১
তরবিয়ত ও চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন
লেখকঃ শামছুল হক ছিদ্দিক, নোমান আবুল বাশার, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯৯
মুহাসাবা কিভাবে করবেন :
মুহাসাবার জন্য শরীঅত নির্দেশিত নিদিষ্ট কোন নিয়ম নেই। মুমিন ব্যক্তি নিজে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে যেটা ভাল মনে করবেন সেটার হিসাব করতে চেষ্টা করবেন। যতবেশী নিজের কর্মকান্ডগুলো মুহাসাবা করবেন ততই কার কল্যাণ। কি কি বিষয়ে মুহাসাবা করা যেতে পারে এর এর সংক্ষিপ্ত রূপরেখা নীচে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।
(ক) প্রথমে হিসাব নিতে হবে আল্লাহ আমার প্রতি যে সকল কাজ, আকীদা-বিশ্বাস ফরজ করে দিয়েছেন আমি সেটা আদায় করছি কিনা ? আদায় করে থাকলে সেটা কি ইখলাছের সাথে আদায় করছি ? সেটা আদায় করতে যেয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাহ অনুসরণ করছি কিনা? এ সকল প্রশ্নের উত্তরে যদি কোন ক্রটি পরিলক্ষিত হয় তাহলে তা দূর করতে হবে এবং এর জন্য তাওবা ও ইস্তেগফার করতে হবে।
এ ক্ষেত্রে প্রথমে তাওহীদ বা আল্লাহর একাত্ববাদকে প্রাধ্যান্য দেবে। দেখতে হবে আমি তাওহীদের পরিপূর্ণ আকীদা পোষণ করছি কি না ? সকল প্রকার ছোট বড় শিরক থেকে পুত-পবিত্রতা অর্জন করতে পেরেছি কি না? সকল ক্ষেত্রে আল্লাহর উপর ভরসা, তাওয়াক্কুল, তার কাছে আশ্রয় নেয়া ও তার কাছেই দোয়া-প্রার্থনা করছি কি না ? অত:পর ফরজ কাজের হিসাব নিতে চেষ্টা করা ; পাঁচ ওয়াক্ত সালাতসমূহ সময়মত, তার সকল শর্ত, রুকন, ওয়াজিব, সুন্নাতের সাথে আদায় হচ্ছে কি না?
(খ) আল্লাহ তাআলা যা কিছু নিষেধ করেছেন তা আমি কতখানি পরিহার করতে পেরেছি। এই বিষয়টার হিসাব নেয়া।
(গ) আমার আচার-আচারন সম্পূর্ণভাবে ইসলামী চরিত্রে পরিণত হয়েছে কি না? যদি না হয়ে থাকে তবে তা অর্জনের জন্য কোন প্রচেষ্টা চালিয়েছি কি না ? আর চরিত্রের খারাপ দিকগুলো পরিত্যাগ করতে পেরেছি কি না ? এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়ে থাকলে তা কতটা সফল হয়েছে ?
(ঘ) সুন্নাত ও নফল আমলগুলো আদায়ের ব্যাপারে কতখানি যত্নবান হয়েছি তা হিসেব করে দেখা।
(ঙ) উপরোলিখ বিষয়গুলো ছাড়া অন্য সকল কাজ-কর্মগুলো আমি আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন করার জন্য করতে পেরেছি কি না তার হিসোব নেয়া।
এভাবে মুহাসাবা করে, নিজের হিসাব নিজে নিয়ে যে কোন মুসলিম নিজেকে উন্নত করতে পারে। পূর্ণতা ও সফলতার শীর্ষে নিয়ে যেতে পারে।
(ক) প্রথমে হিসাব নিতে হবে আল্লাহ আমার প্রতি যে সকল কাজ, আকীদা-বিশ্বাস ফরজ করে দিয়েছেন আমি সেটা আদায় করছি কিনা ? আদায় করে থাকলে সেটা কি ইখলাছের সাথে আদায় করছি ? সেটা আদায় করতে যেয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাহ অনুসরণ করছি কিনা? এ সকল প্রশ্নের উত্তরে যদি কোন ক্রটি পরিলক্ষিত হয় তাহলে তা দূর করতে হবে এবং এর জন্য তাওবা ও ইস্তেগফার করতে হবে।
এ ক্ষেত্রে প্রথমে তাওহীদ বা আল্লাহর একাত্ববাদকে প্রাধ্যান্য দেবে। দেখতে হবে আমি তাওহীদের পরিপূর্ণ আকীদা পোষণ করছি কি না ? সকল প্রকার ছোট বড় শিরক থেকে পুত-পবিত্রতা অর্জন করতে পেরেছি কি না? সকল ক্ষেত্রে আল্লাহর উপর ভরসা, তাওয়াক্কুল, তার কাছে আশ্রয় নেয়া ও তার কাছেই দোয়া-প্রার্থনা করছি কি না ? অত:পর ফরজ কাজের হিসাব নিতে চেষ্টা করা ; পাঁচ ওয়াক্ত সালাতসমূহ সময়মত, তার সকল শর্ত, রুকন, ওয়াজিব, সুন্নাতের সাথে আদায় হচ্ছে কি না?
(খ) আল্লাহ তাআলা যা কিছু নিষেধ করেছেন তা আমি কতখানি পরিহার করতে পেরেছি। এই বিষয়টার হিসাব নেয়া।
(গ) আমার আচার-আচারন সম্পূর্ণভাবে ইসলামী চরিত্রে পরিণত হয়েছে কি না? যদি না হয়ে থাকে তবে তা অর্জনের জন্য কোন প্রচেষ্টা চালিয়েছি কি না ? আর চরিত্রের খারাপ দিকগুলো পরিত্যাগ করতে পেরেছি কি না ? এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়ে থাকলে তা কতটা সফল হয়েছে ?
(ঘ) সুন্নাত ও নফল আমলগুলো আদায়ের ব্যাপারে কতখানি যত্নবান হয়েছি তা হিসেব করে দেখা।
(ঙ) উপরোলিখ বিষয়গুলো ছাড়া অন্য সকল কাজ-কর্মগুলো আমি আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন করার জন্য করতে পেরেছি কি না তার হিসোব নেয়া।
এভাবে মুহাসাবা করে, নিজের হিসাব নিজে নিয়ে যে কোন মুসলিম নিজেকে উন্নত করতে পারে। পূর্ণতা ও সফলতার শীর্ষে নিয়ে যেতে পারে।