১
আসরের সলাতের সঠিক ওয়াক্ত
লেখকঃ কামাল আহমাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
অনুচ্ছেদ-২: আল্লাহ তাআলা সলাত হেফাযতের সাথে সাথে ‘সলাতুল উসতা’ বা মধ্যবর্তী সলাতকে বিশেষভাবে উল্লেখ করে হেফাযত করতে বলেছেন।
আল্লাহ তাআলা বলেন: حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلَاةِ الْوُسْطَىٰ
“সলাতসমূহকে হেফাযত কর এবং মধ্যবর্তী সলাতও।” [. সূরা বাক্বারাহ: ২৩৮ আয়াত।]
ইমাম ইবনু কাসীর (রহ) বলেন:
يأمر تَعَالَى بِالْمُحَافَظَةِ عَلَى الصَّلَوَاتِ فِي أَوْقَاتِهَا وَحِفْظِ حُدُودِهَا وَأَدَائِهَا فِي أَوْقَاتِهَا، كَمَا ثَبَتَ فِي الصَّحِيحَيْنِ عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ : سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ: أَيُّ الْعَمَلِ أفضل؟ قال : «الصلاة في وَقْتِهَا» . قُلْتُ : ثُمَّ أَيٌّ؟ قَالَ : «الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ» . قُلْتُ : ثُمَّ أَيٌّ؟ قَالَ «بِرُّ الْوَالِدَيْنِ» … وَخَصَّ تَعَالَى مِنْ بَيْنِهَا بِمَزِيدِ التَّأْكِيدِ الصَّلَاةَ الْوُسْطَى .
“(এখানে) আল্লাহ তাআলা সলাতসমূহকে তার নির্ধারিত ওয়াক্ত মোতাবেক হেফাযত করা, সলাতের সীমারেখাগুলো হেফাযত করা এবং ওয়াক্ত মোতাবেক আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন- যেভাবে সহীহহাইনে সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত হয়েছে: ‘আমি রসূলুল্লাহ (স)-কে জিজ্ঞাসা করলাম: কোন আমল সর্বোত্তম? তিনি (স) বললেন: ওয়াক্তমতো সলাত আদায় করা। আমি জিজ্ঞাসা করলাম: অতঃপর কোনটি? তিনি (স) বললেন: আল-জিহাদ ফী সাবীলিল্লাহ। আমি জিজ্ঞাসা করলাম: অতঃপর কোনটি? তিনি (স) বললেন: পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার করা।’ [. সহীহ বুখারী হা/৫২৭, ৫৯৭০, সহীহ মুসলিম ১৫৩ (১৩৭/৮৫)। অনত্র বর্ণিত হয়েছে: الصَّلَاةُ فِي أَوَّلِ وَقْتِهَا ‘প্রথম ওয়াক্তে সলাত আদায় করা।’ [সহীহ ইবনু খুযায়মাহ হা/৩২৭, সহীহ ইবনু হিব্বান হা/১৪৭৫; সনদ সহীহ-শুআয়েব আরনাউত]] …(অতঃপর আয়াতটিতে) আল্লাহ তাআলা সুনির্দিষ্টভাবে মধ্যবর্তী সলাতের প্রতি ব্যাপক গুরুত্বারোপ করেছেন।” [. তাফসীর ইবনু কাসীর সূরা বাক্বারাহ’র ২৩৮ নং আয়াতের তাফসীর। বুঝা যাচ্ছে, জিহাদ ফী সাবীলিল্লাহ ও পিতামাতর প্রতি সদ্ব্যবহারের চেয়ে সময়মতো সলাত আদায় করাটা বেশি গুরুত্ববহ।]
“সলাতসমূহকে হেফাযত কর এবং মধ্যবর্তী সলাতও।” [. সূরা বাক্বারাহ: ২৩৮ আয়াত।]
ইমাম ইবনু কাসীর (রহ) বলেন:
يأمر تَعَالَى بِالْمُحَافَظَةِ عَلَى الصَّلَوَاتِ فِي أَوْقَاتِهَا وَحِفْظِ حُدُودِهَا وَأَدَائِهَا فِي أَوْقَاتِهَا، كَمَا ثَبَتَ فِي الصَّحِيحَيْنِ عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ : سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ: أَيُّ الْعَمَلِ أفضل؟ قال : «الصلاة في وَقْتِهَا» . قُلْتُ : ثُمَّ أَيٌّ؟ قَالَ : «الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ» . قُلْتُ : ثُمَّ أَيٌّ؟ قَالَ «بِرُّ الْوَالِدَيْنِ» … وَخَصَّ تَعَالَى مِنْ بَيْنِهَا بِمَزِيدِ التَّأْكِيدِ الصَّلَاةَ الْوُسْطَى .
“(এখানে) আল্লাহ তাআলা সলাতসমূহকে তার নির্ধারিত ওয়াক্ত মোতাবেক হেফাযত করা, সলাতের সীমারেখাগুলো হেফাযত করা এবং ওয়াক্ত মোতাবেক আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন- যেভাবে সহীহহাইনে সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত হয়েছে: ‘আমি রসূলুল্লাহ (স)-কে জিজ্ঞাসা করলাম: কোন আমল সর্বোত্তম? তিনি (স) বললেন: ওয়াক্তমতো সলাত আদায় করা। আমি জিজ্ঞাসা করলাম: অতঃপর কোনটি? তিনি (স) বললেন: আল-জিহাদ ফী সাবীলিল্লাহ। আমি জিজ্ঞাসা করলাম: অতঃপর কোনটি? তিনি (স) বললেন: পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার করা।’ [. সহীহ বুখারী হা/৫২৭, ৫৯৭০, সহীহ মুসলিম ১৫৩ (১৩৭/৮৫)। অনত্র বর্ণিত হয়েছে: الصَّلَاةُ فِي أَوَّلِ وَقْتِهَا ‘প্রথম ওয়াক্তে সলাত আদায় করা।’ [সহীহ ইবনু খুযায়মাহ হা/৩২৭, সহীহ ইবনু হিব্বান হা/১৪৭৫; সনদ সহীহ-শুআয়েব আরনাউত]] …(অতঃপর আয়াতটিতে) আল্লাহ তাআলা সুনির্দিষ্টভাবে মধ্যবর্তী সলাতের প্রতি ব্যাপক গুরুত্বারোপ করেছেন।” [. তাফসীর ইবনু কাসীর সূরা বাক্বারাহ’র ২৩৮ নং আয়াতের তাফসীর। বুঝা যাচ্ছে, জিহাদ ফী সাবীলিল্লাহ ও পিতামাতর প্রতি সদ্ব্যবহারের চেয়ে সময়মতো সলাত আদায় করাটা বেশি গুরুত্ববহ।]