১
তরবিয়ত ও চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন
লেখকঃ শামছুল হক ছিদ্দিক, নোমান আবুল বাশার, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩০
শেষ পরিণতি খারাপ হওয়ার কারণসমূহ : প্রথমত : তাওবা করতে দেরী করা
আসলে তো সকল প্রকার পাপ থেকে তওবা করা মানুষের জন্য ওয়াজিব। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন :—
وَتُوبُوا إِلَى اللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَا الْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ . ﴿النور : 31﴾
‘হে মুমিনগন! তোমরা সকলে আল্লাহর নিকট তাওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।’ [সূরা নূর : ৩১।] রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দিনের মধ্যে একশ বার তাওবা করতেন, অথচ তার পূর্বাপর সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে। যেমন তিনি বলেছেন :
يا أيها الناس توبوا إلى الله، فإني أتوب في اليوم إليه مائة مرة . رواه مسلم (2702)
‘হে মানব সকল ! তোমরা আল্লাহর কাছে তওবা কর। আমিতো দিনের মধ্যে একশত বার আল্লাহর কাছে তওবা কওে থাকি।’ [মুসলিম : ২৭০২।] নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেছেন—
أن التائب من الذنب كمن لا ذنب لـه رواه ابن ماجه (4250) ، وحسنه الألباني في صحيح الجامع (3008)
‘পাপ থেকে তাওবা কারী এমন ব্যক্তির মত যে কোন পাপ করেনি।’ [ইবনু মাজাহ : ৪২৫০। সহিহ আল-জামে : ৩০০৮।]
তওবা করতে গড়িমসি করা ইবলীস শয়তানের বড় একটা ধোকা। সে মানুষকে বলতে থাকে, ‘এত তাড়াহুড়ো করার কি দরকার! তোমার আরো কত সময় পড়ে আছে। তুমি মাত্র যুবক। মনে কর তুমি কম করে হলেও ষাট বছর বেঁচে থাকবে। শেষ জীবনে খাটি তওবা করে নিবে। তখন খূব বেশী করে এবাদত-বন্দেগী করে পিছনের গুলো পুষিয়ে নিবে। এখন তুমি যুবক। জীবনটাকে একটু মনের মত উপভোগ করে নাও!’
এ কারণে অনেক উলামায়ে কেরাম বলেছেন, ‘তওবা করতে গড়িমসি করা থেকে সাবধান থাকবে। ‘এখনতো সময় আছে-‘অতিসত্বর করে নিব, এইতো করে নিচ্ছি’ এজাতীয় ভবিষ্যত অর্থবহ শব্দ অর্থাৎ ‘সাওফা’ হতে ওলামায়ে কেরাম সতর্ক করে বলেছেন, কারণ, এটাই ইবলিসের সবচে’ বড় চেলা। কেননা এটা হল ইবলীস শয়তানের সবচেয়ে বড় চক্রান্ত।
وَتُوبُوا إِلَى اللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَا الْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ . ﴿النور : 31﴾
‘হে মুমিনগন! তোমরা সকলে আল্লাহর নিকট তাওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।’ [সূরা নূর : ৩১।] রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দিনের মধ্যে একশ বার তাওবা করতেন, অথচ তার পূর্বাপর সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে। যেমন তিনি বলেছেন :
يا أيها الناس توبوا إلى الله، فإني أتوب في اليوم إليه مائة مرة . رواه مسلم (2702)
‘হে মানব সকল ! তোমরা আল্লাহর কাছে তওবা কর। আমিতো দিনের মধ্যে একশত বার আল্লাহর কাছে তওবা কওে থাকি।’ [মুসলিম : ২৭০২।] নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেছেন—
أن التائب من الذنب كمن لا ذنب لـه رواه ابن ماجه (4250) ، وحسنه الألباني في صحيح الجامع (3008)
‘পাপ থেকে তাওবা কারী এমন ব্যক্তির মত যে কোন পাপ করেনি।’ [ইবনু মাজাহ : ৪২৫০। সহিহ আল-জামে : ৩০০৮।]
তওবা করতে গড়িমসি করা ইবলীস শয়তানের বড় একটা ধোকা। সে মানুষকে বলতে থাকে, ‘এত তাড়াহুড়ো করার কি দরকার! তোমার আরো কত সময় পড়ে আছে। তুমি মাত্র যুবক। মনে কর তুমি কম করে হলেও ষাট বছর বেঁচে থাকবে। শেষ জীবনে খাটি তওবা করে নিবে। তখন খূব বেশী করে এবাদত-বন্দেগী করে পিছনের গুলো পুষিয়ে নিবে। এখন তুমি যুবক। জীবনটাকে একটু মনের মত উপভোগ করে নাও!’
এ কারণে অনেক উলামায়ে কেরাম বলেছেন, ‘তওবা করতে গড়িমসি করা থেকে সাবধান থাকবে। ‘এখনতো সময় আছে-‘অতিসত্বর করে নিব, এইতো করে নিচ্ছি’ এজাতীয় ভবিষ্যত অর্থবহ শব্দ অর্থাৎ ‘সাওফা’ হতে ওলামায়ে কেরাম সতর্ক করে বলেছেন, কারণ, এটাই ইবলিসের সবচে’ বড় চেলা। কেননা এটা হল ইবলীস শয়তানের সবচেয়ে বড় চক্রান্ত।