১
তাওহীদের মর্মকথা
লেখকঃ আব্দুর রহমান বিন নাসের সাদী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৬
৪৩তম অধ্যায়: আল্লাহর নামে কসম করে সন্তুষ্ট না থাকার পরিণাম
১। ইবনে ওমর রা. থেকে বর্ণিত আছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসালম এরশাদ করেছেন,
لا تحلفوا بآبائكم، من حلف بالله فليصدق، ومن حلف له بالله فليرض، ومن لم يرض فليس من الله . ( رواه ابن ماجه بسند حسن )
‘‘ তোমরা তোমাদের বাপ- দাদার নামে কসম করো না, যে ব্যক্তি আল্লাহর নামে কসম করে, তার উচিত কসমকে বাস্তবায়িত করা। আর যে ব্যক্তির উদ্দেশ্যে আল্লহর নামে কসম করা হলো, তার উচিত উক্ত কসমে সন্তুষ্ট থাকা। আল্লহর কসমে যে ব্যক্তি সন্তুষ্ট হলো না, আল্লাহর পক্ষ থেকে তার কল্যাণের কোন আশা নেই।’’ (ইবনে মাজা)
ব্যাখ্যা
আল্লাহর নামে কসম করে যে ব্যক্তি সন্তুষ্ট নয় তার পরিণাম
এ অধ্যায়ের উদ্দেশ্য হচ্ছে এ কথা উপলব্ধি করা যে, যদি তোমার [বিবদমান] প্রতিপক্ষের প্রতি ‘হলফ’ করার নির্দেশ হয় এবং তার সত্যতা সম্পর্কে জানা থাকে অথবা ‘হলফ’টা বাহ্যত: কল্যাণকর ও ন্যায়- ভিত্তিক হয়, তাহলে তার হলফের ব্যাপারে তোমার সন্তুষ্ট ও তৃপ্ত থাকা উচিত ।
মুসলমানদের উপর তাদের রবের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করার যে দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে, তার অপরিহার্য করণীয় হিসেবে আল্লাহর নামে কসমের ব্যাপারে তোমার সন্তুষ্ট থাকা উচিত। এমনিভাবে তুমি যদি তার জন্য আল্লাহর নামে কসম করো, তারপর সে যদি বিষয়টি পরিত্যাগ করার হলফ কিংবা প্রতিপক্ষের উপর শাস্তির অভিশাপ ও বদ জিকির">দোয়া ব্যতীত রাজি না হয়, তাহলে এটা [আচরণ] হবে وعيد
এ অধ্যায় থেকে নিম্ন বর্ণিত বিষয়গুলো জানা যায় .
১। বাপ-দাদার নামে কসম করার উপর নিষেধাজ্ঞা।
২। যার জন্য আল্লহর নামে কসম করা হলো, তার প্রতি [কসমের বিষয়ে ] সন্তুষ্ট থাকার নির্দেশ।
৩। আল্লহর নামে কসম করার পর, যে উহাতে সন্তুষ্ট থাকে না, তার প্রতি ভয় প্রদর্শন ও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ।
[ওয়াহিদ অর্থাৎ শাস্তির হুশিয়ারী] এর অন্তর্ভুক্ত। কারণ, এ ধরনের আচরণ বেয়াদবি এবং আল্লাহর প্রতি সম্মান প্রদর্শন পরিত্যাগ করার শামিল।
আর যে ব্যক্তি প্রতিপক্ষের কোন অশ্লীলতা এবং মিথ্যা সম্পর্কে অবগত আছে, সে তার [প্রতিপক্ষের] যতটুকু মিথ্যা নিশ্চিত ভাবে জানে ততটুকুর ব্যাপারে হলফ করবে। এমতাবস্থায় প্রতিপক্ষের মিথ্যা সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকার কারণে তার [মিথ্যা সম্পর্কিত] হলফ وعيد [ওয়াইদ] এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে না। কেননা তার [মিথ্যুক] প্রতিপক্ষের অন্তরে আল্লাহর প্রতি কোন সম্মান নেই। যার ফলে তার হলফের ব্যাপারে মানুষ নিশ্চিত হতে পারে। অতএব প্রতিপক্ষের মিথ্যা সম্পর্কে নিশ্চিত জেনে হলফ করলে তা ওয়াঈদ ( وعيد ) অর্থাৎ শাস্তি দেয়ার হুঁশিয়ারির অন্তর্ভুক্ত হবে না। কারণ তার অবস্থা নিশ্চিতভাবে ত্রুটিমুক্ত।
لا تحلفوا بآبائكم، من حلف بالله فليصدق، ومن حلف له بالله فليرض، ومن لم يرض فليس من الله . ( رواه ابن ماجه بسند حسن )
‘‘ তোমরা তোমাদের বাপ- দাদার নামে কসম করো না, যে ব্যক্তি আল্লাহর নামে কসম করে, তার উচিত কসমকে বাস্তবায়িত করা। আর যে ব্যক্তির উদ্দেশ্যে আল্লহর নামে কসম করা হলো, তার উচিত উক্ত কসমে সন্তুষ্ট থাকা। আল্লহর কসমে যে ব্যক্তি সন্তুষ্ট হলো না, আল্লাহর পক্ষ থেকে তার কল্যাণের কোন আশা নেই।’’ (ইবনে মাজা)
ব্যাখ্যা
আল্লাহর নামে কসম করে যে ব্যক্তি সন্তুষ্ট নয় তার পরিণাম
এ অধ্যায়ের উদ্দেশ্য হচ্ছে এ কথা উপলব্ধি করা যে, যদি তোমার [বিবদমান] প্রতিপক্ষের প্রতি ‘হলফ’ করার নির্দেশ হয় এবং তার সত্যতা সম্পর্কে জানা থাকে অথবা ‘হলফ’টা বাহ্যত: কল্যাণকর ও ন্যায়- ভিত্তিক হয়, তাহলে তার হলফের ব্যাপারে তোমার সন্তুষ্ট ও তৃপ্ত থাকা উচিত ।
মুসলমানদের উপর তাদের রবের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করার যে দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে, তার অপরিহার্য করণীয় হিসেবে আল্লাহর নামে কসমের ব্যাপারে তোমার সন্তুষ্ট থাকা উচিত। এমনিভাবে তুমি যদি তার জন্য আল্লাহর নামে কসম করো, তারপর সে যদি বিষয়টি পরিত্যাগ করার হলফ কিংবা প্রতিপক্ষের উপর শাস্তির অভিশাপ ও বদ জিকির">দোয়া ব্যতীত রাজি না হয়, তাহলে এটা [আচরণ] হবে وعيد
এ অধ্যায় থেকে নিম্ন বর্ণিত বিষয়গুলো জানা যায় .
১। বাপ-দাদার নামে কসম করার উপর নিষেধাজ্ঞা।
২। যার জন্য আল্লহর নামে কসম করা হলো, তার প্রতি [কসমের বিষয়ে ] সন্তুষ্ট থাকার নির্দেশ।
৩। আল্লহর নামে কসম করার পর, যে উহাতে সন্তুষ্ট থাকে না, তার প্রতি ভয় প্রদর্শন ও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ।
[ওয়াহিদ অর্থাৎ শাস্তির হুশিয়ারী] এর অন্তর্ভুক্ত। কারণ, এ ধরনের আচরণ বেয়াদবি এবং আল্লাহর প্রতি সম্মান প্রদর্শন পরিত্যাগ করার শামিল।
আর যে ব্যক্তি প্রতিপক্ষের কোন অশ্লীলতা এবং মিথ্যা সম্পর্কে অবগত আছে, সে তার [প্রতিপক্ষের] যতটুকু মিথ্যা নিশ্চিত ভাবে জানে ততটুকুর ব্যাপারে হলফ করবে। এমতাবস্থায় প্রতিপক্ষের মিথ্যা সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকার কারণে তার [মিথ্যা সম্পর্কিত] হলফ وعيد [ওয়াইদ] এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে না। কেননা তার [মিথ্যুক] প্রতিপক্ষের অন্তরে আল্লাহর প্রতি কোন সম্মান নেই। যার ফলে তার হলফের ব্যাপারে মানুষ নিশ্চিত হতে পারে। অতএব প্রতিপক্ষের মিথ্যা সম্পর্কে নিশ্চিত জেনে হলফ করলে তা ওয়াঈদ ( وعيد ) অর্থাৎ শাস্তি দেয়ার হুঁশিয়ারির অন্তর্ভুক্ত হবে না। কারণ তার অবস্থা নিশ্চিতভাবে ত্রুটিমুক্ত।