১
তরবিয়ত ও চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন
লেখকঃ শামছুল হক ছিদ্দিক, নোমান আবুল বাশার, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬২
(৬) অশ্লীল কথা-বার্তা ও গাল মন্দ করা।
এটা জবানের একটি অন্যতম বিপদ ও সমস্যা। মানুষকে এর জন্য হিসাব দিতে হবে। কেননা মানুষের প্রতিটি শব্দও উচ্চারণ গণনা করা হচ্ছে। আল্লাহ তাআলা বলেন—
مَا يَلْفِظُ مِنْ قَوْلٍ إِلَّا لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌ . ﴿ق : 18﴾
‘একটি শব্দও সে উচ্চারণ করে না, যা সংরক্ষণ করার জন্যে একজন সদা সতর্ক প্রহরী তার পাশে নিয়োজিত থাকে না। [ক্বাফ : ১৮।]
শাইখাইন আবু মুসা আল আশআরী রা. থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি বললাম হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কোন মুসলিম শ্রেষ্ঠ? তিনি বললেন—
من سلم المسلمون من لسانه ويده .
‘যার জবানও হাত থেকে অপর মুসলমান নিরাপদ থাকে।’
সাহাল ইবনে সাদ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
من يضمن لي ما بين لحيته وما بين رجليه أضمن له الجنة .
‘যে ব্যক্তি তার দুই চোয়াল ও দুই উরু-সন্ধির মধ্যবতী স্থানের জিম্মাদারি নিবে আমি তার জন্যে জান্নাতের জিম্মাদার নিব।’ আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
أيما رجل قال لأخيه يا كافر، فقد باء بها أحدهما، إن كان كما قال وإلا رجعت إليه .
যে কোন ব্যক্তি তার অপর ভাইকে কাফের বলে সম্বোধন করল তবে এ কথাটি এই দু’জনের একজনের প্রতি ফিরে আসবে। যদি তার কথা বাস্তবের অনুরূপ হয় তাহলে তো হল, অন্যথায় এ কথা তার দিকে ফিরে আসবে। সাবেত ইবনে রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
لعن المؤمن كقتله .
‘মুমিনকে অভিসম্পাত করা তাকে হত্যা করার নামান্তর।’ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
ليس المؤمن بالطعان، ولا اللعان، ولا الفاحش، ولا البذي .
মুমিন তিরস্কারকারী, অভিসম্পাতকারী হতে পারে না।’
‘মোট কথা মুসলমানের উপর কর্তব্য হল যে এসব বিপদ ও বিপর্যয় থেকে বেঁচে থাকবে। এবং তার জবানকে সংযত ও নিয়ন্ত্রিত রাখবে। নিজেকে এমন কথা উচ্চারণে অভ্যস্ত করবে যা দুনিয়া ও আখেরাতে তার জন্যে কল্যাণ বয়ে, আনে, যেমন জিকির, কোরআন পাঠ, দোয়া, দাওয়াত, নসিহত বৈধ কথোপকথন ইত্যাদি। অথবা নীরব ও নিশ্চুপ থাকবে।
مَا يَلْفِظُ مِنْ قَوْلٍ إِلَّا لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌ . ﴿ق : 18﴾
‘একটি শব্দও সে উচ্চারণ করে না, যা সংরক্ষণ করার জন্যে একজন সদা সতর্ক প্রহরী তার পাশে নিয়োজিত থাকে না। [ক্বাফ : ১৮।]
শাইখাইন আবু মুসা আল আশআরী রা. থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি বললাম হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কোন মুসলিম শ্রেষ্ঠ? তিনি বললেন—
من سلم المسلمون من لسانه ويده .
‘যার জবানও হাত থেকে অপর মুসলমান নিরাপদ থাকে।’
সাহাল ইবনে সাদ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
من يضمن لي ما بين لحيته وما بين رجليه أضمن له الجنة .
‘যে ব্যক্তি তার দুই চোয়াল ও দুই উরু-সন্ধির মধ্যবতী স্থানের জিম্মাদারি নিবে আমি তার জন্যে জান্নাতের জিম্মাদার নিব।’ আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
أيما رجل قال لأخيه يا كافر، فقد باء بها أحدهما، إن كان كما قال وإلا رجعت إليه .
যে কোন ব্যক্তি তার অপর ভাইকে কাফের বলে সম্বোধন করল তবে এ কথাটি এই দু’জনের একজনের প্রতি ফিরে আসবে। যদি তার কথা বাস্তবের অনুরূপ হয় তাহলে তো হল, অন্যথায় এ কথা তার দিকে ফিরে আসবে। সাবেত ইবনে রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
لعن المؤمن كقتله .
‘মুমিনকে অভিসম্পাত করা তাকে হত্যা করার নামান্তর।’ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
ليس المؤمن بالطعان، ولا اللعان، ولا الفاحش، ولا البذي .
মুমিন তিরস্কারকারী, অভিসম্পাতকারী হতে পারে না।’
‘মোট কথা মুসলমানের উপর কর্তব্য হল যে এসব বিপদ ও বিপর্যয় থেকে বেঁচে থাকবে। এবং তার জবানকে সংযত ও নিয়ন্ত্রিত রাখবে। নিজেকে এমন কথা উচ্চারণে অভ্যস্ত করবে যা দুনিয়া ও আখেরাতে তার জন্যে কল্যাণ বয়ে, আনে, যেমন জিকির, কোরআন পাঠ, দোয়া, দাওয়াত, নসিহত বৈধ কথোপকথন ইত্যাদি। অথবা নীরব ও নিশ্চুপ থাকবে।