১
তরবিয়ত ও চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন
লেখকঃ শামছুল হক ছিদ্দিক, নোমান আবুল বাশার, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৯
প্রথমত: আল্লাহ ভীতি তার আনুগত্য করা এবং তার নাফরমানি থেকে বেঁচে থাকা:
এটা এমন একটি প্রতিরক্ষা কবচ যা শয়তানের সমূহ ষড়যন্ত্রকে সমূলৎপাটন করে। অত:পর মানুষ যখন কোন দুর্বল অবস্থায় পতিত হয়, তখন তাওবা, আল্লাহর প্রতি মনোনিবেশ ও গুনাহ থেকে প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে আল্লাহর দিকে অগ্রসর হওয়া শয়তানের ষড়যন্ত্র ও কূট চালের সমস্ত প্রভাব দূর করে দেয়। আর শয়তান আল্লাহর একনিষ্ঠ বান্দাদের এবাদত বিঘ্ন সৃষ্টির ক্ষেত্রে অক্ষমতা, ও দুর্বলতা সম্পর্কে নিজেই স্বীকারোক্তি দিয়েছে। আল্লাহ তাআলা ইবলিসের ঘটনায় বলেন,
قَالَ رَبِّ بِمَا أَغْوَيْتَنِي لَأُزَيِّنَنَّ لَهُمْ فِي الْأَرْضِ وَلَأُغْوِيَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ . إِلَّا عِبَادَكَ مِنْهُمُ الْمُخْلَصِينَ . ﴿الحجر :40﴾
‘সে বলল, আমার মালিক, তুমি যেভাবে (আজ) আমাকে পথভ্রষ্ট করে দিলে (আমি ও তোমার শপথ করে বলছি) আমি মানুষদের জন্য পৃথিবীতে তাদের (গুনাহের কাজ সমূহ) শোভন করে তুলব এবং তাদের সবাইকে আমি পথভ্রষ্ট করে ছাড়ব তবে তাদের মধ্যে যারা তোমার খাটি বান্দা তাদের কথা আলাদা। [আল-হিজর : ৩৯-৪০।]
আল্লাহ তাআলা শয়তান সম্পর্কে আলোচনা করে বলেন,
قَالَ فَبِعِزَّتِكَ لَأُغْوِيَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ . إِلَّا عِبَادَكَ مِنْهُمُ الْمُخْلَصِينَ . ﴿ص : 83﴾
‘সে বলল, (হ্যাঁ), তোমার ক্ষমতার কসম (করে আমি বলছি) আমি তাদের সবাইকে বিপথ গামী করে ছাড়ব, তবে তাদের মধ্যে যারা তোমার একনিষ্ঠ বান্দা তাদের ছাড়া। [সোয়াদ : ৮২-৮৩।] অতএব যে ব্যক্তি শয়তানের ভ্রষ্টচারিতায় আক্রান্ত হবে, আল্লাহর ভয় ভীতি, পর্যবেক্ষণ এসব কিছু তাকে অলসতা থেকে জাগ্রত করবে এবং খোদাভীরুদের স্মরণ করিয়ে দেবে। অত:পর যখন তারা স্মরণ করবে তাদের দৃষ্টি খুলে যাবে এবং দৃষ্টি থেকে আবরণ সরে যাবে, অত:পর তারা হয়ে যাবে দৃষ্টিমান।
আল্লাহ তাআলা বলেন
إِنَّ الَّذِينَ اتَّقَوْا إِذَا مَسَّهُمْ طَائِفٌ مِنَ الشَّيْطَانِ تَذَكَّرُوا فَإِذَا هُمْ مُبْصِرُونَ ﴿الأعراف : 201﴾
‘আল্লাহ তাআলাকে যারা ভয় করে তাদের যদি কখনো শয়তানের পক্ষ থেকে কুমন্ত্রণা স্পর্শ করে, তবে তারা (সাথে সাথেই) আত্মসচেতন হয়ে পড়ে, তৎক্ষণাৎ তাদের চোখ খুলে যায়। [আল-আরাফ : ২০১।]
قَالَ رَبِّ بِمَا أَغْوَيْتَنِي لَأُزَيِّنَنَّ لَهُمْ فِي الْأَرْضِ وَلَأُغْوِيَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ . إِلَّا عِبَادَكَ مِنْهُمُ الْمُخْلَصِينَ . ﴿الحجر :40﴾
‘সে বলল, আমার মালিক, তুমি যেভাবে (আজ) আমাকে পথভ্রষ্ট করে দিলে (আমি ও তোমার শপথ করে বলছি) আমি মানুষদের জন্য পৃথিবীতে তাদের (গুনাহের কাজ সমূহ) শোভন করে তুলব এবং তাদের সবাইকে আমি পথভ্রষ্ট করে ছাড়ব তবে তাদের মধ্যে যারা তোমার খাটি বান্দা তাদের কথা আলাদা। [আল-হিজর : ৩৯-৪০।]
আল্লাহ তাআলা শয়তান সম্পর্কে আলোচনা করে বলেন,
قَالَ فَبِعِزَّتِكَ لَأُغْوِيَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ . إِلَّا عِبَادَكَ مِنْهُمُ الْمُخْلَصِينَ . ﴿ص : 83﴾
‘সে বলল, (হ্যাঁ), তোমার ক্ষমতার কসম (করে আমি বলছি) আমি তাদের সবাইকে বিপথ গামী করে ছাড়ব, তবে তাদের মধ্যে যারা তোমার একনিষ্ঠ বান্দা তাদের ছাড়া। [সোয়াদ : ৮২-৮৩।] অতএব যে ব্যক্তি শয়তানের ভ্রষ্টচারিতায় আক্রান্ত হবে, আল্লাহর ভয় ভীতি, পর্যবেক্ষণ এসব কিছু তাকে অলসতা থেকে জাগ্রত করবে এবং খোদাভীরুদের স্মরণ করিয়ে দেবে। অত:পর যখন তারা স্মরণ করবে তাদের দৃষ্টি খুলে যাবে এবং দৃষ্টি থেকে আবরণ সরে যাবে, অত:পর তারা হয়ে যাবে দৃষ্টিমান।
আল্লাহ তাআলা বলেন
إِنَّ الَّذِينَ اتَّقَوْا إِذَا مَسَّهُمْ طَائِفٌ مِنَ الشَّيْطَانِ تَذَكَّرُوا فَإِذَا هُمْ مُبْصِرُونَ ﴿الأعراف : 201﴾
‘আল্লাহ তাআলাকে যারা ভয় করে তাদের যদি কখনো শয়তানের পক্ষ থেকে কুমন্ত্রণা স্পর্শ করে, তবে তারা (সাথে সাথেই) আত্মসচেতন হয়ে পড়ে, তৎক্ষণাৎ তাদের চোখ খুলে যায়। [আল-আরাফ : ২০১।]