১
তরবিয়ত ও চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন
লেখকঃ শামছুল হক ছিদ্দিক, নোমান আবুল বাশার, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৩
শ্রুত বিষয়ের প্রকারসমূহ
শ্রবণ শক্তি বান্দার প্রতি আল্লাহ তাআলার মহান নেয়ামত ও অনুগ্রহ। তাই পবিত্রতম মহান আল্লাহ বলেন—
وَاللَّهُ أَخْرَجَكُمْ مِنْ بُطُونِ أُمَّهَاتِكُمْ لَا تَعْلَمُونَ شَيْئًا وَجَعَلَ لَكُمُ السَّمْعَ وَالْأَبْصَارَ وَالْأَفْئِدَةَ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ . ﴿النحل : 78﴾
‘আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের মাতৃ উদর থেকে বের করেছেন, তোমরা কিছু জানতে না, এবং তিনি তোমাদের জন্য দিয়েছেন শ্রবণ, দৃষ্টি শক্তি ও অন্তর সমূহ, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হও।’ [আন-নাহল : ৭৮।]
উপরন্তু জ্ঞানের বৃহৎ উপকরণ সমূহের মধ্য থেকে এটি একটি। একারণেই কোরআন এর প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপের কথা পুরাবৃত্তি হয়েছে। যেমন আল্লাহ তাআলার বাণী—
أَفَلَمْ يَسِيرُوا فِي الْأَرْضِ فَتَكُونَ لَهُمْ قُلُوبٌ يَعْقِلُونَ بِهَا أَوْ آَذَانٌ يَسْمَعُونَ بِهَا .
‘তারা কি ভূপৃষ্ঠে বিচরণ করো না। অত:পর তাদের জন্যে যে হৃদয় রয়েছে তা দ্বারা তারা উপলব্ধি করবে অথবা তাদের কান রয়েছে যা দ্বারা শ্রবণ করবে।’ [আল-হজ্ব : ৪৬।]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শ্রবণ শক্তির ভয়াবহতা সম্পর্কে বলেন—
كتب على ابن آدم نصيبه من الزنا، مدرك ذلك لا محالة، فالعينان زناهما النظر، والأذنان زناهما الاستماع، واللسان زناه الكلام، واليد زناها البطش، والرجل زناها الخطا، والقلب يهوي ويتمنى، ويصدقه الفرج أو يكذبه .
‘আদম সন্তানের জন্যে তার ব্যভিচারের অংশ লিপিবদ্ধ হয়ে রয়েছে। অবশ্যম্ভাবী রূপে সে তার মুখোমুখি হবে। অতএব, দৃষ্টি দ্বয় উভয়ের ব্যভিচার হল দৃষ্টি নিক্ষেপ, কর্ণ দ্বয় উভয়ের ব্যভিচার হল শ্রবণ শক্তি, জবান তার ব্যভিচার হল কথা এবং হাত তার ব্যভিচার হল ধরা, এবং পা তার ব্যভিচার হল চলা, এবং অন্তর বাসনা ও আকাঙ্ক্ষা পোষণ করে এবং লজ্জাস্থান তা বাস্তবায়ন করে অথবা মিথ্যা সাব্যস্ত করে।’
وَاللَّهُ أَخْرَجَكُمْ مِنْ بُطُونِ أُمَّهَاتِكُمْ لَا تَعْلَمُونَ شَيْئًا وَجَعَلَ لَكُمُ السَّمْعَ وَالْأَبْصَارَ وَالْأَفْئِدَةَ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ . ﴿النحل : 78﴾
‘আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের মাতৃ উদর থেকে বের করেছেন, তোমরা কিছু জানতে না, এবং তিনি তোমাদের জন্য দিয়েছেন শ্রবণ, দৃষ্টি শক্তি ও অন্তর সমূহ, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হও।’ [আন-নাহল : ৭৮।]
উপরন্তু জ্ঞানের বৃহৎ উপকরণ সমূহের মধ্য থেকে এটি একটি। একারণেই কোরআন এর প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপের কথা পুরাবৃত্তি হয়েছে। যেমন আল্লাহ তাআলার বাণী—
أَفَلَمْ يَسِيرُوا فِي الْأَرْضِ فَتَكُونَ لَهُمْ قُلُوبٌ يَعْقِلُونَ بِهَا أَوْ آَذَانٌ يَسْمَعُونَ بِهَا .
‘তারা কি ভূপৃষ্ঠে বিচরণ করো না। অত:পর তাদের জন্যে যে হৃদয় রয়েছে তা দ্বারা তারা উপলব্ধি করবে অথবা তাদের কান রয়েছে যা দ্বারা শ্রবণ করবে।’ [আল-হজ্ব : ৪৬।]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শ্রবণ শক্তির ভয়াবহতা সম্পর্কে বলেন—
كتب على ابن آدم نصيبه من الزنا، مدرك ذلك لا محالة، فالعينان زناهما النظر، والأذنان زناهما الاستماع، واللسان زناه الكلام، واليد زناها البطش، والرجل زناها الخطا، والقلب يهوي ويتمنى، ويصدقه الفرج أو يكذبه .
‘আদম সন্তানের জন্যে তার ব্যভিচারের অংশ লিপিবদ্ধ হয়ে রয়েছে। অবশ্যম্ভাবী রূপে সে তার মুখোমুখি হবে। অতএব, দৃষ্টি দ্বয় উভয়ের ব্যভিচার হল দৃষ্টি নিক্ষেপ, কর্ণ দ্বয় উভয়ের ব্যভিচার হল শ্রবণ শক্তি, জবান তার ব্যভিচার হল কথা এবং হাত তার ব্যভিচার হল ধরা, এবং পা তার ব্যভিচার হল চলা, এবং অন্তর বাসনা ও আকাঙ্ক্ষা পোষণ করে এবং লজ্জাস্থান তা বাস্তবায়ন করে অথবা মিথ্যা সাব্যস্ত করে।’