১
তাওহীদের মর্মকথা
লেখকঃ আব্দুর রহমান বিন নাসের সাদী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৯
৪৬তম অধ্যায়: কাজীউল কুজাত [মহা বিচারক] প্রভৃতি নামকরণ প্রসঙ্গ
১। আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন,
إن أخنع اسم عند الله، رجل تسمى ملك الأملاك، لا مالك إلا الله .
‘‘আল্লহ তাআলার কাছে ঐ ব্যক্তির নাম সবচেয়ে নিকৃষ্ট, যার নামকরণ করা হয় ‘রাজাধিরাজ’ বা ‘প্রভুর প্রভু’। আল্লহ ব্যতীত কোন প্রভু নেই’’। (বুখারী)
সুফিয়ান সওরী বলেছেন, ‘রাজাধিরাজ’ কথাটি ‘শাহানশাহ’ এর মতই একটি নাম। আরো একটি বর্ণনা মতে রাসূল সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লম এরশাদ করেন-
أغيظ رجل على الله يوم القيامة وأخبثه .
ব্যাখ্যা
‘কাজীউল কুজাত’ এবং এ জাতীয় নাম করণ প্রসঙ্গে এবং আল্লহর নামের প্রতি সম্মান প্রদর্শণার্থে নামের পরিবর্তন প্রসঙ্গে।
এ দু’টি শিরোনামই পূর্ববর্তী অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত।
[পূর্ববর্তী অধ্যায়ের] মূল কথা হচ্ছে, নিয়ত, কথা ও কাজের মধ্যে আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক না করা বান্দার অপরিহার্য কর্তব্য। তাই কেউ যেন এমন নাম করণ না করে যার মধ্যে আল্লহর নাম ও সিফাতের ক্ষেত্রে অংশীদারিত্বের কথা নিহিত আছে। যেমন ‘কাজীউল কুজাত’ [মহা বিচারক], অথবা ‘মালিকুল মুলুক’, ‘হাকিমুল হুককাম’ [মহা শাসক] অথবা আবুল হাকাম [মহা জ্ঞানী] প্রভৃতি। এ সবকিছুই হচ্ছে তাওহীদ এবং আল্লহর আসমা ও সিফাত [ নাম ও গুণাবলি] এর হেফাজতের জন্য, আর শিরকের
অর্থাৎ ‘‘ কেয়ামতের দিন আল্লহর কাছে সবচেয়ে নিকৃষ্ট এবং খারাপ ব্যক্তি হচ্ছে [যার নামকরণ করা হচ্ছে রাজাধিরাজ]’। উল্লেখিত হাদিসে أخنع শব্দের অর্থ হচ্ছে সবচেয়ে নিকৃষ্ট।
এ অধ্যায় থেকে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো জানা যায় .
১। ‘রাজাধিরাজ’ নামকরণের প্রতি নিষেধাজ্ঞা।
২। ‘রাজাধিরাজ’ এর অর্থ সুফিয়ান সওরী কর্তৃক বর্ণিত ‘শাহানশাহ’ এর অর্থের অনুরূপ।
৩। বর্ণিত ব্যাপারে এবং এ জাতীয় বিষয়ে সাবধানতা অবলম্বন করা। এক্ষেত্রে অন্তরে কি নিয়ত আছে তা বিবেচ্য নয়।
৪। বুদ্ধিমত্তা ও বিচক্ষণতা সবই আল্লহর উদ্দেশ্যে হওয়া বাঞ্ছনীয়।
যাবতীয় পথ ও মাধ্যম বন্ধ করার জন্য। এমনকি সেই সব আশংকাজনক শব্দাবলির প্রয়োগ বন্ধ করার জন্য, যা ধীরে- ধীরে মানুষকে আল্লহর খাসিয়ত ও হকের ব্যাপারে অংশীদারিত্বের দিকে নিয়ে যায়।
إن أخنع اسم عند الله، رجل تسمى ملك الأملاك، لا مالك إلا الله .
‘‘আল্লহ তাআলার কাছে ঐ ব্যক্তির নাম সবচেয়ে নিকৃষ্ট, যার নামকরণ করা হয় ‘রাজাধিরাজ’ বা ‘প্রভুর প্রভু’। আল্লহ ব্যতীত কোন প্রভু নেই’’। (বুখারী)
সুফিয়ান সওরী বলেছেন, ‘রাজাধিরাজ’ কথাটি ‘শাহানশাহ’ এর মতই একটি নাম। আরো একটি বর্ণনা মতে রাসূল সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লম এরশাদ করেন-
أغيظ رجل على الله يوم القيامة وأخبثه .
ব্যাখ্যা
‘কাজীউল কুজাত’ এবং এ জাতীয় নাম করণ প্রসঙ্গে এবং আল্লহর নামের প্রতি সম্মান প্রদর্শণার্থে নামের পরিবর্তন প্রসঙ্গে।
এ দু’টি শিরোনামই পূর্ববর্তী অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত।
[পূর্ববর্তী অধ্যায়ের] মূল কথা হচ্ছে, নিয়ত, কথা ও কাজের মধ্যে আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক না করা বান্দার অপরিহার্য কর্তব্য। তাই কেউ যেন এমন নাম করণ না করে যার মধ্যে আল্লহর নাম ও সিফাতের ক্ষেত্রে অংশীদারিত্বের কথা নিহিত আছে। যেমন ‘কাজীউল কুজাত’ [মহা বিচারক], অথবা ‘মালিকুল মুলুক’, ‘হাকিমুল হুককাম’ [মহা শাসক] অথবা আবুল হাকাম [মহা জ্ঞানী] প্রভৃতি। এ সবকিছুই হচ্ছে তাওহীদ এবং আল্লহর আসমা ও সিফাত [ নাম ও গুণাবলি] এর হেফাজতের জন্য, আর শিরকের
অর্থাৎ ‘‘ কেয়ামতের দিন আল্লহর কাছে সবচেয়ে নিকৃষ্ট এবং খারাপ ব্যক্তি হচ্ছে [যার নামকরণ করা হচ্ছে রাজাধিরাজ]’। উল্লেখিত হাদিসে أخنع শব্দের অর্থ হচ্ছে সবচেয়ে নিকৃষ্ট।
এ অধ্যায় থেকে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো জানা যায় .
১। ‘রাজাধিরাজ’ নামকরণের প্রতি নিষেধাজ্ঞা।
২। ‘রাজাধিরাজ’ এর অর্থ সুফিয়ান সওরী কর্তৃক বর্ণিত ‘শাহানশাহ’ এর অর্থের অনুরূপ।
৩। বর্ণিত ব্যাপারে এবং এ জাতীয় বিষয়ে সাবধানতা অবলম্বন করা। এক্ষেত্রে অন্তরে কি নিয়ত আছে তা বিবেচ্য নয়।
৪। বুদ্ধিমত্তা ও বিচক্ষণতা সবই আল্লহর উদ্দেশ্যে হওয়া বাঞ্ছনীয়।
যাবতীয় পথ ও মাধ্যম বন্ধ করার জন্য। এমনকি সেই সব আশংকাজনক শব্দাবলির প্রয়োগ বন্ধ করার জন্য, যা ধীরে- ধীরে মানুষকে আল্লহর খাসিয়ত ও হকের ব্যাপারে অংশীদারিত্বের দিকে নিয়ে যায়।