১
তরবিয়ত ও চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন
লেখকঃ শামছুল হক ছিদ্দিক, নোমান আবুল বাশার, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩২
(৭) প্রবৃত্তর ফেতনা সমূহ :
প্রবৃত্তির অনেক ফেতনা রয়েছে। তবে সর্বাধিক কঠিন ও বিপজ্জনক হচ্ছে বিত্ত, প্রতিপত্তি ও নারীর প্রতি লোভ লালসা।
সম্পদ ও খ্যাতির মোহ সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
ما ذئبان جائعان أرسلا في غنم بأفسد لها من حرص المرء على الشرف والمال لدينه . رواه الترمذي (2376) ، وصححه الألباني في صحيح الجامع (1935).
দু’টি ক্ষুধার্ত বাঘকে একটি বকরির কাছে ছেড়ে দেওয়ার চেয়েও অধিক ক্ষতিকর হচ্ছে সম্পদও খ্যাতির প্রতি মানুষের লোভ লালসা, তার দ্বীনের জন্য। [তিরমিজি : ২৩৭৬। সহিহ আল-জামে : ১৯৩৫।] সম্পদের লোভ থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ হচ্ছে, শরিয়ত সম্মত উপায়ে ধন-সম্পদ অর্জনের আকাঙ্ক্ষা তবে তা হবে অন্যান্য করণীয় দায়িত্বে অবহেলা ও অলসতা ছাড়া মধ্যম পন্থায়। পাশাপাশি অর্জিত সম্পদের জাকাতসহ বিভিন্ন হক আদায়ের মাধ্যমে। ধৈর্য উদ্দেশ্যও নিজের প্রয়োজনে কার্পণ্য ও অপচয় করবে না।
নারী সম্পর্কে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
إن الدنيا حلوة حضرة، وإن الله مستخلفكم فيها فينظر كيف تعلمون، فاتقوا الدنيا، واتقوا النساء، فإن أول فتنة بني إسرائيل كانت في النساء، رواه مسلم (2742).
নি:সন্দেহে দুনিয়া হচ্ছে সজীবও ভোগ্য বস্ত্ত, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তোমাদেরকে দুনিয়ায় প্রতিনিধি বানাবেন, অত:পর তিনি লক্ষ্য করবেন তোমরা কেমন কাজ কর। তোমরা দুনিয়াকে ভয় করো এবং নারীকে। কেননা বনী ইসরাইলের প্রথম ফেতনা নারীদের মধ্যে ছিল। [মুসলিম : ২৭৪২।]
একারণেই এই ফেতনা সমূলে বন্ধ করার জন্যে শরিয়তের অনেক সতর্ক মূলক বিধান আরোপিত হয়েছে।
সেই আলোকে এবং নিম্নমুখী রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এবং একাকিত্বও মেলামেশা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উপরন্তু মহিলাদের প্রকাশমান হওয়া ও সৌন্দর্য প্রকাশ থেকে নিষেধ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বাণী,
ألا لايخلون رجل بامرأة إلا أن كان ثالهما الشيطان، رواه الترمذي (1173). وقال : هذا حديث حسن صحيح غريب، وصححه الألباني في صحيح سنن الترمذي (936).
খবরদার! কোন পুরুষ যেন কোন নারীর সঙ্গে একাকিত্বে রাত না কাটায়। তাহলে তাদের তৃতীয় জন হবে শয়তান। আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
المرأة عورة، فإذا خرجت استشرفها الشيطان، رواه الترمذي (1173) وقال : هذا حديث حسن صحيح غريب، وصححه الألباني في صحيح سنن الترمذي (936).
‘মহিলা হচ্ছে আবৃত, অত:পর সে যখন বের হয় শয়তান তাকে উঁকিঝুকি দিয়ে দেখে। [তিরমিজি : ১১৭৩। সহিহ সুনানে তিরমিজি : ৯৩৬।] মুবারকপুরী এই শব্দের অর্থ করেছেন, পুরুষদের দৃষ্টিতে তাকে সুন্দর শোভন করে পেশ করা হয়। অথবা শয়তান তাকে দেখে তার মাধ্যমে অন্যকে অথবা তাকে বিভ্রান্ত করার জন্যে। [তুহফাতুল আহওয়াজি : ৪/২২৭।]
সম্পদ ও খ্যাতির মোহ সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
ما ذئبان جائعان أرسلا في غنم بأفسد لها من حرص المرء على الشرف والمال لدينه . رواه الترمذي (2376) ، وصححه الألباني في صحيح الجامع (1935).
দু’টি ক্ষুধার্ত বাঘকে একটি বকরির কাছে ছেড়ে দেওয়ার চেয়েও অধিক ক্ষতিকর হচ্ছে সম্পদও খ্যাতির প্রতি মানুষের লোভ লালসা, তার দ্বীনের জন্য। [তিরমিজি : ২৩৭৬। সহিহ আল-জামে : ১৯৩৫।] সম্পদের লোভ থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ হচ্ছে, শরিয়ত সম্মত উপায়ে ধন-সম্পদ অর্জনের আকাঙ্ক্ষা তবে তা হবে অন্যান্য করণীয় দায়িত্বে অবহেলা ও অলসতা ছাড়া মধ্যম পন্থায়। পাশাপাশি অর্জিত সম্পদের জাকাতসহ বিভিন্ন হক আদায়ের মাধ্যমে। ধৈর্য উদ্দেশ্যও নিজের প্রয়োজনে কার্পণ্য ও অপচয় করবে না।
নারী সম্পর্কে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
إن الدنيا حلوة حضرة، وإن الله مستخلفكم فيها فينظر كيف تعلمون، فاتقوا الدنيا، واتقوا النساء، فإن أول فتنة بني إسرائيل كانت في النساء، رواه مسلم (2742).
নি:সন্দেহে দুনিয়া হচ্ছে সজীবও ভোগ্য বস্ত্ত, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তোমাদেরকে দুনিয়ায় প্রতিনিধি বানাবেন, অত:পর তিনি লক্ষ্য করবেন তোমরা কেমন কাজ কর। তোমরা দুনিয়াকে ভয় করো এবং নারীকে। কেননা বনী ইসরাইলের প্রথম ফেতনা নারীদের মধ্যে ছিল। [মুসলিম : ২৭৪২।]
একারণেই এই ফেতনা সমূলে বন্ধ করার জন্যে শরিয়তের অনেক সতর্ক মূলক বিধান আরোপিত হয়েছে।
সেই আলোকে এবং নিম্নমুখী রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এবং একাকিত্বও মেলামেশা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উপরন্তু মহিলাদের প্রকাশমান হওয়া ও সৌন্দর্য প্রকাশ থেকে নিষেধ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বাণী,
ألا لايخلون رجل بامرأة إلا أن كان ثالهما الشيطان، رواه الترمذي (1173). وقال : هذا حديث حسن صحيح غريب، وصححه الألباني في صحيح سنن الترمذي (936).
খবরদার! কোন পুরুষ যেন কোন নারীর সঙ্গে একাকিত্বে রাত না কাটায়। তাহলে তাদের তৃতীয় জন হবে শয়তান। আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
المرأة عورة، فإذا خرجت استشرفها الشيطان، رواه الترمذي (1173) وقال : هذا حديث حسن صحيح غريب، وصححه الألباني في صحيح سنن الترمذي (936).
‘মহিলা হচ্ছে আবৃত, অত:পর সে যখন বের হয় শয়তান তাকে উঁকিঝুকি দিয়ে দেখে। [তিরমিজি : ১১৭৩। সহিহ সুনানে তিরমিজি : ৯৩৬।] মুবারকপুরী এই শব্দের অর্থ করেছেন, পুরুষদের দৃষ্টিতে তাকে সুন্দর শোভন করে পেশ করা হয়। অথবা শয়তান তাকে দেখে তার মাধ্যমে অন্যকে অথবা তাকে বিভ্রান্ত করার জন্যে। [তুহফাতুল আহওয়াজি : ৪/২২৭।]