঃ মুহাম্মাদ বিন ঈসা আত তিরমিযী (রহ.) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
অধ্যায়- ৭ : রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সুরমা ব্যবহার
রাসূলুল্লাহ ﷺ প্রত্যেক রাতে উভয় চোখে তিনবার করে সুরমা লাগাতেন :
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، اَنَّ النَّبِيَّ قَالَ : اِكْتَحِلُوْا بِالْاِثْمِدِ فَاِنَّهٗ يَجْلُو الْبَصَرَ ، وَيُنْبِتُ الشَّعْرَ . وَزَعَمَ اَنَّ النَّبِيَّ كَانَتْ لَهٗ مُكْحُلَةٌ يَكْتَحِلُ مِنْهَا كُلَّ لَيْلَةٍ ثَلَاثَةً فِي هٰذِهٖ ، وَثَلَاثَةً فِي هٰذِهٖ
৪১. ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী ﷺ বলেছেন, তোমরা ‘ইছমিদ’ সুরমা ব্যবহার করো। কারণ, তা চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করে ও পরিষ্কার রাখে এবং অধিক ভ্রু উৎপন্ন করে (ভ্রু উদগত হয়)। ইবনে আববাস (রাঃ) আরো বলেন, নবী ﷺ এর একটি সুরমাদানী ছিল। প্রত্যেক রাত্রে (ঘুমানোর পূর্বে) ডান চোখে তিনবার এবং বাম চোখে তিনবার সুরমা লাগাতেন। [সুনানুল কুবরা লিল ইমাম বাইহাকী, হা/৮৫১৬।]
ব্যাখ্যা : সুরমা ব্যবহারের হুকুম ও পদ্ধতি :
নারী-পুরুষ সকলের জন্য চোখে সুরমা লাগানো ভালো। তবে সওয়াবের নিয়তে সুরমা লাগানো উচিত, যাতে চোখের উপকারের সাথে সাথে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সুন্নতের অনুসরণের সওয়াবও লাভ হয়।
অত্র হাদীসে সুরমা ব্যবহারের তিনটি উপকারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা বর্তমান বিজ্ঞানে হুবহু প্রমাণিত। এছাড়াও গবেষণায় আরো উপকারিতা পাওয়া গেছে সেগুলো হলো :
১. সর্বধরনের ছোঁয়াচে রোগ-জীবাণুকে ধ্বংস করে।
২. চোখের প্রবেশকৃত ধূলাবালী নিঃসরণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে প্রভৃতি।
৩. অত্যন্ত কার্যকরী জীবাণুনাশক।
৪ চোখে জ্বালাপোড়া খুব কম হয়।
তিনি সাহাবীদেরকে ইছমিদ সুরমা ব্যবহারের জন্য উপদেশ দিয়েছেন :
عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ : عَلَيْكُمْ بِالْاِثْمِدِ عِنْدَ النَّوْمِ ، فَاِنَّهٗ يَجْلُو الْبَصَرَ ، وَيُنْبِتُ الشَّعْرَ
৪২. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, তোমরা শোয়ার সময় অবশ্যই ‘ইছমিদ’ সুরমা ব্যবহার করবে। কারণ, তা চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করে এবং এর ফলে অধিক ভ্রূ জন্মায়। [ইবনে মাজাহ, হা/৩৪৯৬; মুসনাদে আবু ইয়ালা, হা/২০৫৮।]
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ : اِنَّ خَيْرَ اَكْحَالِكُمُ الْاِثْمِدُ ، يَجْلُو الْبَصَرَ ، وَيُنْبِتُ الشَّعْرَ
৪৩. ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, তোমাদের জন্য ‘ইছমিদ’ সুরমা সর্বোৎকৃষ্ট। কারণ, তা দৃষ্টি বাড়ায় এবং এর ফলে অধিক ভ্রূ জন্মায় (উদগত হয়)। [ইবনে মাজাহ, হা/৩৪৯৭; ইবনে হিববান, হা/ ৬০৭৩; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/৮২৪৮।]
بَابُ مَا جَاءَ فِي لِبَاسِ رَسُوْلِ اللهِ
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، اَنَّ النَّبِيَّ قَالَ : اِكْتَحِلُوْا بِالْاِثْمِدِ فَاِنَّهٗ يَجْلُو الْبَصَرَ ، وَيُنْبِتُ الشَّعْرَ . وَزَعَمَ اَنَّ النَّبِيَّ كَانَتْ لَهٗ مُكْحُلَةٌ يَكْتَحِلُ مِنْهَا كُلَّ لَيْلَةٍ ثَلَاثَةً فِي هٰذِهٖ ، وَثَلَاثَةً فِي هٰذِهٖ
৪১. ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী ﷺ বলেছেন, তোমরা ‘ইছমিদ’ সুরমা ব্যবহার করো। কারণ, তা চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করে ও পরিষ্কার রাখে এবং অধিক ভ্রু উৎপন্ন করে (ভ্রু উদগত হয়)। ইবনে আববাস (রাঃ) আরো বলেন, নবী ﷺ এর একটি সুরমাদানী ছিল। প্রত্যেক রাত্রে (ঘুমানোর পূর্বে) ডান চোখে তিনবার এবং বাম চোখে তিনবার সুরমা লাগাতেন। [সুনানুল কুবরা লিল ইমাম বাইহাকী, হা/৮৫১৬।]
ব্যাখ্যা : সুরমা ব্যবহারের হুকুম ও পদ্ধতি :
নারী-পুরুষ সকলের জন্য চোখে সুরমা লাগানো ভালো। তবে সওয়াবের নিয়তে সুরমা লাগানো উচিত, যাতে চোখের উপকারের সাথে সাথে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সুন্নতের অনুসরণের সওয়াবও লাভ হয়।
অত্র হাদীসে সুরমা ব্যবহারের তিনটি উপকারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা বর্তমান বিজ্ঞানে হুবহু প্রমাণিত। এছাড়াও গবেষণায় আরো উপকারিতা পাওয়া গেছে সেগুলো হলো :
১. সর্বধরনের ছোঁয়াচে রোগ-জীবাণুকে ধ্বংস করে।
২. চোখের প্রবেশকৃত ধূলাবালী নিঃসরণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে প্রভৃতি।
৩. অত্যন্ত কার্যকরী জীবাণুনাশক।
৪ চোখে জ্বালাপোড়া খুব কম হয়।
তিনি সাহাবীদেরকে ইছমিদ সুরমা ব্যবহারের জন্য উপদেশ দিয়েছেন :
عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ : عَلَيْكُمْ بِالْاِثْمِدِ عِنْدَ النَّوْمِ ، فَاِنَّهٗ يَجْلُو الْبَصَرَ ، وَيُنْبِتُ الشَّعْرَ
৪২. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, তোমরা শোয়ার সময় অবশ্যই ‘ইছমিদ’ সুরমা ব্যবহার করবে। কারণ, তা চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করে এবং এর ফলে অধিক ভ্রূ জন্মায়। [ইবনে মাজাহ, হা/৩৪৯৬; মুসনাদে আবু ইয়ালা, হা/২০৫৮।]
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ : اِنَّ خَيْرَ اَكْحَالِكُمُ الْاِثْمِدُ ، يَجْلُو الْبَصَرَ ، وَيُنْبِتُ الشَّعْرَ
৪৩. ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, তোমাদের জন্য ‘ইছমিদ’ সুরমা সর্বোৎকৃষ্ট। কারণ, তা দৃষ্টি বাড়ায় এবং এর ফলে অধিক ভ্রূ জন্মায় (উদগত হয়)। [ইবনে মাজাহ, হা/৩৪৯৭; ইবনে হিববান, হা/ ৬০৭৩; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/৮২৪৮।]
بَابُ مَا جَاءَ فِي لِبَاسِ رَسُوْلِ اللهِ