১
আসরের সলাতের সঠিক ওয়াক্ত
লেখকঃ কামাল আহমাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৮
সৌদি প্রবাসী হানাফী আলেম-৪:
আমি অত্যন্ত বিনয়ের সাথে সে সমস্ত উলামায়ে কেরামের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করব কয়েক কারণে:
(১) নবী (স) এই হাদীসে যে আবূ যার গিফারী (রা)-কে অনুমতি দিয়েছেন যে, তুমি একাকি সলাত পড়ে ফেলবে এবং পরবর্তী জামাআতে শামিল হওয়টা ঐচ্ছিক হিসেবে তোমার জন্য গণ্য হবে, সেটা ছিল- মূলত মুসলিম শাসকরা যখন অলসতা করে রাজনৈতিক কারণে, উদাসীনতার কারণে তারা মাসজিদে দেরিতে এসে দেরিতে জামাআত কায়েম করবেন, তখনকার জন্য।
পর্যালোচনা-৪: শাসক ছাড়াও এ সম্পর্কিত অপর একটি বর্ণনাতে আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা) আলেমদের ক্ষেত্রেও উক্ত হুকুম প্রয়োগ করেছেন। তিনি (রা) বলেন:
إِنَّكُمْ فِيْ زَمَانٍ قَلِيلٍ خُطَبَاؤُهُ، كَثِيرٍ عُلَمَاؤُهُ، يُطِيلُونَ الصَّلَاةَ، وَيُقَصِّرُونَ الْخُطْبَةَ، وَإِنَّهُ سَيَأْتِي عَلَيْكُمْ زَمَانٌ كَثِيرٌ خُطَبَاؤُهُ، قَلِيلٌ عُلَمَاؤُهُ، يُطِيلُونَ الْخُطْبَةَ، وَيُؤَخِّرُونَ الصَّلَاةَ، حَتَّى يُقَالَ : هَذَا شَرَقُ الْمَوْتَى " قَالَ : قُلْتُ لَهُ : وَمَا شَرَقُ الْمَوْتَى؟ قَالَ : «إِذَا اصْفَرَّتِ الشَّمْسُ جِدًّا، فَمَنْ أَدْرَكَ ذَلِكَ فَلْيُصَلِّ الصَّلَاةَ لِوَقْتِهَا، فَإِنِ احْتُبِسَ فَلْيُصَلِّ مَعَهُمْ، وَلْيَجْعَلْ صَلَاتَهُ وَحْدَهُ الْفَرِيضَةَ، وَلْيَجْعَلْ صَلَاتَهُ مَعَهُمْ تَطَوُّعًا .
‘‘তুমি ঐ যামানাতে আছ যখন তাদের খতীবদের সংখ্যা কম হয়, তাদের অনেক আলেম আছেন, তাদের সলাত দীর্ঘ হয় এবং তাদের খুতবা ছোট হয়। তোমার উপর এমন যামানা আসবে যখন তাদের অনেক খতীব হবে, তাদের অল্প আলেম হবে, তাদের খুতবা হবে দীর্ঘ, আর তাদের সলাত হবে দেরিতে- এমনকি তারা বলবে: এই পূর্ব মারা গেছে। (রাবী) বলেন: আমি তাঁকে বললাম: পূর্ব মারা যাওয়াটা কি? তিনি (রা) বললেন: যখন সূর্য খুব হলুদ হয়। সুতরাং যে ব্যক্তি এমন (যামানা) পাবে, সে যেন তার ওয়াক্তে সলাত পড়ে। অতঃপর যদি বাধ্য করা হয় তবে তাদের সাথে সলাত আদায় করে নেবে। তার একক সলাতটি ফরয হিসেবে গণ্য হবে এবং তাদের সাথে আদায়কৃত সলাত নফল হিসেবে গণ্য হবে।’’ [. মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক্ব হা/৩৭৮৭, মুহাল্লা (শামেলা) ২/৪৪ পৃ.। সনদে আবূ ইসহাক্ব মুদাল্লিস। আবূল আহওয়াস থেকে তারা শোনা উল্লেখ হয়নি। তা ছাড়া তার ইখতিলাত (বর্ণনাতে হেরফের) হতো। ইখতিলাতের পূর্বে বা পরে তার থেকে মুআম্মার শুনে বর্ণনা করেছেন- এমনটিও কেউ বলেননি। [আনিসুস সারী ফী তাহক্বীক্ব ওয়া তাখরীজ ফাতহুল বারী ৬/৪২৮১ পৃ. হা/৩০০৭] সহীহ মুসলিমে হাদীসটির [হা/১০৭৮ (২৬/৫৩৪)] মূলভাবে সাক্ষ্য থাকায় তাদলীসের ত্রুটি দূর হয়, ফলে হাদীসটি সহীহ বা হাসান। ইমাম হায়সামী (রহ) বলেন: বর্ণনাকারীগণ সিক্বাহ। (মাজমাউয যাওয়াযিদ হা/৩১৬০)। কিছুপরে জানব, শাসক ও আলেম ক্ষেত্রবিশেষ হকুমের দিকে থেকে পরিপূরক।]
বুঝা যাচ্ছে, এ কাজটি শাসকদের ন্যায় আলেমদের দ্বারাও সংঘটিত হবে।
(১) নবী (স) এই হাদীসে যে আবূ যার গিফারী (রা)-কে অনুমতি দিয়েছেন যে, তুমি একাকি সলাত পড়ে ফেলবে এবং পরবর্তী জামাআতে শামিল হওয়টা ঐচ্ছিক হিসেবে তোমার জন্য গণ্য হবে, সেটা ছিল- মূলত মুসলিম শাসকরা যখন অলসতা করে রাজনৈতিক কারণে, উদাসীনতার কারণে তারা মাসজিদে দেরিতে এসে দেরিতে জামাআত কায়েম করবেন, তখনকার জন্য।
পর্যালোচনা-৪: শাসক ছাড়াও এ সম্পর্কিত অপর একটি বর্ণনাতে আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা) আলেমদের ক্ষেত্রেও উক্ত হুকুম প্রয়োগ করেছেন। তিনি (রা) বলেন:
إِنَّكُمْ فِيْ زَمَانٍ قَلِيلٍ خُطَبَاؤُهُ، كَثِيرٍ عُلَمَاؤُهُ، يُطِيلُونَ الصَّلَاةَ، وَيُقَصِّرُونَ الْخُطْبَةَ، وَإِنَّهُ سَيَأْتِي عَلَيْكُمْ زَمَانٌ كَثِيرٌ خُطَبَاؤُهُ، قَلِيلٌ عُلَمَاؤُهُ، يُطِيلُونَ الْخُطْبَةَ، وَيُؤَخِّرُونَ الصَّلَاةَ، حَتَّى يُقَالَ : هَذَا شَرَقُ الْمَوْتَى " قَالَ : قُلْتُ لَهُ : وَمَا شَرَقُ الْمَوْتَى؟ قَالَ : «إِذَا اصْفَرَّتِ الشَّمْسُ جِدًّا، فَمَنْ أَدْرَكَ ذَلِكَ فَلْيُصَلِّ الصَّلَاةَ لِوَقْتِهَا، فَإِنِ احْتُبِسَ فَلْيُصَلِّ مَعَهُمْ، وَلْيَجْعَلْ صَلَاتَهُ وَحْدَهُ الْفَرِيضَةَ، وَلْيَجْعَلْ صَلَاتَهُ مَعَهُمْ تَطَوُّعًا .
‘‘তুমি ঐ যামানাতে আছ যখন তাদের খতীবদের সংখ্যা কম হয়, তাদের অনেক আলেম আছেন, তাদের সলাত দীর্ঘ হয় এবং তাদের খুতবা ছোট হয়। তোমার উপর এমন যামানা আসবে যখন তাদের অনেক খতীব হবে, তাদের অল্প আলেম হবে, তাদের খুতবা হবে দীর্ঘ, আর তাদের সলাত হবে দেরিতে- এমনকি তারা বলবে: এই পূর্ব মারা গেছে। (রাবী) বলেন: আমি তাঁকে বললাম: পূর্ব মারা যাওয়াটা কি? তিনি (রা) বললেন: যখন সূর্য খুব হলুদ হয়। সুতরাং যে ব্যক্তি এমন (যামানা) পাবে, সে যেন তার ওয়াক্তে সলাত পড়ে। অতঃপর যদি বাধ্য করা হয় তবে তাদের সাথে সলাত আদায় করে নেবে। তার একক সলাতটি ফরয হিসেবে গণ্য হবে এবং তাদের সাথে আদায়কৃত সলাত নফল হিসেবে গণ্য হবে।’’ [. মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক্ব হা/৩৭৮৭, মুহাল্লা (শামেলা) ২/৪৪ পৃ.। সনদে আবূ ইসহাক্ব মুদাল্লিস। আবূল আহওয়াস থেকে তারা শোনা উল্লেখ হয়নি। তা ছাড়া তার ইখতিলাত (বর্ণনাতে হেরফের) হতো। ইখতিলাতের পূর্বে বা পরে তার থেকে মুআম্মার শুনে বর্ণনা করেছেন- এমনটিও কেউ বলেননি। [আনিসুস সারী ফী তাহক্বীক্ব ওয়া তাখরীজ ফাতহুল বারী ৬/৪২৮১ পৃ. হা/৩০০৭] সহীহ মুসলিমে হাদীসটির [হা/১০৭৮ (২৬/৫৩৪)] মূলভাবে সাক্ষ্য থাকায় তাদলীসের ত্রুটি দূর হয়, ফলে হাদীসটি সহীহ বা হাসান। ইমাম হায়সামী (রহ) বলেন: বর্ণনাকারীগণ সিক্বাহ। (মাজমাউয যাওয়াযিদ হা/৩১৬০)। কিছুপরে জানব, শাসক ও আলেম ক্ষেত্রবিশেষ হকুমের দিকে থেকে পরিপূরক।]
বুঝা যাচ্ছে, এ কাজটি শাসকদের ন্যায় আলেমদের দ্বারাও সংঘটিত হবে।