১
আসরের সলাতের সঠিক ওয়াক্ত
লেখকঃ কামাল আহমাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫১
অনুচ্ছেদ-৪৬: সাহাবীগণ (রা)-ও এক্ষেত্রে আল্লাহর হক্বকে প্রাধান্য দিয়ে শাসকের অপেক্ষায় বসে না থেকে সলাত পড়ে ফেলতেন। কখনই শাসকের হক্বকে প্রাধান্য দেননি।
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ عَنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ الْوَلِيدَ بْنَ عُقْبَةَ أَخَّرَ الصَّلَاةَ مَرَّةً فَقَامَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ فَثَوَّبَ بِالصَّلَاةِ فَصَلَّى بِالنَّاسِ فَأَرْسَلَ إِلَيْهِ الْوَلِيدُ مَا حَمَلَكَ عَلَى مَا صَنَعْتَ أَجَاءَكَ مِنْ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ أَمْرٌ فِيمَا فَعَلْتَ أَمْ ابْتَدَعْتَ قَالَ لَمْ يَأْتِنِي أَمْرٌ مِنْ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ وَلَمْ أَبْتَدِعْ وَلَكِنْ أَبَى اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَلَيْنَا وَرَسُولُهُ أَنْ نَنْتَظِرَكَ بِصَلَاتِنَا وَأَنْتَ فِي حَاجَتِكَ .
‘‘আব্দুল্লাহ বিন উসমান থেকে বর্ণিত, তিনি কাসিম থেকে তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন: একবার ওয়ালিদ বিন উক্ববা সলাতকে বিলম্বিত করলেন, এমতাবস্থায় আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা) দাঁড়িয়ে গেলেন এবং নিজে নিজেই ইক্বামত দিলেন। অতঃপর তিনি ইমামতি করলেন, এরপর ওয়ালিদ তাঁর (ইবনু মাসউদের) কাছে (লোক) পাঠালেন। (তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো) তুমি যা করলে তাতে কিসে তোমাকে প্ররোচিত করল? তোমার কাছে আমীরুল মু’মিনীন বা রাষ্ট্রপ্রধানের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশ আছে কি? নাকি তুমি বিদআত করছ ? তিনি জবাব দিলেন, রাষ্ট্রপ্রধানের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশ আমার কাছে আসেনি এবং আমি বিদআতও করছি না। বরং আল্লাহ তাআলা ও তাঁর রসূলের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে অস্বীকৃতি এসেছে যে, তোমার ব্যস্ততার কারণে তোমার জন্য আমরা সলাতের অপেক্ষা করব।’’ [. মুসনাদু আহমাদ (ইফা) ২/২৬৬ পৃ. হা/১৪০৬। মুহাক্কিক্ব শুআয়েব আরনাউত হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। [তাহক্বীক্ব মুসনাদু আহমাদ হা/৪২৯৮]]
عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ الْبَرَّاءِ، قَالَ : قُلْتُ لِعَبْدِ اللهِ بْنِ الصَّامِتِ : نُصَلِّي يَوْمَ الْجُمُعَةِ خَلْفَ أُمَرَاءَ فَيُؤَخِّرُونَ الصَّلَاةَ، قَالَ : فَضَرَبَ فَخِذِي ضَرْبَةً أَوْجَعَتْنِي، وَقَالَ : سَأَلْتُ أَبَا ذَرٍّ، عَنْ ذَلِكَ فَضَرَبَ فَخِذِي، وَقَالَ : سَأَلْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ عَنْ ذَلِكَ، فَقَالَ : «صَلُّوا الصَّلَاةَ لِوَقْتِهَا، وَاجْعَلُوا صَلَاتَكُمْ مَعَهُمْ نَافِلَةً» ، قَالَ : وَقَالَ عَبْدُ اللهِ : ذُكِرَ لِي أَنَّ نَبِيَّ اللهِ ﷺ ضَرَبَ فَخِذَ أَبِي ذَرٍّ .
‘‘আবুল আলিয়া আল-বার্রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনুস সামিতকে বললাম, আমি এমন সব আমীর বা নেতার পিছনে জুমুআর সলাত আদায় করি যারা দেরি করে সলাত আদায় করে থাকে। মাতার (রা) বলেন: এ কথা শুনে আবুল আলিয়া আল বার্রা আমার ঊরুর উপরে সজোরে এমনভাবে হাত দিয়ে চাপড়ালেন যে, আমি ব্যথাই পেলাম। এবার তিনি বললেন: এ বিষয়ে আমি সাহাবী আবূ যারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনিও আমার ঊরুর উপরে সজোরে হাত দিয়ে চাপড়িয়ে বললেন- আমি রসূলুল্লাহ (স)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন: এমতাবস্থায় তোমরা সময়মতো (প্রথম ওয়াক্তে) সলাত আদায় করে নিবে। আর তাদের সাথে জামাআতের সলাতকে নফল হিসেবে আদায় করবে। আবদুল্লাহ ইবনুস সামিত বলেছেন, আমি জানতে পেরেছি যে, (এ কথা বলার সময়) আল্লাহর নবী (স)-ও আবূ যার-এর ঊরুর উপর সজোরে চাপড় দিয়েছিলেন।’’ [. সহীহ মুসলিম হা/১৩৫৭(২৪৪/৬৪৮)।]
‘‘আব্দুল্লাহ বিন উসমান থেকে বর্ণিত, তিনি কাসিম থেকে তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন: একবার ওয়ালিদ বিন উক্ববা সলাতকে বিলম্বিত করলেন, এমতাবস্থায় আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা) দাঁড়িয়ে গেলেন এবং নিজে নিজেই ইক্বামত দিলেন। অতঃপর তিনি ইমামতি করলেন, এরপর ওয়ালিদ তাঁর (ইবনু মাসউদের) কাছে (লোক) পাঠালেন। (তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো) তুমি যা করলে তাতে কিসে তোমাকে প্ররোচিত করল? তোমার কাছে আমীরুল মু’মিনীন বা রাষ্ট্রপ্রধানের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশ আছে কি? নাকি তুমি বিদআত করছ ? তিনি জবাব দিলেন, রাষ্ট্রপ্রধানের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশ আমার কাছে আসেনি এবং আমি বিদআতও করছি না। বরং আল্লাহ তাআলা ও তাঁর রসূলের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে অস্বীকৃতি এসেছে যে, তোমার ব্যস্ততার কারণে তোমার জন্য আমরা সলাতের অপেক্ষা করব।’’ [. মুসনাদু আহমাদ (ইফা) ২/২৬৬ পৃ. হা/১৪০৬। মুহাক্কিক্ব শুআয়েব আরনাউত হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। [তাহক্বীক্ব মুসনাদু আহমাদ হা/৪২৯৮]]
عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ الْبَرَّاءِ، قَالَ : قُلْتُ لِعَبْدِ اللهِ بْنِ الصَّامِتِ : نُصَلِّي يَوْمَ الْجُمُعَةِ خَلْفَ أُمَرَاءَ فَيُؤَخِّرُونَ الصَّلَاةَ، قَالَ : فَضَرَبَ فَخِذِي ضَرْبَةً أَوْجَعَتْنِي، وَقَالَ : سَأَلْتُ أَبَا ذَرٍّ، عَنْ ذَلِكَ فَضَرَبَ فَخِذِي، وَقَالَ : سَأَلْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ عَنْ ذَلِكَ، فَقَالَ : «صَلُّوا الصَّلَاةَ لِوَقْتِهَا، وَاجْعَلُوا صَلَاتَكُمْ مَعَهُمْ نَافِلَةً» ، قَالَ : وَقَالَ عَبْدُ اللهِ : ذُكِرَ لِي أَنَّ نَبِيَّ اللهِ ﷺ ضَرَبَ فَخِذَ أَبِي ذَرٍّ .
‘‘আবুল আলিয়া আল-বার্রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনুস সামিতকে বললাম, আমি এমন সব আমীর বা নেতার পিছনে জুমুআর সলাত আদায় করি যারা দেরি করে সলাত আদায় করে থাকে। মাতার (রা) বলেন: এ কথা শুনে আবুল আলিয়া আল বার্রা আমার ঊরুর উপরে সজোরে এমনভাবে হাত দিয়ে চাপড়ালেন যে, আমি ব্যথাই পেলাম। এবার তিনি বললেন: এ বিষয়ে আমি সাহাবী আবূ যারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনিও আমার ঊরুর উপরে সজোরে হাত দিয়ে চাপড়িয়ে বললেন- আমি রসূলুল্লাহ (স)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন: এমতাবস্থায় তোমরা সময়মতো (প্রথম ওয়াক্তে) সলাত আদায় করে নিবে। আর তাদের সাথে জামাআতের সলাতকে নফল হিসেবে আদায় করবে। আবদুল্লাহ ইবনুস সামিত বলেছেন, আমি জানতে পেরেছি যে, (এ কথা বলার সময়) আল্লাহর নবী (স)-ও আবূ যার-এর ঊরুর উপর সজোরে চাপড় দিয়েছিলেন।’’ [. সহীহ মুসলিম হা/১৩৫৭(২৪৪/৬৪৮)।]