১
তাওহীদের মর্মকথা
লেখকঃ আব্দুর রহমান বিন নাসের সাদী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৭
৫৪তম অধ্যায়
১। আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত আছে রাসূল সাহাবী এরশাদ করেছেন,
لا يقل أحدكم أطعم ربك، وضئ ربك، وليقل : سيدى ومولاى، ولا يقل أحدكم عبدى وأمتى، وليقل : فتاى وفتاتى و غلامى .
‘‘ তোমাদের কেউ যেন না বলে, ‘তোমার প্রভুকে খাইয়ে দাও’ ‘তোমার প্রভুকে ওজু করাও’। বরং সে যেন বলে, ‘আমার নেতা’ ‘আমার মনিব’। তোমাদের কেউ যেন না বলে ‘আমার দাস’ ‘আমার দাসী’। বরং সে যেন বলে, ‘আমার ছেলে, আমার মেয়ে, আমার চাকর।’’
এ অধ্যায় থেকে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো জানা যায় .
১। আমার দাস- দাসী বলা নিষিদ্ধ।
২। কোন গোলাম যেন তার মনিবকে না বলে, ‘আমার প্রভু’। এ
ব্যাখ্যা
আমার দাস-দাসী বলা যাবে না
আমার দাস-দাসী বলার পরিবর্তে আমার ছেলে, আমার মেয়ে বলা বান্দার জন্য মোস্তাহাব। এ রকম বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে, এমন শব্দের প্রয়োগ থেকে বেঁচে থাকা, যার মধ্যে বিভ্রান্তি ও সাবধানতার বিষয় নিহিত আছে। আমার দাস- দাসী বলা হারাম নয়, তবে উত্তম শব্দাবলি প্রয়োগের মাধ্যমে পরিপূর্ণ শিষ্টা চার রক্ষা করাই হচ্ছে উল্লেখিত হাদিসের উদ্দেশ্য। ব্যবহৃত শব্দাবলি অবশ্যই এমন হওয়া চাই, যা যে কোনদিক থেকে নিষিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা থেকে মুক্ত।
শব্দ প্রয়োগের মধ্যে ভদ্রতা ও শিষ্টা চার রক্ষা করা বান্দার পরিপূর্ণ এখলাসের প্রমাণ পেশ করে। বিশেষ করে এমন শব্দাবলির ক্ষেত্রে, যেগুলো উল্লেখিত ব্যাপারে বেশি প্রয়োজন হয়।
কথাও যেন না বলে, ‘তোমার রবকে আহার করাও’।
৩। প্রথম শিক্ষণীয় বিষয় হলো, ‘আমার ছেলে’ ‘আমার মেয়ে’ ‘আমার চাকর’ বলতে হবে।
৪। দ্বিতীয় শিক্ষণীয় বিষয় হলো, ‘আমার নেতা,’ ‘আমার মনিব’ বলতে হবে।
৫। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের প্রতি সতর্কতা অবলম্বন। আর তা হচ্ছে, শব্দ ব্যবহার ও প্রয়োগের মধ্যেও তাওহীদের শিক্ষা বাস্তবায়ন করা।
لا يقل أحدكم أطعم ربك، وضئ ربك، وليقل : سيدى ومولاى، ولا يقل أحدكم عبدى وأمتى، وليقل : فتاى وفتاتى و غلامى .
‘‘ তোমাদের কেউ যেন না বলে, ‘তোমার প্রভুকে খাইয়ে দাও’ ‘তোমার প্রভুকে ওজু করাও’। বরং সে যেন বলে, ‘আমার নেতা’ ‘আমার মনিব’। তোমাদের কেউ যেন না বলে ‘আমার দাস’ ‘আমার দাসী’। বরং সে যেন বলে, ‘আমার ছেলে, আমার মেয়ে, আমার চাকর।’’
এ অধ্যায় থেকে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো জানা যায় .
১। আমার দাস- দাসী বলা নিষিদ্ধ।
২। কোন গোলাম যেন তার মনিবকে না বলে, ‘আমার প্রভু’। এ
ব্যাখ্যা
আমার দাস-দাসী বলা যাবে না
আমার দাস-দাসী বলার পরিবর্তে আমার ছেলে, আমার মেয়ে বলা বান্দার জন্য মোস্তাহাব। এ রকম বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে, এমন শব্দের প্রয়োগ থেকে বেঁচে থাকা, যার মধ্যে বিভ্রান্তি ও সাবধানতার বিষয় নিহিত আছে। আমার দাস- দাসী বলা হারাম নয়, তবে উত্তম শব্দাবলি প্রয়োগের মাধ্যমে পরিপূর্ণ শিষ্টা চার রক্ষা করাই হচ্ছে উল্লেখিত হাদিসের উদ্দেশ্য। ব্যবহৃত শব্দাবলি অবশ্যই এমন হওয়া চাই, যা যে কোনদিক থেকে নিষিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা থেকে মুক্ত।
শব্দ প্রয়োগের মধ্যে ভদ্রতা ও শিষ্টা চার রক্ষা করা বান্দার পরিপূর্ণ এখলাসের প্রমাণ পেশ করে। বিশেষ করে এমন শব্দাবলির ক্ষেত্রে, যেগুলো উল্লেখিত ব্যাপারে বেশি প্রয়োজন হয়।
কথাও যেন না বলে, ‘তোমার রবকে আহার করাও’।
৩। প্রথম শিক্ষণীয় বিষয় হলো, ‘আমার ছেলে’ ‘আমার মেয়ে’ ‘আমার চাকর’ বলতে হবে।
৪। দ্বিতীয় শিক্ষণীয় বিষয় হলো, ‘আমার নেতা,’ ‘আমার মনিব’ বলতে হবে।
৫। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের প্রতি সতর্কতা অবলম্বন। আর তা হচ্ছে, শব্দ ব্যবহার ও প্রয়োগের মধ্যেও তাওহীদের শিক্ষা বাস্তবায়ন করা।