hadith book logo

তরবিয়ত ও চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন

লেখকঃ শামছুল হক ছিদ্দিক, নোমান আবুল বাশার, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩৬

(১০) কাফের ও ফাসেক বন্ধুদের প্রতি মন্দ চিন্তা ভাবনা, অশ্লীল কথাবার্তা ও ত্রুটি পূর্ণ কাজের মাধ্যমে ম্যাসেজ প্রদান:

তারা এ পদ্ধতিতে মুমিনকে তার এবাদতের প্রতি দৃঢ় আস্থা থেকে বিচ্যুতি, আল্লাহর শরিয়ত, বিধি-বিধান ও ওয়াদায় সন্দেহ সৃষ্টির অপচেষ্টা লিপ্ত হয়। শয়তান মন্দ কাজের প্রতি ভালোবাসা ও কল্যাণময় কাজের প্রতি বিদ্বেষ সৃষ্টির চেষ্টা করে।

وَلَا تَأْكُلُوا مِمَّا لَمْ يُذْكَرِ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ وَإِنَّهُ لَفِسْقٌ وَإِنَّ الشَّيَاطِينَ لَيُوحُونَ إِلَى أَوْلِيَائِهِمْ لِيُجَادِلُوكُمْ وَإِنْ أَطَعْتُمُوهُمْ إِنَّكُمْ لَمُشْرِكُونَ . ﴿الأنعام : 121﴾

‘(জবেহের সময়) যার ওপর আল্লাহ তাআলার নাম নেয়া হয়নি, সে (জন্তুর গোশত) তোমরা কখনো খাবে না, (কেননা) তা হচ্ছে জঘন্য গুনাহের কাজ। শয়তানের (কাজই হচ্ছে) তার সঙ্গী সাথিদের মনে প্ররোচনা দেয়া, যেন তারা তোমাদের সাথে (এ নিয়ে) ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হয়, যদি তোমরা তাদের কথা মেনে চলো, তাহলে অবশ্যই তোমরা মুশরিক হয়ে পড়বে। [আল আনআম : ১২১।] মহান আল্লাহ তাআলা আরো বলেন—

أَلَمْ تَرَ أَنَّا أَرْسَلْنَا الشَّيَاطِينَ عَلَى الْكَافِرِينَ تَؤُزُّهُمْ أَزًّا ﴿مريم : 83﴾

হে নবী তুমি কি (এবিষয়টির প্রতি লক্ষ্য করোনি, আমি (ঠিকভাবে) কাফেরদের ওপর শয়তানদের ছেড়ে দিয়ে রেখেছি, তারা (আল্লাহ তাআলার বিরুদ্ধে) তাদের ক্রমাগত উৎসাহ দান করছে। [মারইয়াম : ৮৩।]

শয়তান যখন মানুষের অন্তরের ওপর ক্ষমতাবান হয়, সে তাকে গুনাহ, পাপাচারের প্রতি আসক্ত করে এবং তাকে মন্দের দিকে টেনে নিয়ে যায়। আর যখনই গুনাহ মেষ হয় সে তার কাছে ফিরে আসে। এভাবে তার প্রবৃত্ত কখনোই পাপাচার ও অন্যায় থেকে পরিতৃপ্ত হয় না। দুনিয়াতে এটাই হচ্ছে তার জন্য ছোট শাস্তি। আর পরকালের শাস্তি তো কঠিন, ও চিরস্থায়ী।